স্পোর্টস ডেস্ক: ২০২৭ ওয়ানডে বিশ্বকাপ সামনে রেখে ইংল্যান্ড দলের পরামর্শক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন সাবেক তারকা ব্যাটার কেভিন পিটারসেন। ব্রেন্ডন ম্যাকালামের কোচিং দলের সঙ্গে কাজ করবেন তিনি। তবে পূর্ণকালীন দায়িত্ব নিচ্ছেন না পিটারসেন। আগামী ১২ মাসে ইংল্যান্ডের প্রতিটি সিরিজে তাঁকে দলের সঙ্গে দেখা যাবে না বলে নিজেই জানিয়েছেন।
ইংল্যান্ড ক্রিকেট বোর্ডের উদ্যোগে এই নিয়োগ পেয়েছেন পিটারসেন। দক্ষিণ আফ্রিকা, জিম্বাবুয়ে ও নামিবিয়ায় অনুষ্ঠেয় বিশ্বকাপের প্রস্তুতিতে তাঁর অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চায় ইংল্যান্ড। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে আসন্ন তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ দিয়েই শুরু হবে তাঁর নতুন দায়িত্ব। -- আজকাল
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন পিটারসেন। তিনি লিখেছেন, ‘একটি বিষয় পরিষ্কার করে দিতে চাই। আমি ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের পরামর্শক, পূর্ণকালীন কর্মী নই। তাই আগামী ১২ মাসে সাদা বলের দল যত সিরিজ বা ম্যাচ খেলবে, তার প্রতিটিতে আমি থাকব না। সোমবার অস্ট্রেলিয়ার উদ্দেশে রওনা হয়ে কয়েক সপ্তাহ দলের সঙ্গে কাটানোর অপেক্ষায় আছি।’
অস্ট্রেলিয়া সফরের পর দক্ষিণ আফ্রিকা সফর এবং ঘরের মাঠে পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ রয়েছে ইংল্যান্ডের। এসব সিরিজের কোনটিতে কাজ করবেন, তা নিজের সুবিধা অনুযায়ী ঠিক করবেন পিটারসেন।
তবে তাঁর নিয়োগ নিয়ে শুরু থেকেই ইংল্যান্ডের ক্রিকেট মহলে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। মাইকেল ভন ও জেমস অ্যান্ডারসনের মতো সাবেক ক্রিকেটাররাও বিস্ময় প্রকাশ করেছেন। খেলোয়াড়ি জীবনে সতীর্থদের সঙ্গে সম্পর্কের অবনতি এবং ২০১১ সালে প্রতিপক্ষ দলের ক্রিকেটারদের বিতর্কিত বার্তা পাঠানোর ঘটনায় দল থেকে বাদ পড়েছিলেন পিটারসেন। পরে অধিনায়ক অ্যান্ড্রু স্ট্রসের কাছে ক্ষমা চান তিনি। তাঁর উপস্থিতিতে ড্রেসিংরুমে ব্যক্তিত্বের সংঘাত তৈরি হতে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
এর মধ্যে ২০২৫ সালে ভারতের বিপক্ষে ইংল্যান্ডের সাদা বলের সিরিজে ম্যাকালামের কোচিং পদ্ধতির সমালোচনা করেছিলেন পিটারসেন। তবু তাঁকে স্বাগত জানিয়েছেন ইংল্যান্ডের প্রধান কোচ। ম্যাকালাম বলেছেন, ‘কেপির প্রতি আমার অগাধ শ্রদ্ধা রয়েছে। ক্রিকেটে ওর অর্জন অসাধারণ। ইংল্যান্ড ক্রিকেটেও ওর প্রভাব গুরুত্বপূর্ণ। ওর মতো অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও মর্যাদাসম্পন্ন একজন মানুষ আমাদের সঙ্গে কাজ করতে চাইছে, এটা দারুণ প্রাপ্তি।