শিরোনাম
◈ আচরণবিধি চূড়ান্ত, ডিসেম্বর-জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি ◈ ১৯৯১ সালের রাষ্ট্রপতি নির্বাচন যেভাবে হয়েছিল ◈ উদ্যোক্তা হতে তরুণদের জন্য সহজ ঋণ, জামানত ছাড়াই মিলবে ১০ লাখ টাকা ◈ কলম্বিয়ায় ভয়াবহ ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ২২৪, এখনও চলছে খোঁজ ◈ আমরা সবাই বাংলাদেশের অধিবাসী, কেউ আদিবাসী নই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সাভারে ভবন ঘিরে রেখেছে সিটিটিসি, যা জানাল পুলিশ (ভিডিও) ◈ দিল্লিতে মোদির সঙ্গে বৈঠকে ঢাকায় নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার ◈ রাষ্ট্রপতি ভোটের বৈঠক আহ্বান করলেন সিইসি ◈ আরেক দফা বাড়লো তেলের দাম ◈ সরকারি নিয়োগ পরীক্ষায় প্রক্সি ঠেকাতে বায়োমেট্রিকসহ ১২ দফা নির্দেশনা

প্রকাশিত : ০৪ মে, ২০২৬, ০১:৫২ রাত
আপডেট : ১১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চাপের ম্যাচে নাহিদের জাদু, চ্যাম্পিয়ন জালমি

দীর্ঘ ৯ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে পাকিস্তান সুপার লীগের (পিএসএল) ১১তম আসরের শিরোপা ঘরে তুললো পেশোয়ার জালমি। ফাইনালে বল হাতে গতির ঝড় তুলে পেশোয়ারের শিরোপা জয়ে বড় অবদান রাখেন বাংলাদেশের উদীয়মান পেসার নাহিদ রানা। রোববার লাহোরের ঐতিহাসিক গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে আগে ব্যাট করে ১২৯ রানে অলআউট হয় হায়দরাবাদ কিংসমান। ৫ উইকেট হারিয়ে সেই লক্ষ্য ছুঁয়ে চ্যাম্পিয়ন হয় বাবর আজমের নেতৃত্বাধীন দলটি।

টসে জিতে প্রথমে ফিল্ডিং করে পেশোয়ার । ইনিংসের শুরু থেকেই গতির প্রদর্শন করেন বাংলাদেশের নাহিদ রানা। নিজের প্রথম স্পেলে কিছুটা ব্যয়বহুল হলেও অষ্টম ওভারে এসেই পাল্টে দেন ম্যাচের মোড়। অজি তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে 'গোল্ডেন ডাক' উপহার দিয়ে সাজঘরে ফেরান তিনি। পরের স্পেলে এসে তুলে নেন হুনাইন শাহর উইকেট। ১৭তম ওভারে হায়দরাবাদের হয়ে লড়াই করা একমাত্র ব্যাটার সাইম আইয়ুবকেও এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেছিলেন রানা। তবে রিভিউ নিয়ে বেঁচে যান সাইম। পুরো ইনিংসে ৪ ওভার বল করে ১টি মেডেনসহ মাত্র ২২ রান খরচায় ২ উইকেট শিকার করেন রানা। তার আগুনে বোলিংয়ের সামনে হায়দরাবাদের ব্যাটাররা দিশেহারা হয়ে পড়ে। শেষ পর্যন্ত ১৮ ওভারে মাত্র ১২৯ রানেই গুটিয়ে যায় হায়দরাবাদ কিংসমান। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন অ্যারন হার্ডি।

১৩০ রানের মামুলি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই বড় ধাক্কা খায় পেশোয়ার। ইনিংসের প্রথম ওভারেই শূন্য রানে বিদায় নেন অধিনায়ক বাবর আজম ও মোহাম্মদ হারিস। দ্রুত ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া দলকে টেনে তোলেন অ্যারন হার্ডি এবং আব্দুল সামাদ। হার্ডির অপরাজিত ৫৬ এবং সামাদের ঝড়ো ৪৮ রানের ওপর ভর করে ২৮ বল হাতে রেখে জয় নিশ্চিত করে জালমি।

২০১৭ সালে ড্যারেন স্যামির অধীনে প্রথম শিরোপা জিতেছিল পেশোয়ার। এরপর দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়েছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে। এই শিরোপা জয়ের মধ্য দিয়ে অধিনায়ক হিসেবে বাবর আজমও তার ক্যারিয়ারে প্রথম কোনো বড় টি-টোয়েন্টি লীগে ট্রফি উঁচিয়ে ধরলেন।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়