স্পোর্টস ডেস্ক : অজিত আগরকরের বিদায়ের পর ভারতের জাতীয় নির্বাচক কমিটির দায়িত্ব নিতে পারেন নতুন কেউ। সম্ভাব্য নতুন প্রধান নির্বাচককে আগেভাগেই সতর্ক করে দিলেন ভারতের কিংবদন্তি সুনীল গাভাসকার। তাঁর বার্তা—এই পদ যতটা সম্মানের, চাপও ততটাই বেশি।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে বিসিসিআইয়ের প্রধান নির্বাচক হিসেবে দায়িত্ব নেন আগরকর। তাঁর মেয়াদে ভারত ওয়ানডে বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার পাশাপাশি দুবার টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, এশিয়া কাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি জিতেছে। আগামী ৪ অক্টোবরের পর পরবর্তী নির্বাচক নিয়ে বোর্ড আনুষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত জানাতে পারে। --- আজকাল
আগরকরের উত্তরসূরি হিসেবে আলোচনায় রয়েছে পার্থিব প্যাটেল ও প্রজ্ঞান ওঝার নাম। গাভাসকারের ধারণা, বিসিসিআইয়ের প্রচলিত জোনভিত্তিক নির্বাচক নিয়োগের নিয়ম থাকায় নতুন চেয়ারম্যানও ওয়েস্ট জোন থেকে আসতে পারেন।
তবে দায়িত্বটি যে মোটেও সহজ নয়, সেটিই মনে করিয়ে দিয়েছেন গাভাসকার। তাঁর মতে, একজন নির্বাচক চেয়ারম্যানের ভালো সিদ্ধান্ত দ্রুতই ভুলে যায় সবাই। কিন্তু একটি বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিয়েই শুরু হয় তুমুল সমালোচনা। অথচ অনেক সময় চেয়ারম্যানের সিদ্ধান্তের পেছনে পুরো নির্বাচক কমিটির মতামত থাকতে পারে। সংবাদমাধ্যমের সামনে ব্যাখ্যা দিতে হয় শুধু চেয়ারম্যানকেই।
নিজের অভিজ্ঞতাও তুলে ধরেছেন গাভাসকার। তাঁর দাবি, একসময় অধিনায়ককে নির্বাচক কমিটির বৈঠকে রাখা হলেও ভোটাধিকার দেওয়া হতো না। কোনো কোনো নির্বাচক বৈঠক থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের কাছে দলের নির্বাচন বা বাদ পড়ার দায় অধিনায়কের ওপর চাপিয়ে দিতেন। তাঁর ক্ষেত্রেও এমন ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে বলে জানিয়েছেন ভারতের সাবেক অধিনায়ক।
সেই অভিজ্ঞতা থেকেই নতুন নির্বাচক চেয়ারম্যানকে গাভাসকরের সতর্কবার্তা—খেলোয়াড় হিসেবে যতই জনপ্রিয় বা সফল হন, নির্বাচক হিসেবে মেয়াদ শেষে প্রশংসার চেয়ে সমালোচনাই বেশি জুটতে পারে। আর সেই সমালোচনার সবটাই যে সঠিক হবে, এমনও নয়।