শিরোনাম

প্রকাশিত : ০৬ ডিসেম্বর, ২০২২, ০৭:০৮ বিকাল
আপডেট : ০৭ ডিসেম্বর, ২০২২, ১২:৩১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ জাতীয় পার্টির সাথে অবিচার করেছিলেন: চুন্নু

মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু

শাহীন খন্দকার : জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি বলেছেন, প্রয়াত রাষ্ট্রপতি ও জাতীয় পার্টির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ গণমানুষের ওপর আস্থা আর গণতন্ত্রের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই ১৯৯০ সালের ৬ ডিসেম্বর শান্তিপূর্ণ উপায়ে রাষ্ট্র ক্ষমতা হস্তান্তর করেছেন। সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার্থে তৎকালীন উপ-রাষ্ট্রপতি মওদুদ আহমেদ এর স্থলে প্রধান বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদকে উপ-রাষ্ট্রপতি নিয়োগ দিয়ে তার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। পল্লীবন্ধু সব সময় সংবিধানকে সমুন্নত রেখেছিলেন। কিন্তু, বিচারপতি শাহাবুদ্দিন আহমেদ জাতীয় পার্টির সাথে অবিচার করেছিলেন। 

মঙ্গলবার জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান এর বনানীস্থ কার্যালয় মিলনায়তনে “সংবিধান সংরক্ষণ দিবস” উপলক্ষে আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তৃতায় জাতীয় পার্টি মহাসচিব মোঃ মুজিবুল হক চুন্নু এমপি এ কথা বলেন। 

এসময় তিনি বলেন,বড় কোন দলের সাথে জাতীয় পার্টি প্রেম করবে না। সংসদীয় গণতন্ত্রের নামে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি দেশে স্বৈরতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের নামে এক ব্যক্তির হাতে সকল ক্ষমতা কুক্ষিগত করা হয়েছে। তিনি বলেন, যিনি নির্বাহী বিভাগের প্রধান, তিনিই আইন সভারও প্রধান আবার রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে বিচার বিভাগও অনেকটাই তার হাতে।বিপুল ক্ষমতা একজনের হাতে থাকলে ক্ষমতার ভারসাম্য থাকেনা। একজনের হাতে সকল ক্ষমতা থাকলে রাষ্ট্রের কোন ক্ষেত্রেই জবাবদিহিতা থাকে না। তিনি বলেন, দেশে অবকাঠামোগত উন্নয়ন হয়েছে কিন্তু দেশের মানুষ সুশাসন পায়নি। 

সভাপতির বক্তৃতায় মুজিবুল হক চুন্নু বলেন, জাতীয় পার্টিতে কোন অনৈক্য নেই। জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান জি এম কাদের এমপির নেতৃত্বে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ আছে। তিনি বলেন, কিছু নেতা চলে গেলেও জাতীয় পার্টির ক্ষতি হবে না। তিনি বলেন, শৃংখলা ভঙ্গের দায়ে বহিস্কৃত কেউ মামলা করলে জাতীয় পার্টির কোন সমস্যা হবে না। জাতীয় পার্টি আদালতের ওপর আস্থাশীল। আমরা আশা করছি, উচ্চ আদালতে আমরা ন্যায় বিচার পাবো। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বহিস্কৃতদের মধ্যে যারা ক্ষমারযোগ্য অপরাধ করেছে তারা ক্ষমা চাইলে পার্টি চেয়ারম্যান বিবেচনা করবেন। কিন্তু যারা ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ করেছে, তাদের ক্ষমা করার প্রশ্নই আসেনা। জাতীয় পার্টি মহাসচিব বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত না হলে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করা যায় না। 

এসময় বক্তব্য রাখেন জাতীয় পার্টির কো চেয়ারম্যান সৈয়দ আবু হোসেন বাবলা এমপি, প্রেসিডিয়াম সদস্য সুনীল শুভরায়, হাজী সাইফুদ্দিন আহমেদ মিলন, শফিকুল ইসলাম সেন্টু, এডভোকেট মোঃ রেজাউল ইসলাম ভূঁইয়া, সৈয়দ দিদার বখত, জহিরুল ইসলাম জহির প্রমুখ।

এসকে/এইচএ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়