স্পোর্টস ডেস্ক : ২০২৬-২৭ প্রিমিয়ার লিগ মৌসুম শুরু হলেও চেলসি এবং সান্ডারল্যান্ডের জার্সির সামনের স্পন্সর এখনো নিশ্চিত হয়নি। দ্য ব্লুজদের জন্য এই পরিস্থিতি অবশ্য নতুন নয়। টানা চতুর্থ মৌসুমের মতো জার্সিতে মূল স্পন্সর ছাড়াই খেলছে দ্য ব্লুজরা। স্ট্যামফোর্ড ব্রিজের কর্তারা বেশ কিছুদিন ধরেই বিভিন্ন স্পন্সর প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে দরকষাকষি চালিয়ে যাচ্ছে। জানা গেছে, জার্সির সামনের অংশের বিজ্ঞাপনের জন্য প্রতিষ্ঠানগুলোর কাছ থেকে মৌসুমে প্রায় ৫০ থেকে ৫৫ মিলিয়ন পাউন্ড প্রত্যাশা করছে তারা।
শেষ কয়েক মৌসুমে চেলসির অধারাবাহিক পারফরম্যান্স এবং চ্যাম্পিয়নস লিগে যোগ্যতা অর্জনে ব্যর্থতার কারণে তাদের প্রত্যাশার সঙ্গে বাজারমূল্যের ব্যবধান বেড়েছে। স্বাভাবিকভাবেই ইউরোপের সেরা প্রতিযোগিতায় খেলতে না পারা যেকোনো ক্লাবের বাণিজ্যিক প্রচার ও ব্র্যান্ড ভ্যালু অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
বিবিসি স্পোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত মৌসুম শেষে চেলসির সম্ভাব্য স্পন্সরশিপের বাজারমূল্য ৫০.৩ মিলিয়ন পাউন্ড থেকে কমে ৩৩.৬ মিলিয়ন পাউন্ডে নেমে এসেছে।
সাম্প্রতিক মৌসুমগুলোতে অবশ্য স্বল্পমেয়াদী চুক্তির মাধ্যমে এই খালি জায়গা পূরণ করেছিল চেলসি। গত মৌসুমের শেষ তিন মাস কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ইন্ডাস্ট্রিয়াল সফটওয়্যার কোম্পানি 'আইএফএস' তাদের স্পন্সর ছিল। আর তার আগের মৌসুমগুলোতে 'ইনফিনিট অ্যাথলেট' এবং 'দামাক'এর নাম জার্সিতে দেখা গিয়েছিল।
অন্যদিকে সান্ডারল্যান্ডের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন। বেটিং প্রতিষ্ঠান 'ডব্লিউ৮৮' এর সঙ্গে ক্লাবটির চুক্তির মেয়াদ শেষ হয়েছে। তাছাড়া চলতি বছর থেকে কার্যকর হওয়া প্রিমিয়ার লিগের নতুন নিয়ম অনুযায়ী, জুয়া বা বেটিং সংস্থাকে ক্লাবের মূল জার্সি স্পন্সর করা নিষিদ্ধ করা হয়েছে। ফলে চুক্তি শেষ হলেও প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে মেয়াদ বাড়ানোর কোনো সুযোগ থাকছে না ক্লাবটির।