শিরোনাম
◈ ঢাকায় দুই রুটে মনোরেল নির্মাণের পরিকল্পনা, চলছে নকশার কাজ ◈ কপ-৩১ সম্মেলনে যোগ দিতে ১০ নভেম্বর তুরস্ক যাচ্ছেন তারেক রহমান, সফরে গুরুত্ব পাবে যেসব বিষয় ◈ উজানের পানিপ্রবাহ বন্ধ, অপরিকল্পিত সেতু ও খননে মৃতপ্রায় ভৈরব নদ; বাঁচাতে পদ্মার সঙ্গে পুনঃসংযোগের দাবি ◈ ইউপি নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু, ৩ হাজার ৯৮১ ইউনিয়নের তালিকা যাচাইয়ের নির্দেশ ইসির; তফসিল ১০ ডিসেম্বর ◈ যে ৫১ অনুমোদিত মেডিকেল সেন্টারে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে পারবেন মালয়েশিয়াগামী কর্মীরা, ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা ◈ নরসিংদীতে স্ত্রীসহ পরিবারের সদস্যদের দিয়ে পর্ন ভিডিও তৈরি করে মোটা অঙ্কের অর্থের বিনিময়ে পর্নসাইটে বিক্রির অভিযোগ! ◈ কোস্ট গার্ডের ৪ জাহাজের নাম পরিবর্তন, দায়িত্ব পালনকালে শহীদ ৪ সদস্যের নামে নতুন নামকরণ ◈ খুলনায় রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের দেয়ালচিত্রে কালি মাখাল দুর্বৃত্তরা, লিফলেটে ভারত ও রবীন্দ্রবিদ্বেষী বার্তা ◈ টেকনাফের পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযান, তিনজনের মরদেহ উদ্ধারের চেষ্টা চলছে ◈ মৃত্যুর আগে রহস্যময় ১৫ মিনিটের হিসাব নেই, কী ঘটেছিল তখন তাহসিফের সঙ্গে

প্রকাশিত : ২৬ মে, ২০২৬, ০২:১৬ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

লিগ্যাল নোটিশ কী, কেন পাঠানো হয়? জানুন বিস্তারিত

যেকোনও ব্যক্তি তার বক্তব্য বা দাবির বিষয়টি আইনি নোটিশ তথা লিগ্যাল নোটিশের মাধ্যমে অপর কোনও ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান-সরকারের কাছে তুলে ধরতে পারেন। বিশেষ করে লিগ্যাল নোটিশ হলো— একটি আনুষ্ঠানিক লিখিত সতর্কবার্তা, যা কোনও ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার আগে পাঠানো হয়। সহজ কথায়, এটি একটি শেষ সুযোগ— যা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার আগে প্রতিপক্ষকে দেওয়া হয়।

লিগ্যাল নোটিশের উদ্দেশ্য

দাবি বা অভিযোগ জানাতে, যেমন- নিজের পাওনা টাকা ফেরত, জমি বা কোনও অধিকার আদায়ের জন্য, সতর্ক করতে, যেমন- কোনও চুক্তি ভঙ্গ হলে বা কেউ বেআইনি কাজ করলে তাকে সতর্ক করার জন্য। বিবাদ মেটাতে, যেমন- আদালতের বাইরে আলোচনা বা সমঝোতার মাধ্যমে কোন আইনি জটিলতাপূর্ণ ঝামেলা শেষ করতে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে (যেমন- চেক ডিজঅনার বা বাড়ি ভাড়া সংক্রান্ত ঝামেলা) মামলা করার আগে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয় আইনত বাধ্যতামূলক পূরণ করতে।

লিগ্যাল নোটিশ দেওয়ার সুবিধা কী

Advertisement

আদালত পর্যন্ত না গিয়ে নোটিশের উত্তর বা আলোচনার মাধ্যমেই অনেক সময় সমস্যার সমাধান করার মাধ্যমে সময় ও টাকা বাঁচানো। মামলার দীর্ঘসূত্রতা এবং আদালতের উকিল খরচ থেকে বাঁচা যায়, আইনি জটিলতাপূর্ণ বিষয়ে মানসিক চাপ কমানো, ছোটখাটো বিবাদ নোটিশের মাধ্যমে সমাধান হলে আদালতের ওপর মামলার চাপ কমানো, প্রতিপক্ষ নোটিশ পাওয়ার পরও যদি কোনও পদক্ষেপ না নেয় বা জবাব না দেয়, তবে আদালতে প্রমাণ করা সহজ হয় যে, তাকে আগে সুযোগ দেওয়া হয়েছিল।

লিগ্যাল নোটিশের যেমন হয়

সাধারণত একজন আইনজীবী তার মক্কেলের পক্ষে এটি ড্রাফট করে এবং নিজের প্যাডে স্বাক্ষর করে নোটিশটি পাঠিয়ে থাকেন। এক্ষেত্রে নোটিশে অভিযোগের বিবরণ, দাবির পরিমাণ এবং জবাব বা পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা (যেমন- ১৫ বা ৩০ দিন) বেঁধে দেওয়া হয়।

নোটিশ পেলে করণীয়

লিগ্যাল নোটিশ পেলে ভয় না পেয়ে একজন আইনজীবীর পরামর্শ নিয়ে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে লিখিত জবাব দেওয়া উচিত। অথবা নোটিশ প্রদানকারী ব্যক্তির সঙ্গে বিবাদের বিষয়টি নিয়ে আলোচনার মাধ্যমে নোটিশ প্রত্যাহারের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ