শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্বব্যাংকের নতুন কৌশল, গুরুত্ব পাচ্ছে কর্মসংস্থান ◈ চীনের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্কে বড় অবনতি, চাপে ইউরোপীয় ইউনিয়ন ◈ প্রথম ধাপে দেশের ১ হাজার ৫০টি ইউনিয়ন পরিষদে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে ◈ ২০২৭ সালে গোল্ডেন ভিসার আবেদন দ্রুত নিষ্পত্তি করবে পর্তুগাল সরকার ◈ আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ লাখ টন ধান-চাল কিনবে সরকার, ধানের দাম ৩৫ টাকা কেজি ◈ দুর্নীতির কারণে কার্যকারিতা হারিয়েছে অনেক সমবায় সমিতি, স্বচ্ছতা নিশ্চিতের তাগিদ রাষ্ট্রপতির ◈ সৌদিতে সড়ক দুর্ঘটনায় ৭ বাংলাদেশির মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক ◈ উৎপাদন এলাকায় কম, ঢাকায় কয়েক গুণ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে শীতের সবজি ◈ লিও‌নেল মে‌সি আবারও গোল্ডেন বুট জিতলেন ◈ এমবাপ্পের টানা সপ্তম ম্যাচে গোল, ভ্যালেন্সিয়াকে উড়িয়ে দিলো রিয়াল মা‌দ্রিদ

প্রকাশিত : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৪ বিকাল
আপডেট : ০৮ নভেম্বর, ২০২৬, ০৬:৫৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি আছে, জানবেন ঘরে বসেই

জমি সংক্রান্ত তথ্য জানতে প্রায়ই ভোগান্তি পোহাতে হয়। ভূমি অফিসে গিয়ে অপেক্ষা করতে হয় দীর্ঘ সময়। তবে এখন আপনার বাবা-দাদার নামে কোথায় কত জমি আছে, তা জানতে ভূমি অফিসে যাওয়া লাগবে না। ভূমি সেবা ডিজিটাল হওয়ায় এখন স্মার্টফোন ব্যবহার করেই ঘরে বসে জমির খতিয়ান ও দাগসংক্রান্ত প্রাথমিক তথ্য জানা সম্ভব। এমনকি অনলাইনেই খতিয়ানের কপির জন্য আবেদনও করতে পারবেন।

জমির তথ্য খোঁজার পদ্ধতি

প্রথমে স্মার্টফোনের ব্রাউজারে গিয়ে ‘ই-পর্চা’ লিখে সার্চ দিতে হবে। এরপর সরকারি ই-পর্চা ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে মেনু থেকে ‘খতিয়ান’ অপশন নির্বাচন করতে হবে।

পরবর্তী ধাপে জমির বিভাগ, জেলা, খতিয়ানের ধরন, উপজেলা ও মৌজা নির্বাচন করতে হবে। সংশ্লিষ্ট রেকর্ড অনুযায়ী খতিয়ানের ধরন হিসেবে বিএস, সিএস, আরএস বা এসএ নির্বাচন করার সুযোগ থাকতে পারে।

Advertisement

এরপর খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর অথবা মালিকের নাম ব্যবহার করে জমির তথ্য খোঁজা যাবে। প্রয়োজনীয় তথ্য দেওয়ার পর ক্যাপচা পূরণ করে ‘অনুসন্ধান করুন’ অপশনে ক্লিক করতে হবে।

সার্চ সম্পন্ন হলে সংশ্লিষ্ট রেকর্ডে জমির মালিকের নাম, দাগ ও খতিয়ানসংক্রান্ত তথ্য এবং জমির পরিমাণ সম্পর্কে প্রাথমিক ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

খতিয়ানের কপির আবেদন

অনলাইনে তথ্য দেখার পর প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট তথ্যের পাশে থাকা ‘আবেদন করুন’ অপশন থেকে খতিয়ানের কপির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, ই-মেইল, ঠিকানা ও মোবাইল নম্বরসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে আবেদন করা যাবে।

আবেদন ফরম পূরণের পর তথ্য যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে। নির্ধারিত ফি থাকলে সেবায় প্রদর্শিত অনুমোদিত পেমেন্ট মাধ্যম ব্যবহার করে অনলাইনে তা পরিশোধ করা যাবে।

শুধু নাম দিয়ে সব জমির তথ্য মিলবে?

অনলাইনে জমির তথ্য খোঁজার ক্ষেত্রে শুধু একজনের নাম লিখে দেশের বিভিন্ন এলাকায় তার নামে থাকা সব জমির পূর্ণাঙ্গ তালিকা পাওয়া যাবে না।

জমির রেকর্ড নির্দিষ্ট বিভাগ, জেলা, উপজেলা, মৌজা, খতিয়ান ও দাগের সঙ্গে সম্পর্কিত। তাই বাবা, দাদা বা পরিবারের অন্য কারও নামে থাকা জমি খুঁজতে সংশ্লিষ্ট এলাকার কিছু তথ্য জানা থাকলে অনুসন্ধান সহজ হয়।

অনলাইনে পাওয়া তথ্য মূলত প্রাথমিক যাচাইয়ের কাজে ব্যবহার করা উচিত। জমি কেনাবেচা, উত্তরাধিকার বা মালিকানা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে খতিয়ান, দলিল, নামজারি এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

বিশেষ করে পুরোনো জমির ক্ষেত্রে বিভিন্ন সময়ের খতিয়ানে তথ্যের পরিবর্তন থাকতে পারে। তাই কোনো জমির বর্তমান মালিকানা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব বৈধ নথি মিলিয়ে দেখা জরুরি।

  • সর্বশেষ