শিরোনাম
◈ গ্যাবনকে হারিয়ে ফাইনালে বাংলাদেশ, প্রতিপক্ষ মধ্য আফ্রিকান প্রজাতন্ত্র ◈ যৌন হয়রানি, ধর্মান্তরের চাপ, আতঙ্কে পশ্চিমবঙ্গের খ্রিস্টানরা ◈ আমেরিকা ও ইসরায়েলি-মদদপুষ্ট চার সন্ত্রাসী চক্রের ১৬ সদস্য ইরা‌নে গ্রেফতার, অস্ত্র ও যুদ্ধের গোলাবারুদ জব্দ ◈ জাপান সফর শেষে দেশে ফিরলেন তারেক রহমান, ৬ সমঝোতা দলিল ও ৪৬৫৬ কোটি ইয়েনের ঋণ সহায়তা ◈ ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনে ৩৪৩০ জন নিয়োগের অনুমোদন ◈ সরকার গঠনের লড়াইয়ে বিপাকে নেতানিয়াহু, জোট ছাড়ার ঘোষণা কট্টরপন্থি ইহুদি দলের ◈ এলডিসি উত্তরণে আরও ৩ বছর সময় পেল বাংলাদেশ, জাতিসংঘের অনুমোদন ◈ আয়ারল‌্যা‌ন্ডের ডাবলিন বিমানবন্দরে সাঙ্গাকারাকে হেনস্থা, পরিবারকে হুমকি ◈ মাও' মন্ত‌ব্যে ক্ষমা চেয়েও রেহাই নেই এমবাপের, চীনে হোর্ডিং থেকে সরছে ছবি ◈ মোটরসাইকেলের সামনের নম্বরপ্লেট সংযোজনের সময় বাড়াল বিআরটিএ, শেষ সময় ৩১ ডিসেম্বর

প্রকাশিত : ১৭ মে, ২০২৩, ১২:৪৯ রাত
আপডেট : ১৭ মে, ২০২৩, ১২:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহার করে সরকার আসলে কী বার্তা দিতে চাচ্ছে?

আরিফ জেবতিক

আরিফ জেবতিক: বাংলাদেশে অবস্থানরত বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের বৈষম্যহীনভাবে একই ধরনের নিরাপত্তা সুবিধা দেওয়ার কথা বলে যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ভারতের রাষ্ট্রদূতদের পুলিশি এসকর্ট সুবিধা প্রত্যাহার করেছে সরকার। বিষয়টি শুনতে সুন্দর যে সব রাষ্ট্রদূতদের সমানভাবে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু বাস্তবে সবাই সমান হলেও কেউ কেউ বেশি সমান, এটি অস্বীকার করার কিছু নেই। পুলিশি এসকর্টের এই বিশেষ গাড়িটি আসলে অনেকটাই সম্মান প্রদর্শনের মতোই। সেটি প্রত্যাহার করে সরকার আসলে কী বার্তা দিতে চাচ্ছে? আমার কাছে মনে হচ্ছে, এর সঙ্গে আগামী নির্বাচন কোনোভাবে সম্পৃক্ত। সরকার মেসেজ দিতে চাচ্ছে যে, বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের আগামীতে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হবে না। প্রশ্ন হচ্ছে সত্যিই যদি সরকার এই অবস্থান নেয়, সেটির প্রতিক্রিয়া কি সরকারের জন্য শুভ হবে? লেখক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট

  • সর্বশেষ