স্পোর্টস ডেস্ক : চিফ অপারেটিং অফিসার কেভিন ল্যামোরকে বরখাস্ত করার পর আরও সমর্থন হারালেন ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো। ফরাসি ফুটবল কর্তাকে তাড়ানোর প্রতিবাদে সুর চড়াল হাঙ্গেরি। ফিফার সহ-সভাপতি এবং ফিফা কাউন্সিল সদস্য স্যান্ডর সানি ফিফা সভাপতির প্রতি সমর্থন প্রত্যাহারের কথা জানিয়েছেন। তিনি হাঙ্গেরির ফুটবল কর্তা।
ইনফান্তিনোর প্রস্তাব নিয়ে ল্যামোর মন্তব্য করেছিলেন, ‘‘ফিফা সভাপতি কর্মীদের সঙ্গে প্রতারণা করছেন।’’ সদস্য দেশগুলি প্রতিবাদ জানানোর আগে প্রতিবাদে সোচ্চার হয়েছিলেন ল্যামোর। তিনি বলেছিলেন, এই প্রকল্পটা এক জন ব্যক্তির। এই প্রকল্প অবিলম্বে বাতিল করা উচিত। -- আনন্দবাজার
ফুটবল প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা নিজেদেরই প্রশ্ন করুন। সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসে গিয়েছে। পরোক্ষে ইনফান্তিনোকে সরানোর কথা বলেছিলেন তিনি। চাকরি হারানোর আশঙ্কাও প্রকাশ করেছিলেন ল্যামোর। তাঁর আশঙ্কাকে সত্যি করে ফিফা বরখাস্ত করেছে।
ফিফা একের পর শীর্ষস্তরের কর্তাদের বরখাস্ত করায় ইনফান্তিনোর উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নরওয়ের ফুটবল সংস্থার প্রধান লিস ক্লাভেনেস। এ বার সুর চড়াল হাঙ্গেরিও। ফিফার অন্য সহ-সভাপতি তথা সে দেশের ফুটবল কর্তা সানি মুখ খুলেছেন। তিনি বলেছেন, ল্যামোরের অপ্রত্যাশিত বরখাস্তই শেষ আঘাত। তিনি অত্যন্ত পেশাদার ভাবে নৈতিকতার উচ্চ মান বজায় রেখে কাজ করছিলেন।
অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে ফিফায় অবদান রেখেছেন। অথচ একটি প্রস্তাবের সমালোচনা করায় তাঁকে বরখাস্ত করা হল। অথচ ফিফা সভাপতি নিজেই মেনে নিয়েছেন, প্রস্তাবটি ভুল ছিল! এই সিদ্ধান্ত পেশাগত বিচারবুদ্ধি, নৈতিক মান এবং নেতৃত্বের ক্ষেত্রে গুরুতর ঘাটতিকেই ইঙ্গিত করে। সানির বক্তব্য নিয়ে ফিফা কোনও মন্তব্য করেনি।
তীব্র সমালোচনার পর ‘ফিফা ফরোয়ার্ড এন্টারপ্রাইজ’ প্রকল্প বাতিল করতে বাধ্য হন ইনফান্তিনো। ইংল্যান্ড, ওয়েলস, নরওয়ের মতো দেশগুলি আগেই জানিয়েছিল ইনফান্তিনোকে আর ফিফা সভাপতি দলে তারা চায় না। সানি সরব হওয়ার অর্থ হাঙ্গেরিও আর ইনফান্তিনোকে সমর্থন করবে না।