শিরোনাম
◈ পর্তুগালে একের পর এক বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু, ১৫ দিনে প্রাণ গেল ৪ জনের ◈ ধানের তুষ পুড়িয়ে গ্যাস উৎপাদন, বিকল্প জ্বালানিতে চলছে বস্ত্রকল! ◈ রশি ছিঁড়ে সাগরে পড়ে আহত চট্টগ্রাম বন্দরের পাইলট, তদন্তে জাহাজের গাফিলতির অভিযোগ; বিদেশি জাহাজ আটক ◈ বাংলাদেশি হিন্দু-শিখ-জৈন শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়ার আশ্বাস অমিত শাহের ◈ ফিফার শা‌স্তির পর আর্জেন্টিনাকে নি‌য়ে স্পেনের গণমাধ্যমে উসকানিমূলক সংবাদ প্রচার ◈ জাতীয় স্বার্থ নিশ্চিত করেই প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ◈ চাঁদাবাজ-সন্ত্রাসীদের আইনের আওতায় না আনলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ কলকাতায় অগ্নিকাণ্ডে নিহত পাঁচ বাংলাদেশির মরদেহ পেট্রাপোলে ◈ মন্ত্রিত্ব ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন, হলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ◈ সিলেটে তেলবাহী ট্যাংক লরি-অটোরিকশা সংঘর্ষে নিহত ৪

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৫২ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

এক্সিলারেট টার্মিনালের গ্যাস সরবরাহ পুনরায় চালু

শনিবার দুপুর ২টায় এলএনজি থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তা বেড়ে ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। বর্তমানে দেশে সব উৎস মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। 

এলএনজি কার্গো পৌঁছানোর পর কয়েক সপ্তাহের গ্যাস সংকটে কিছুটা স্বস্তির সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে এলএনজি সরবরাহ ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুটে উঠেছে। 

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তারা বলছেন, আগামীকাল রবিবার যে কার্গোটি আসার কথা ছিল তাদের অনুরোধ করে আজকেই আনা হয়েছে। এরপর এক্সিলারেট এর টার্মিনালটি চালু করা হয়েছে। গ্যাস সরবরাহ বাড়ানোর প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকলে রাত ১২টার মধ্যে আরও প্রায় ২৫০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হতে পারে। রাতে প্রয়োজন হলে আরও গ্যাস সরবরাহ বাড়ানো হতে পারে। এতে জাতীয় পর্যায়ে মোট গ্যাস সরবরাহও বাড়বে।

এর আগে শনিবার দুপুর ২টায় এলএনজি থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছিল মাত্র ৫৮০ মিলিয়ন ঘনফুট। কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে তা বেড়ে ৬৮৬ মিলিয়ন ঘনফুট হয়েছে। বর্তমানে দেশে সব উৎস মিলিয়ে গ্যাস সরবরাহ হচ্ছে প্রায় ২ হাজার ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুট। রাতের মধ্যে এলএনজি সরবরাহ আরও বাড়লে বিদ্যুৎকেন্দ্র ও শিল্পে গ্যাস সরবরাহের চাপ কিছুটা কমতে পারে।

মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে গত ২১ জুলাই অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই এই সংকটের শুরু। অগ্নিকাণ্ডের পর টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। পরে টার্মিনালের ক্ষতিগ্রস্ত অংশ মেরামত করে চালুর উপযোগী করা হলেও পর্যাপ্ত এলএনজি কার্গো না থাকায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করা যায়নি। ফলে একটি টার্মিনাল কার্যত বসে থাকায় জাতীয় গ্যাস সরবরাহে ঘাটতি আরও বেড়ে যায়।

গ্যাসের এই ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় উৎপাদন কমাতে হয়। এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিংয়ের চাপও বাড়ে। একই সময়ে গ্যাস সংকটে শিল্পকারখানাতেও উৎপাদন ব্যাহত হয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়