স্পোর্টস ডেস্ক : ইংল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে খেলা দুই টি-টোয়েন্টি সিরিজে একটি ম্যাচেও জয়ের স্বাদ পায়নি বর্তমান টি-টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন ভারত। এই ব্যর্থতার পর দলের পারফরম্যান্স নিয়ে পর্যালোচনায় বসতে যাচ্ছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড (বিসিসিআই)। গুঞ্জন উঠছে, চাকরি চলে যাওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে বেশ কয়েকজন টিম স্টাফের। তবে এমন পরিস্থিতিতে তড়িঘড়ি কোনো সিদ্ধান্ত না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের কিংবদন্তি ক্রিকেটার সুনীল গাভাস্কার।
স্পোর্টস্টারের এক কলামে গাভাস্কার জানিয়েছেন, মাত্র চার মাস আগেই ভারত অপরাজিত থেকে তৃতীয়বারের মতো টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে। সেই দলটি এখন আইসিসি টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। তাই সাম্প্রতিক ব্যর্থতার কারণে দলে বড় ধরনের কোন পরিবর্তন আনা যুক্তিসঙ্গত হবে কিনা, তাও ভাবার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।
কলামে গাভাস্কার লিখেন, 'বিসিসিআই এই হারের পর্যালোচনা করবে এবং গুঞ্জন উঠেছে কয়েকজনের পদ চলে যেতে পারে। কিন্তু এমন পদক্ষেপ নেয়া আসলে খুবই কঠিন। কারণ মাত্র চার মাস আগে ভারত বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে এবং এখনও আইসিসি র্যাঙ্কিংয়ে দুই নম্বরে আছে।
বর্তমান ভারতীয় দলে বিশ্বকাপজয়ী স্কোয়াডের বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ ক্রিকেটার অনুপস্থিত রয়েছে। সূর্যকুমার যাদব দলে নেই, বিশ্রাম দেওয়া হয়েছে জাসপ্রিত বুমরাহকে এবং হার্দিক পান্ডিয়া ইনজুরির কারণে বাইরে। নতুন অধিনায়ক হিসেবে শ্রেয়াস আইয়ার দায়িত্ব দেওয়ার পর টানা ছয়টি টি-টোয়েন্টি ম্যাচে হেরেছে ভারত। ফলে, তার নেতৃত্ব নিয়েও এখন প্রশ্ন উঠেছে। ভারতের ব্যাটারদের টেকনিক নিয়েও সমালোচনা করেছেন গাভাস্কার।
তার ভাসায়, 'অনেকে বলছেন ফ্ল্যাট উইকেটে খেলার কারণে ভারতীয় ব্যাটাররা নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু আইপিএলের তথাকথিত ব্যাটিংবান্ধব উইকেটেও বেশিরভাগ ভারতীয় ব্যাটার শর্ট বল সামলাতে ব্যর্থ হয়েছে। এটি মূলত কারিগরি দুর্বলতা। এর ফলে শরীরের ওজন সামনের পায়ে চলে যায় এবং পেছনের পা স্থির থাকায় বাউন্স করা বল সামলাতে প্রয়োজনীয় ভারসাম্য তৈরি হয় না।