শিরোনাম
◈ আর্মব্যান্ড ছাড়াই হামজা নেতা: থমাস ডুলি ◈ তুচ্ছ ঘটনায় বারবার সংঘর্ষে ঢাকা কলেজ, সিটি কলেজ ও আইডিয়াল কলেজ ◈ পাথর নিক্ষেপ ঠেকাতে কক্সবাজারগামী ট্রেনে বসছে সিসি ক্যামেরা ◈ গোয়েন্দা নথিতে চাঞ্চল্যকর তথ্য: পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির সম্ভাবনা নাকচ করেনি সৌদি ◈ দফায় দফায় হামলা, ধ্বংসস্তূপ থেকে যেভাবে বেঁচে ফিরলেন মোজতবা খামেনি ◈ ডিমের বাজারে অস্বাভাবিক দাম ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে কড়া বার্তা বাণিজ্যমন্ত্রীর, ব্যবসায়ীদের যা বললেন ◈ জার্মানিতে দক্ষ পেশাজীবীদের জন্য ৬ লাখ ৫০ হাজার চাকরি, আবেদন করতে পারবেন যারা ◈ আকাশসীমার জটিলতা কাটল, ১ অক্টোবর থেকে আসছে রূপপুরের ইউরেনিয়াম ◈ সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে যেকোনো হামলার জন্য প্রস্তুত: পাকিস্তানকে রাজনাথ সিংয়ের কড়া বার্তা ◈ এবার লাইভে এসে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে কড়া বার্তা দিলেন সালমান মুক্তাদির! (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৩ জুলাই, ২০২৬, ১০:৪৫ রাত
আপডেট : ১৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : মনিরুল ইসলাম

পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে আলোচনায় যে তিন নেতার নাম, তা নিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে ব্যাপক তৎপরতা চলছে

বিভিন্ন রাজনৈতিক সমীকরণ ও শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে শিগগিরই পদত্যাগ করতে পারেন মো. সাহাবুদ্দিন। একাধিক সূত্র জানিয়েছে, শারীরিক অসুস্থতাকেই তার এই সিদ্ধান্তের প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করার সম্ভাবনা রয়েছে।

সরকার ও ক্ষমতাসীন দল বিএনপির একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে নির্বাচিত এই রাষ্ট্রপতিকে দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ানোর বিষয়ে ইতিমধ্যে দলের উচ্চপর্যায় থেকে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তার সম্ভাব্য উত্তরসূরি কে হচ্ছেন, তা নিয়ে রাষ্ট্রযন্ত্র ও রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে জোর আলোচনা।

বঙ্গভবনকেন্দ্রিক একটি সূত্র জানিয়েছে, রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নিজেও তার ব্যক্তিগত ও অধস্তন কর্মীদের বঙ্গভবন ত্যাগ করার বিষয়ে ইঙ্গিত দিয়েছেন। পদত্যাগের পর তিনি কিছুদিন বিশ্রামে থাকবেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে পারেন বলে জানা গেছে।

এদিকে রাষ্ট্রপতি পদত্যাগ করলে তার স্থলাভিষিক্ত কে হবেন, তা নিয়ে শাসকদল বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বে ব্যাপক তৎপরতা চলছে। পূর্বে পরবর্তী রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতা খন্দকার মোশাররফ হোসেন, আবদুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের মতো হেভিওয়েট রাজনীতিকদের নাম আলোচনায় থাকলেও, বর্তমানে সরকার ও প্রশাসনে দায়িত্বে থাকা একজন জ্যেষ্ঠ সচিবের নামও নাটকীয়ভাবে উঠে এসেছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, গত গণ-অভ্যুত্থান ও জাতীয় নির্বাচনের পর দেশের সর্বোচ্চ এই সাংবিধানিক পদে পরিবর্তন অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। ক্ষমতাসীন বিএনপি নিজেদের পছন্দের কাউকে রাষ্ট্রপতি পদে বসানোর সুযোগ পাওয়ায় এবং আগামী দিনের নানা রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নতুন রাষ্ট্রপতির মেয়াদেই পরিচালিত হবে বলে বিষয়টি নিয়ে এখন সর্বত্র কৌতুহল সৃষ্টি হয়েছে। সূত্র: ভোরের পাতা

  • সর্বশেষ