শিরোনাম
◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা ◈ কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক: ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ◈ নিম্নমানের কাজ রুখতে ৩০ প্রকল্পে সমস্যা চিহ্নিত, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ◈ শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদার হলে বাড়বে কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ: মাহ্দী আমিন ◈ ট্রেজারি বেঞ্চে আসনবিন্যাসে পরিবর্তন: ফখরুলের স্থানে সালাহউদ্দিন ◈ যুবলীগের পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ◈ সংসদে চরম হট্টগোল, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার (ভিডিও) ◈ নেপালে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে পড়তে পারে হ্রদের বাঁধ

প্রকাশিত : ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০১ রাত
আপডেট : ২৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:২১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফারাক্কা পেরিয়ে বাংলাদেশে আসতে পারে নেপালের পাহাড়ি ঢলের পানি

নেপাল-তিব্বত সীমান্তে সৃষ্ট আকস্মিক পাহাড়ি ঢলের পানি ভারতের গঙ্গা নদী হয়ে ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারে। পরে এ পানি যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মা নদীর প্রবাহে যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ পরিস্থিতিতে গঙ্গা-পদ্মা অববাহিকার নদীতীরবর্তী ও চরাঞ্চলের মানুষকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

তিনি জানান, তিব্বত-নেপাল সীমান্তে সৃষ্ট ভয়াবহ আকস্মিক বন্যার পানি ভোটি কোশি ও ত্রিশুলি নদী হয়ে নারায়নি-গন্ধক নদীব্যবস্থার মাধ্যমে ভারতের বিহারের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। এরই মধ্যে ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশন গন্ধক নদীর ভাটি এলাকায় সম্ভাব্য আকস্মিক পানি বৃদ্ধির বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে।

পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিহার সরকার ভালমিকিনাগরের গন্ধক বাঁধের ৩৬টি গেটই খুলে দিয়ে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানান তিনি।

মোস্তফা কামাল পলাশের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, গন্ধক নদীর অতিরিক্ত পানি বিহারের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে হাজিপুর-সোনপুর এলাকার কাছে গঙ্গায় মিলিত হবে। এরপর গঙ্গার প্রবাহের সঙ্গে পূর্বদিকে অগ্রসর হয়ে ফারাক্কা বাঁধ অতিক্রম করে বাংলাদেশের গঙ্গায় প্রবেশ করতে পারে। পরে যমুনার সঙ্গে মিলিত হয়ে পদ্মার প্রবাহে যুক্ত হবে।

তবে এই পাহাড়ি ঢলের পানি ঠিক কখন বাংলাদেশে পৌঁছাবে, তা এখনই নির্ভরযোগ্যভাবে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না বলে উল্লেখ করেন তিনি। নদীপথে অগ্রসর হওয়ার সময় পাহাড়ি ঢলের শক্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যেতে পারে। ভারতের কেন্দ্রীয় পানি কমিশনের পর্যবেক্ষণেও ভাটির দিকে যাওয়ার সময় ঢলের শক্তি ক্ষয় হওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে।

এদিকে বিহারের গঙ্গার কয়েকটি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে এরই মধ্যে পানি বিপৎসীমার ওপরে রয়েছে। ফলে নেপাল থেকে আসা অতিরিক্ত প্রবাহ গঙ্গায় যুক্ত হলে ভাটি এলাকার পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন বলে সতর্ক করেছেন এই গবেষক।

তার দেওয়া সম্ভাব্য গতিপথ হলো—ভালমিকিনগর → গন্ধক → হাজিপুর/সোনপুর → গঙ্গা → পূর্ব বিহার → ফারাক্কা → বাংলাদেশ।

গঙ্গা-পদ্মা নদীর তীরবর্তী, বিশেষ করে চরাঞ্চলের মানুষকে আতঙ্কিত না হয়ে আগামী কয়েক দিন নদীর পানির উচ্চতার পরিবর্তনের ওপর সতর্ক নজর রাখার পরামর্শ দিয়েছেন মোস্তফা কামাল পলাশ।

সূত্র: ইত্তেফাক 

  • সর্বশেষ