শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে অ‌স্ট্রেলিয়া নারী দ‌লে অনিশ্চিত অধিনায়ক  ◈ বিশ্বের ১১৪ দেশের স্কুলে মোবাইল নিষিদ্ধ, বাংলাদেশে কী হবে? ◈ মালয়েশিয়ার হালাল মেলায় বড় সাফল্য, ২০ লাখ ডলারের অর্ডার পেল বাংলাদেশি প্রতিষ্ঠান ◈ কয়লাভিত্তিক প্রকল্পে চীনের ‘না’, ঝুলে আছে পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দ্বিতীয় ইউনিট ◈ মুক্তিপণ থেকে প্রতিশোধ, নানামুখী কারণে বাড়ছে অপহরণ ◈ অনিশ্চিত অজিত দোভালের ঢাকা সফর ◈ বাংলাদেশের পাটপণ্যে নতুন শুল্ক বসাল ভারত, বাড়ল রপ্তানি চ্যালেঞ্জ! ◈ বিদেশে বাংলাদেশি মিশনে এমপিদের সফর-সভা নিয়ে নতুন নির্দেশনা ◈ ইথানলের উৎপাদন বাড়লেও নেই চাহিদা, ৭০০ কোটি লিটার উদ্বৃত্ত নিয়ে বিপাকে ভারত ◈ শি জিনপিং-ট্রাম্প বৈঠক: ৩০ বিলিয়ন ডলারের শুল্ক কমানোসহ ৮ সমঝোতা!

প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট, ২০২৬, ১১:৫৬ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

জামায়াতের প্রদর্শনীতে মুজিবের ছবি আছে, জিয়ার নেই: রিজভীর প্রশ্ন, ‘রহস্যজনক’

মনিরুল ইসলাম: রাজধানীর মিন্টো রোডে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আয়োজিত জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে স্থিরচিত্র প্রদর্শনী ‘জুলাই এখনো শেষ হয়নি’ ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। প্রদর্শনীতে শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণের ছবি থাকলেও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি বা স্বাধীনতার ঘোষণার উল্লেখ না থাকায় প্রশ্ন তুলেছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

৫ আগস্ট শুরু হয়ে শনিবার শেষ হওয়া প্রদর্শনীতে ১৯৪৭ সালের দেশভাগ থেকে ২০২৪ সালের জুলাই গণ-অভ্যুত্থান পর্যন্ত বাংলাদেশের বিভিন্ন ঐতিহাসিক ও রাজনৈতিক ঘটনা ছয়টি পর্বে তুলে ধরা হয়। তবে কোনো পর্বেই জিয়াউর রহমানের ছবি স্থান পায়নি।

প্রদর্শনীর প্রথম অংশ ‘আজাদী, অতঃপর স্বপ্নভঙ্গ’-এ আইয়ুব খান ও ইয়াহিয়া খানকে একনায়ক হিসেবে তুলে ধরা হয়। দ্বিতীয় অংশ ‘মুক্তিযুদ্ধ’-এর শুরুতে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, বিশেষ করে ৭ মার্চের ভাষণের ছবি স্থান পেয়েছে। পাশাপাশি পাকিস্তানি বাহিনীর নির্যাতন, মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন ঘটনা ও বিজয়ের দৃশ্য তুলে ধরা হয়।

তৃতীয় অংশ ‘একনায়কতন্ত্র’-এ শেখ মুজিবুর রহমানের শাসনামলের বিভিন্ন ঘটনা, রক্ষীবাহিনীর তৎপরতা, ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ ও বাকশাল প্রতিষ্ঠার প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে। চতুর্থ অংশ ‘সামরিক স্বৈরশাসন’-এ খালেদা জিয়া ও সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনের ভূমিকা দেখানোর পাশাপাশি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদকে স্বৈরশাসক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।

advertisement

পঞ্চম অংশ ‘ফ্যাসিবাদ’-এ ২০০৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনা ও সরকারবিরোধী আন্দোলনের চিত্র তুলে ধরা হয়। শেষ অংশ ‘জুলাই গণ-অভ্যুত্থান’-এ আন্দোলনের শহীদ, শিক্ষার্থী ও সংগঠকদের বিভিন্ন ছবি স্থান পায়।

জিয়াউর রহমানের ছবি না থাকার বিষয়ে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা কর্তৃত্ববাদী বা স্বৈরাচারী ছিলেন, তাঁদেরই এখানে তুলে ধরা হয়েছে। জিয়াউর রহমান অটোক্র্যাট শাসক ছিলেন না, তাই তাঁকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, প্রদর্শনীর উদ্দেশ্য কোনো সরকারকে প্রশংসা করা নয়; বরং ইতিহাসে নিপীড়নের চিত্র এবং জনগণের প্রত্যাশা তুলে ধরা।

অন্যদিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক আলোচনা সভায় রুহুল কবির রিজভী বলেন, স্বাধীনতার ঘোষক হিসেবে পরিচিত জিয়াউর রহমানের কোনো ছবি বা বক্তব্য প্রদর্শনীতে না থাকা ‘রহস্যজনক’।

  • সর্বশেষ