মনিরুল ইসলাম : বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, একটি দল হেরে যাওয়ার ভয়ে নির্বাচন নিয়ে যড়যন্ত্র শুরু করছে। ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে। আগামী দিনের রাজনীতি হবে দেশ পুনর্গঠনের রাজনীতি।
আজ শনিবার দুপুরে নীলফামারীতে নির্বাচনি জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, নীলফামারীতে ইপিজেড আরো বড় করা হবে। সৈয়দপুরের বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়া হবে। নীলফামারীকে শিল্প অঞ্চল হিসেবে গড়ে তুলতে চাই।
তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় গেলে যত দ্রুত সম্ভব তিস্তা ব্যারাজ নির্মাণের মহাপরিকল্পনায় কাজে হাত দেব। নারীদের অর্থনৈতিক স্বাবলম্বী ও কর্মসংস্থান বাড়াতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে।’
‘ফ্যামিলি কার্ড’ ও ‘কৃষি কার্ড’ চালুর কথা জানিয়ে বিএনপি চেয়ারম্যান বলেন, ‘এসব কার্ডের মাধ্যমে কৃষকেরা সহজে ঋণ নিতে পারবেন, সার ও কীটনাশক পাবেন। ধানের শীষের প্রার্থী বিজয়ী হলে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণ মওকুফ করা হবে।’ পাশাপাশি রেজিস্টার্ড এনজিও থেকে নেওয়া কৃষিঋণ সরকার পরিশোধ করবে।
তারেক রহমান বলেন, বিগত তিনটি নির্বাচনে জনগণের প্রত্যাশা পূরণ হয়নি। মানুষের ভোটাধিকার হরণ করা হয়েছে। তবে এবার সেই হারানো অধিকার প্রয়োগের সময় এসেছে। জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের পাশাপাশি দেশকে নতুন করে গড়ে তোলার সুযোগ এসেছে।
বিএনপির চেয়ারম্যান বলেন, এই নির্বাচন শুধু জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের জন্য নয়, এটি দেশ পুনর্গঠনের নির্বাচন। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি ভোটের মধ্য দিয়ে দেশের মানুষ হারানো দিনের অধিকার ফিরে পাবে।