শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন নৌ অবরোধ, ইরানের একাধিক শর্তে বাড়ছে উত্তাপ ◈ কীসের ভিত্তিতে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী ◈ প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফর নিয়ে সিদ্ধান্ত হয়নি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ আগামীর বাংলাদেশ হবে একটি গণতান্ত্রিক ও কল্যাণ রাষ্ট্র: প্রধানমন্ত্রী ◈ সম্পর্ক স্বাভাবিকের চেষ্টার মধ্যে ঢাকায় ‘র’ প্রধান পরাগ জৈন, বাংলাদেশে আসার আগে করেছেন চীন সফর ◈ ৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ ◈ যে কারণে কারাগারে পাঠানো হয়েছে ‘ভাইরাল মিজানকে’, জানা গেল নেপথ্যের ঘটনা ◈ ভারতে ফের ছাত্র আন্দোলন, ব্যারিকেড ভেঙে বিধানসভা অভিমুখে শিক্ষার্থীরা (ভিডিও) ◈ আপনি খারাপ রেজাল্ট বলছেন কেন, রেজাল্ট তো সুন্দর হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী ◈ ‘মরার আগে কেউ আমেরিকা ছাড়ে না’, যুক্তরাষ্ট্রে ৩০ বছরের প্রবাসী জীবনের গল্প শোনালেন সাবেক ব্যাংকার হাবিব

প্রকাশিত : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:২২ দুপুর
আপডেট : ১০ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ, সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুদকে অভিযোগ

৫০০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনসহ ৩৮ জনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) অভিযোগ করেছে ইসলামী ব্যাংক।

ব্যাংক কর্তৃপক্ষের দাবি, সাবেক এই রাষ্ট্রপতি ব্যাংকের ভাইস চেয়ারম্যান থাকাকালে এই জালিয়াতির ঘটনা ঘটে। ব্যাংকটির পক্ষ থেকে বিষয়টি অনুসন্ধানের জন্য দুদককে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর সম্প্রতি ব্যাংকের ফরেন এক্সচেঞ্জ কর্পোরেট শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ ইয়াসীন আলী ব্যাংকের পক্ষে এই অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগে বলা হয়, ২০১৭ সালে এস আলম গ্রুপ ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয়ার পর 'সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেড' নামের একটি দুর্বল প্রতিষ্ঠানের ঋণসীমা জালিয়াতির মাধ্যমে ১০০ কোটি থেকে বাড়িয়ে ৫০০ কোটি টাকা করা হয়। পরবর্তীতে সেই অর্থ উত্তোলন করে আত্মসাৎ করা হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, অ্যাননটেক্স গ্রুপের ইউনুস বাদলের সহযোগী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভ কম্পোজিট নিট লিমিটেডের অনুকূলে অবৈধভাবে ঋণ বরাদ্দ পাইয়ে দিতে ভূমিকা রাখেন ব্যবসায়ী এস আলম। আর তৎকালীন পরিচালনা পর্ষদের সদস্য হিসেবে মো. সাহাবুদ্দিন, ব্যাংকের সাবেক তিন ব্যবস্থাপনা পরিচালক মনিরুল মাওলা, আব্দুল হামিদ মিয়া ও মাহবুব উল আলমসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা এই অনৈতিক কাজের অনুমোদন দিয়ে আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন।

ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ চারটি অডিট ফার্মের মাধ্যমে ঘটনার তদন্ত করে এসব অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে বলেও দুদকে পাঠানো অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়