শিরোনাম
◈ অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকা‌পে ভার‌তের বিরু‌দ্ধে জেতা ম‍্যাচ হারলো বাংলাদেশ ◈ আইসিসির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক শেষে যা জানাল বিসিবি ◈ নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক অর্থনৈতিক সহযোগিতার পক্ষে বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা ◈ ‘ব্লাডি সিটিজেন’ বিতর্কে ইসির নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে ক্ষোভ হাসনাত আব্দুল্লাহর (ভিডিও) ◈ গুম-খুনের শিকার পরিবারের সদস্যদের আর্তনাদ শুনে কাঁদলেন তারেক রহমান (ভিডিও) ◈ আইনশৃঙ্খলা জোরদার: ৩৩০ সন্ত্রাসীর চট্টগ্রামে প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ, গণবিজ্ঞপ্তি জারি ◈ ঢাকা ক‌্যা‌পিটাল‌সের বিদায়, ‌বি‌পিএ‌লের প্লে-অফে রংপুর রাইডার্স  ◈ ইসরায়েলি সমর্থকদের মা‌ঠে ঢুক‌তে না দেয়ায় চাকরি হারালেন ব্রিটিশ পুলিশ কর্মকর্তা ◈ আইসিসি প্রতিনিধি দলের ভারতীয় কর্মকর্তা বাংলাদেশের ভিসা পাননি ◈ তামিম ইকবাল, বিসিবি ও কোয়াব ত্রিমুখী সংকটের নেপথ্যে রাজনীতি 

প্রকাশিত : ১৮ নভেম্বর, ২০২৫, ১১:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ জানুয়ারী, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিশ্বের শীর্ষ তরুণ নিউক্লিয়ার গবেষক তালিকায় প্রথমবারের মতো বাংলাদেশি বুয়েটের ড. বাহাউদ্দিন আলম

ড. সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলম | ছবি- ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আর্বানা শ্যাম্পেইন

বিশ্বের শীর্ষ তরুণ নিউক্লিয়ার গবেষকদের তালিকায় প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) প্রাক্তন শিক্ষার্থী ড. সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলম। ‘নিউক্লিয়ার নিউজ ৪০ আন্ডার ৪০ (২০২৫)’ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে তিনি প্রথম বাংলাদেশী হিসেবে এ মর্যাদাপূর্ণ স্বীকৃতি অর্জন করেছেন তিনি।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক নিউক্লিয়ার নিউজওয়্যার–এর এই তালিকা প্রতি বছর বিশ্বজুড়ে পারমাণবিক শক্তি সংক্রান্ত গবেষণা, প্রকৌশল, নিরাপত্তা ও নীতি উন্নয়নে কার্যকর ভূমিকা রাখা তরুণ বিশেষজ্ঞদের সম্মাননা হিসেবে প্রদান করা হয়। ২০২৫ সালের তালিকায় ড. আলমের অন্তর্ভুক্তি বাংলাদেশের পারমাণবিক গবেষণাক্ষেত্রে এক গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

ড. সৈয়দ বাহাউদ্দিন আলমের গবেষণার মূল জায়গা হলো উন্নত পারমাণবিক প্রকৌশল এবং পারমাণবিক ব্যবস্থার নিরাপত্তা, দক্ষতা ও রিয়েল-টাইম পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা উন্নত করার জন্য কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার অত্যাধুনিক প্রয়োগ। বিশ্বব্যাপী পারমাণবিক শিল্পে ডেটা-চালিত এবং পদার্থবিদ্যাভিত্তিক মডেলিংয়ের সমন্বয় ঘটানোর ক্ষেত্রে তিনি অগ্রভাগে রয়েছেন।

গবেষণায় তার প্রধান অবদানগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  1. এআই-ভিত্তিক ডিজিটাল টুইন প্রযুক্তি তৈরি, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের রিঅ্যাক্টরের নিরাপত্তা ও কার্যক্ষমতা নিশ্চিত করতে ব্যবহৃত হবে
  2. ব্যাখ্যামূলক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজন— যাতে রিঅ্যাক্টর ব্যবস্থাপনায় সিদ্ধান্ত গ্রহণ আরো স্বচ্ছ ও নির্ভরযোগ্য হয়
  3. জটিল পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের জন্য জিরো-ট্রাস্ট সাইবারসিকিউরিটি কাঠামো তৈরি করা
  4. সামুদ্রিক প্রপেলশন এর জন্য উন্নত ক্ষুদ্র মডুলার চুল্লি (এসএমআর) কোর ডিজাইন করা।

ডেটা–চালিত মডেলিং ও পদার্থবিজ্ঞানের গভীর তাত্ত্বিক ভিত্তির সমন্বয়ে পারমাণবিক শিল্পে তৈরি হওয়া উদ্ভাবনী ধারায় উল্লেখযোগ্য অবস্থানে রয়েছেন ড. আলম। তিনি বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) থেকে ২০১১ সালে ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং–এ স্নাতক সম্পন্ন করেছেন। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিউক্লিয়ার এনার্জিতে এমফিল (২০১৩) এবং নিউক্লিয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং–এ পিএইচডি (২০১৮) ডিগ্রি অর্জন করেন।

বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইউনিভার্সিটি অব ইলিনয় আর্বানা শ্যাম্পেইন-এ সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। গবেষণা, শিক্ষা ও আন্তর্জাতিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ব পারমাণবিক খাতে তার অবদান উল্লেখযোগ্যভাবে স্বীকৃত হচ্ছে। সূত্র: বণিক বার্তা

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়