স্পোর্টস ডেস্ক : এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) সভাপতি হিসেবে মহসিন নকভির মেয়াদ শেষ হচ্ছে ২০২৭ সালের ৩ এপ্রিল। ফলে বর্তমান নিয়ম বহাল থাকলে ২০২৭ সালের এশিয়া কাপের সময় এসিসির নেতৃত্বে থাকছেন না পাকিস্তানের এই ক্রিকেট সংগঠক।
তবে মেয়াদ বাড়ানোর চেষ্টা করতে পারেন নকভি। ক্রিকেটভিত্তিক একটি ওয়েবসাইটের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসিসির বার্ষিক সাধারণ সভা (এজিএম) পর্যন্ত তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর যুক্তি সামনে আসতে পারে। সাধারণত বছরের শেষ দিকে এজিএম অনুষ্ঠিত হয়।
তবে এসিসির একাধিক সদস্যের দাবি, সভাপতির মেয়াদের সঙ্গে এজিএমের সময়ের কোনো সম্পর্ক নেই। এক সদস্যের ভাষ্য, নকভির মেয়াদ নির্ধারিতভাবেই ২০২৭ সালের এপ্রিল পর্যন্ত। এরপর নিয়ম অনুযায়ী বাংলাদেশের সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার কথা। বাংলাদেশের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবালের নামও এ ক্ষেত্রে আলোচনায় রয়েছে।
নিয়ম অনুযায়ী, এসিসি সভাপতির মেয়াদ দুই বছর এবং পূর্ণ সদস্য দেশগুলোর মধ্যে পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব বণ্টন করা হয়। বিশেষ পরিস্থিতিতে নির্বাহী বোর্ডের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে মেয়াদ বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে। তবে নকভির ক্ষেত্রে সেই সর্বসম্মতি পাওয়া কতটা সম্ভব, তা নিয়েই প্রশ্ন উঠেছে।
এসিসির নির্বাহী বোর্ডে রয়েছে ভারত, শ্রীলঙ্কা, পাকিস্তান, বাংলাদেশ ও আফগানিস্তান—এশিয়ার পাঁচ পূর্ণ সদস্য। সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় নকভিকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কও তাঁর মেয়াদ বাড়ানোর পথে বাধা হতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
নকভির আগে ২০২১ থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত এসিসি সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন জয় শাহ। বর্তমান নিয়ম অনুযায়ী সবকিছু এগোলে ২০২৭ সালের ৩ এপ্রিলের পর নেতৃত্বে পরিবর্তন আসবে। অর্থাৎ ২০২৭ এশিয়া কাপের আগেই এসিসি পেতে পারে নতুন সভাপতি।