শিরোনাম
◈ এআই ক্যামেরার ভয়ে ফাঁকা রাস্তাতেও ট্রাফিক আইন মানছেন চালকেরা ◈ না‌হিদ রানা এপ্রিল মা‌সের আইসিসির সেরা ক্রিকেটার নির্বা‌চিত ◈ অভিজ্ঞদের নিয়ে বিশ্বকাপ ফুটব‌লে নিউজিল্যান্ড দল  ◈ বাংলাদেশের জন্য পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের তাৎপর্য ◈ দেশের ৯ বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য দিল সরকার ◈ ঈদুল আজহার ছুটি ঘোষণা, প্রজ্ঞাপন জারি ◈ ২০২৭ সালের এসএসসি-এইচএসসি পরীক্ষার তারিখ ঘোষণা ◈ দেশে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ, বেড়েছে ৬ লাখের বেশি ভোটার ◈ চিপস, চানাচুর, ইনস্ট্যান্ট নুডলস, স্যুপ, বিস্কুটে উচ্চমাত্রার লবণ: বছরে মারা যাচ্ছে ২৪,০০০ মানুষ ◈ পশ্চিমবঙ্গে গরুসহ সব ধরনের পশু জবাই নিষিদ্ধ, নতুন নির্দেশনা জারি করলো বিজেপি

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১১:৩৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ মে, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

কাতার প্রস্তাবসহ সব পরিকল্পনা নাকচ, শেখ হাসিনার অনড় অবস্থানে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন অনিশ্চিত

সহযোগীদের খবর: শেখ হাসিনা কাতার যাওয়াসহ সব প্রস্তাবই নাকচ করে দিচ্ছেন। জানাগেছে পরিশোধিত আওয়ামী লীগ গড়তে দু’টি প্রস্তাব নিয়ে কাজ শুরু করেছিল ভারত সরকার। তাতে বলা হয়েছিল, হয় আপনি কাতার যান, না হয় নতুন আওয়ামী লীগ গড়তে মত দিন। হাসিনা দুই প্রস্তাবই উড়িয়ে দিয়েছেন ভিন্ন কৌশলে। বাংলাদেশে নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগ যাতে অংশ নিতে পারে সে লক্ষ্য নিয়েই প্রস্তাব চালাচালি হয়েছিল। সূত্র: মানবজমিন প্রতিবেদন

কিন্তু হাসিনা তার সিদ্ধান্তে অনড়। তিনি কোনো অবস্থাতেই ভারত ছাড়তে চান না। যেতে চান না কাতারে। তিনি মনে করেন, কাতার যাওয়ার মানে হচ্ছে- নেতৃত্ব ছেড়ে দেয়া। একাধিক কূটনৈতিক সূত্র এই ইঙ্গিতও দিচ্ছে যে, হাসিনাকে বলা হয়-তার নেতৃত্বে আওয়ামী লীগ পুনর্গঠন প্রায় অসম্ভব। গণ-আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়া শেখ হাসিনা সরকার যেসব গণহত্যা চালিয়েছে তা মানুষের মন থেকে এখনো মুছে যায়নি। মানুষ বিক্ষুব্ধ। প্রশাসনিক কোনো সমর্থনও নেই। বাংলাদেশের কোথাও দলের কোনো দৃশ্যমান অস্তিত্ব নেই। সরকার বিদায় নিয়েছে, দলও বিদায় নিয়েছে। নেতারা হয় ভারতে কিংবা অন্যদেশে আশ্রয়রত। কর্মীদের বেশির ভাগই এখনো পলাতক। দল পুনর্গঠনের কোনো চেষ্টা-তদবিরও নেই।

এই অবস্থায় দলের নেতাকর্মীদের মধ্যেই হাসিনার অবস্থান নড়বড়ে। এ নিয়ে কয়েক দফা বৈঠকের পর ভারত তাদের আগ্রহ অনেকটাই হারিয়ে ফেলে। ঢাকা-দিল্লি সামপ্রতিক দ্বিপক্ষীয় আনুষ্ঠানিক আলোচনায় হাসিনা প্রসঙ্গ আসেনি। কথা হয়নি আওয়ামী লীগের পুনর্গঠন নিয়েও। এমনকি আলোচনায় উঠে আসেনি আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করে আনা অধ্যাদেশ আইনে পরিণত হওয়া বিলটিও। ওয়াকিবহাল কূটনীতিকরা বলছেন, ভারতের এই মনোভাবে হাসিনা প্রচণ্ড হতাশ। কিন্তু করার যে কিছুই নেই! সাবের হোসেন চৌধুরীকে নিয়ে রিফাইন্ড আওয়ামী লীগ গড়ার চেষ্টা বিফলে যায়।

হাসিনা এই উদ্যোগে মত দেননি। বরং ক্ষুব্ধ হয়েছেন ভীষণভাবে। এর ফলে সাবের চৌধুরী অনেকটা নাটকীয়ভাবে দৃশ্যপট থেকে বিদায় নেন। নির্বাচনের আগে এসব উদ্যোগ ব্যর্থ হওয়ায় ভারতের মনোভাবে বেশ পরিবর্তন আসে। নির্বাচন নিয়ে তাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও শেষ পর্যন্ত পক্ষেই মত দেন শীর্ষ নীতিনির্ধারকরা। চটজলদি বেশ কিছু পরিবর্তনও লক্ষ্য করা যায় তখন। শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানই এর প্রমাণ।

গোড়াতে হাসিনা চেয়েছিলেন তার পরিবারের পক্ষে কাউকে দলের নেতৃত্ব দিতে। এ নিয়ে আওয়ামী লীগ মহলে ইতিবাচক সাড়া না পাওয়ায় এই পরিকল্পনা ভেস্তে যায়। হাসিনা নিজেও তার বোনের ছেলে রাদওয়ান সিদ্দিক ববিকে আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বে আসার ব্যাপারে সবুজ সংকেত দেননি। সময় যত গড়াচ্ছে দলের নেতাকর্মীদের মধ্যে হতাশা ও ক্ষোভ বাড়ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়