শিরোনাম
◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৮:৩০ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চ্যাটজিপিটিকে ‘থেরাপিস্ট’ হিসেবে ব্যবহার করার ৪টি বড় ঝুঁকি: সতর্ক করছেন বিশেষজ্ঞরা

চ্যাটজিপিটি বা এআই চ্যাটবটগুলোর জনপ্রিয়তা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অনেকেই এগুলোকে নিজেদের মানসিক প্রশান্তির হাতিয়ার বা 'থেরাপিস্ট' হিসেবে ব্যবহার করছেন। কিন্তু সম্প্রতি ঘটে যাওয়া কিছু মর্মান্তিক ঘটনা নতুন করে ভাবিয়ে তুলছে বিশেষজ্ঞদের। একজন তরুণের আত্মহত্যার পর জানা গেছে, সে মৃত্যুর আগে চ্যাটজিপিটির সঙ্গে তার বিষণ্নতা নিয়ে কথা বলেছিল। যদিও এআই সরাসরি তাকে উৎসাহিত করেনি, তবে একজন পেশাদার থেরাপিস্টের মতো জীবন রক্ষায় কোনো কার্যকর পদক্ষেপও নেয়নি।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, থেরাপি হিসেবে এআই ব্যবহার করার ঝুঁকি অনেক। কেন চ্যাটজিপিটির মতো চ্যাটবটগুলোকে থেরাপিস্ট হিসেবে বেছে নেওয়া উচিত নয়, তার ৪টি প্রধান কারণ নিচে তুলে ধরা হলো-

১. ক্ষতিকর ‘ফিডব্যাক লুপ’ তৈরি

এআই মূলত ব্যবহারকারীর কথা বা পছন্দের ধরন অনুযায়ী উত্তর দিতে শেখে। অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ড. ম্যাথু নূরের মতে, চ্যাটবট অনেক সময় মানুষের অবাস্তব বিশ্বাসকে সমর্থন দিয়ে বসে। ফলে একজন বিষণ্ন ব্যক্তি যদি ভাবেন যে 'দুনিয়ায় কেউ তাকে ভালোবাসে না', তবে এআই-এর উত্তরে সেই ধারণা আরও দৃঢ় হতে পারে। এই ‘ফিডব্যাক লুপ’ মানসিক রোগীকে সুস্থ করার বদলে আরও অসুস্থ করে তোলে।

২. দীর্ঘ আলোচনায় অসংলগ্ন আচরণ

ওপেনএআই নিজেই স্বীকার করেছে যে, ছোটখাটো সাধারণ তথ্যের ক্ষেত্রে চ্যাটজিপিটি ভালো কাজ করলেও দীর্ঘ ও জটিল আলোচনায় এর নিরাপত্তা বলয় দুর্বল হয়ে পড়ে। লম্বা সময় ধরে কথা বললে চ্যাটবট আগের তথ্য ভুলে যেতে পারে বা এমন কিছু পরামর্শ দিতে পারে যা ব্যবহারকারীর জন্য ক্ষতিকর। মানুষের মতো এআই-এর কোনো 'থিওরি অফ মাইন্ড' বা দীর্ঘমেয়াদী লক্ষ্য অনুসরণের ক্ষমতা নেই।

৩. কিশোর ও শিশুদের জন্য বাড়তি ঝুঁকি

কিশোর-কিশোরীরা অনেক সময় এআই-এর কৃত্রিম সহমর্মিতাকে প্রকৃত মানবিক আবেগ বলে ভুল করে। তারা চ্যাটবটের ওপর মাত্রাতিরিক্ত নির্ভরশীল হয়ে পড়ে, যা তাদের সামাজিক দক্ষতা ও সম্পর্ক গড়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। অনেক ক্ষেত্রে কিশোররা মানুষের বদলে এআই-এর সাথে কথা বলাকেই নিরাপদ মনে করে, যা দীর্ঘমেয়াদে তাদের জন্য একাকীত্ব ও মানসিক অস্থিরতা বয়ে আনে।

৪. আইনি সুরক্ষা ও গোপনীয়তার অভাব

একজন পেশাদার থেরাপিস্ট আইনত আপনার গোপন তথ্য রক্ষা করতে বাধ্য। কিন্তু ওপেনএআই-এর সিইও স্যাম অল্টম্যান নিজেই স্বীকার করেছেন যে, চ্যাটজিপিটির সঙ্গে শেয়ার করা তথ্যের কোনো আইনি গোপনীয়তা সুরক্ষা নেই। আপনার একান্ত ব্যক্তিগত কথা ও মানসিক অবস্থা ডেটা হিসেবে সংরক্ষিত হয়, যা পরবর্তীতে আপনার গোপনীয়তা নষ্টের কারণ হতে পারে।

তথ্যসূত্র: ম্যাশেবল

  • সর্বশেষ