শিরোনাম
◈ জাতীয় কবি কাজী নজরুলের মৃত্যুবার্ষিকী আজ ◈ দুদিন পরেই বিরল চন্দ্রগ্রহণ, দেখা যাবে যেসব অঞ্চলে ◈ স্কুলশিক্ষার্থী অন্তঃসত্ত্বা, বিএনপি নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ মামলা ◈ মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ ◈ নেপালে আকস্মিক বন্যায় ভূমিধসে নিহত অন্তত ১৬০, নিখোঁজ ৮ শতাধিক ◈ ১৯ বছর ধরে পালাতক ‘পিচ্চি হান্নানের’ সহযোগী ‘কিলার মাসুদ’ গ্রেপ্তার ◈ নেপালের ভয়াবহ বন্যা ও ভূমিধসে শোক, সহায়তায় প্রস্তুত বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি ◈ শ্রীলঙ্কার বিরু‌দ্ধে সিরিজ জয়ের পথে ভারত ◈ গ্রামের নিম্নবিত্তের সবজি কচু-লতি এখন রপ্তানি হচ্ছে ইউরোপ-আমেরিকায় ◈ ৪৫ বছর পর জিয়াউর রহমান হত্যা মামলায় নতুন মোড়, গ্রেপ্তার মোজাফফরকে নিয়ে হবে তদন্ত

প্রকাশিত : ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬, ০৯:১১ সকাল
আপডেট : ১৬ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অবসর নিচ্ছে আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন

দীর্ঘ দুই দশকের বেশি সময় ধরে মহাকাশচারীদের আবাসস্থল হিসেবে ব্যবহৃত আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশন (আইএসএস) ধীরে ধীরে বিদায়ের পথে। যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা জানিয়েছে, ২০৩০ সালের মধ্যে আইএসএসের কার্যক্রম বন্ধ করার পরিকল্পনা থাকলেও এখনো কোনো বেসরকারি বিকল্প মহাকাশ স্টেশন প্রস্তুত হয়নি।

নাসার লক্ষ্য লো-আর্থ অরবিটে মহাকাশচারীদের ধারাবাহিক উপস্থিতি বজায় রাখা। তবে বাণিজ্যিক মহাকাশ স্টেশনের পরিকল্পনা ও কারিগরি নিয়মাবলি প্রকাশে বিলম্ব হওয়ায় পরবর্তী প্রজন্মের স্টেশন নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানগুলো এখনো পূর্ণমাত্রায় কাজ শুরু করতে পারেনি।

বর্তমানে নাসার সঙ্গে চুক্তির জন্য চারটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান প্রতিযোগিতায় রয়েছে—ভয়েজার টেকনোলজিস, অ্যাক্সিওম স্পেস, ব্লু অরিজিন ও ভাস্ট স্পেস। চলতি বছরের শেষ দিকে নাসা এক বা দুটি প্রতিষ্ঠানকে বড় পরিসরের চুক্তি দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে আইএসএসের কার্যকাল শেষ হতে আর মাত্র পাঁচ বছর বাকি থাকলেও বাণিজ্যিক স্টেশনের জন্য প্রয়োজনীয় বিস্তারিত কারিগরি নির্দেশনা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। এতে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।

এই প্রতিযোগিতায় ভাস্ট স্পেস দাবি করেছে, তারা ‘হেভেন-১’ নামের একটি ছোট আকারের মহাকাশ স্টেশন নির্মাণে এগিয়ে রয়েছে। মূলত স্বল্পমেয়াদি মিশনের জন্য নকশা করা এই স্টেশন ২০২৭ সালের প্রথম প্রান্তিকে উৎক্ষেপণের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

ভাস্ট স্পেসের প্রধান নির্বাহী ম্যাক্স হাফট জানিয়েছেন, হেভেন-১–এর মূল কাঠামো তৈরি হয়েছে এবং গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষাও সম্পন্ন হয়েছে। উৎক্ষেপণের পর এটি প্রথমে মানববিহীন অবস্থায় মহাকাশে কার্যক্রম শুরু করবে। পরে পৃথিবী থেকে এর নিয়ন্ত্রণ ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যবেক্ষণ করা হবে। সবকিছু সন্তোষজনক হলে স্পেসএক্সের ক্রু ড্রাগন ক্যাপসুলে করে নভোচারীদের সেখানে পাঠানো হবে। স্টেশনটি প্রায় তিন বছর সক্রিয় থাকবে এবং এতে দুই সপ্তাহ মেয়াদি একাধিক মিশন পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, নাসা যদি দ্রুত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে ব্যর্থ হয়, তবে আইএসএসের অবসর এবং নতুন বাণিজ্যিক স্টেশনের কার্যক্রম শুরুর মধ্যবর্তী সময়ে একটি বড় শূন্যতা তৈরি হতে পারে। এতে বৈজ্ঞানিক গবেষণা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি মহাকাশে পশ্চিমা দেশগুলোর প্রভাবও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে।

আইএসএসের মেয়াদ আরও কিছুদিন বাড়ানো হবে, নাকি দ্রুত বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভর করা হবে—সে বিষয়ে আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই চূড়ান্ত দিকনির্দেশনা আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস, বিবিসি

  • সর্বশেষ