শিরোনাম
◈ ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে ৩ লাখের বেশি বিদেশির ভিসা বাতিল ◈ যুক্তরাষ্ট্রজুড়ে ৩ লাখ কর্মী নিয়োগের পরিকল্পনা, ঘণ্টায় গড় আয় ২০ ডলারের বেশি ◈ সৌদি আরবের স্বাস্থ্য খাতে ৪ হাজার ২৯১ চাকরি, বাংলাদেশিরা কি আবেদন করতে পারবেন? ◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০২৫, ১২:১২ রাত
আপডেট : ২৯ এপ্রিল, ২০২৫, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

খালেদা জিয়ার লিভার আপাতত প্রতিস্থাপন সম্ভব হচ্ছে না, ঝুঁকি নিতে চান না চিকিৎসকরা

যুক্তরাজ্যের লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার লিভার প্রতিস্থাপন আপাতত হচ্ছে না। এর বিকল্প হিসেবে ‘হিউম্যান সিরাম অ্যালবুমিন’ দেওয়া হচ্ছে, যাতে লিভারের ওপর চাপ না পড়ে। স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা চিন্তা করে মেডিকেল বোর্ড এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক। এই অবস্থায় খালেদা জিয়াকে যুক্তরাষ্ট্রের জন হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে নেওয়ার সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত করা হয়েছে। লন্ডন ক্লিনিকে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়ার সর্বশেষ শারীরিক অবস্থা কিংস কলেজের একটি মেডিকেল টিম আগামীকাল বৃহস্পতিবার পরীক্ষা করবে। শুক্রবার নাগাদ তিনি বাসায় ফিরতে পারেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে মঙ্গলবার খালেদা জিয়ার এক ব্যক্তিগত চিকিৎসক জানান, ম্যাডামের নতুন জটিলতা যেটি তৈরি হয়েছিল তার অনেকটা সমাধান হয়েছে। বলা যায়, পরিস্থিতি উন্নতি দিকে। তবে ম্যাডামের সার্জারি হচ্ছে না। তার এই শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় লিভার প্রতিস্থাপন করা যাচ্ছে না। এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ কাজ। স্বাস্থ্যের অনেক দিক পর্যালোচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

তিনি বলেন, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা এখন স্থিতিশীল হলেও তার অনেক জটিলতা রয়েছে। বয়সও এখানে বড় একটি ফ্যাক্টর। তবে শারীরিক সক্ষমতা যখন ভালো ছিল তখন বিদেশ নিয়ে আসতে পারলে একটা সুযোগ থাকত। অর্থাৎ এভার কেয়ার হাসপাতালে যখন চিকিৎসাধীন ছিলেন, তখন মেডিকেল বোর্ড বারবার তাগাদা দিয়েছিলেন উন্নত চিকিৎসায় বিদেশ পাঠানোর জন্য। কিন্তু সেটি সম্ভব হয়নি।

মেডিকেল বোর্ডের এই চিকিৎসক বলেন, লিভার প্রতিস্থাপনের বিকল্প হিসেবে হিউম্যান সিরাম অ্যালবুমিন দেওয়া হবে। এটি মানুষের রক্তের প্লাজমাতে সর্বাধিক প্রচুর প্রোটিন, এটি সিরাম প্রোটিনের প্রায় অর্ধেক গঠন করে। এটি লিভারে উৎপাদিত হয়। এটি দেওয়ার পর লিভারের ওপর চাপ পড়বে না। মেডিকেল বোর্ড নতুন নতুন পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। রিপোর্ট অনুযায়ী চিকিৎসায় পরিবর্তন আনা হচ্ছে।

খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান, পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমান ও নাতনিরা নিয়মিত হাসপাতালে আসছেন। বাসা থেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ অনুযায়ী খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। উৎস: আমার দেশ।

 

  • সর্বশেষ