স্পোর্টস ডেস্ক : খেলার শুরুটা দেখে মনে হয়নি চেলসি এতোটা সহজে হারতে পারে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সেটাই হলো। চেলসির বিরুদ্ধে ৩-০ গোলে বড় জয় তুলে নিয়েছে ব্রেন্টফোর্ড। শুক্রবার রাতে গটেক কমিউনিটি স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ম্যাচের প্রথমার্ধ গোলশূন্য থাকলেও বিরতির পর তিন গোল করে দারুণ জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিকরা। ব্রেন্টফোর্ডের হয়ে গোল করেন জেইডন অ্যান্থনি, ইগর থিয়াগো ও ফাবিও কারভালহো। ম্যাচের শুরুতে ম্যাচের কিছুটা নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল চেলসি।
নবম মিনিটে পেদ্রো নেতোর শট দারুণভাবে ঠেকিয়ে দেন ব্রেন্টফোর্ডের গোলরক্ষক কাওইমিন কেলেহার। মর্গান রজার্সও গোলের সুযোগ পেয়েছিলেন, কিন্তু তাঁর শট প্রতিপক্ষের খেলোয়াড়ের ব্লকে আটকে যায়।
দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের চিত্র পুরোপুরি বদলে যায়। ৬১ মিনিটে কর্নার থেকে পাওয়া সুযোগ কাজে লাগিয়ে ব্রেন্টফোর্ডকে এগিয়ে দেন জেইডন অ্যান্থনি।
মিকেল ডামসগার্ডের কর্নার জ্যানিক শুস্টার হেড করে গোলমুখে বাড়িয়ে দেন, সেখান থেকে অরক্ষিত অ্যান্থনি কাছ থেকে হেডে বল জালে পাঠান।
গোল হজমের পর সমতায় ফেরার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে চেলসি। একের পর এক আক্রমণ চালালেও ব্রেন্টফোর্ডের রক্ষণ ভাঙতে পারেনি তারা। উল্টো পাল্টা আক্রমণে আরও বিপজ্জনক হয়ে ওঠে স্বাগতিকরা।
৮২ মিনিটে সেই পাল্টা আক্রমণ থেকেই ব্যবধান দ্বিগুণ করে ব্রেন্টফোর্ড। কেভিন শাদের শট চেলসি গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ঠেকালেও ফিরতি বল পেয়ে সহজেই জালে পাঠান ইগর থিয়াগো।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে আসে ব্রেন্টফোর্ডের তৃতীয় গোল। যোগ করা সময়ের শেষ দিকে শাদের ক্রস থেকে ফাবিও কারভালহো কাছ থেকে বল জালে পাঠিয়ে চেলসির পরাজয় আরও বড় করে দেন। দীর্ঘ চোট কাটিয়ে ফেরার পর প্রিমিয়ার লিগে এটি কারভালহোর প্রথম গোল। এই জয়ের ফলে মৌসুমের প্রথম পাঁচ ম্যাচে ৯ পয়েন্ট নিয়ে ব্রেন্টফোর্ড উঠে এসেছে পয়েন্ট টেবিলের তৃতীয় স্থানে। একই সঙ্গে নিজেদের মাঠে প্রিমিয়ার লিগে অপরাজিত থাকার ধারাও আট ম্যাচে নিয়ে গেছে তারা।
অন্যদিকে চেলসির জন্য রাতটি ছিল হতাশার। পাঁচ ম্যাচে ৭ পয়েন্ট নিয়ে তারা আপাতত সপ্তম স্থানে রয়েছে এবং টানা তিন লিগ ম্যাচে জয়ের দেখা পায়নি। আরও উদ্বেগের বিষয়, পাঁচ ম্যাচে ১২ গোল হজম করেছে লন্ডনের দলটি। যা এ মুহূর্তে লিগে সবচেয়ে বেশি।