ডেস্ক রিপোর্ট: ঢাকার গুলশানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী জাবেদের দুইটি ফ্ল্যাট ক্রোকের অংশ হিসেবে সেখানে থাকা সামগ্রীর তালিকা তৈরির কাজ শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন।
ঢাকার একটি বিচারিক আদালতের নির্দেশে এই কাজ শুরু হয়েছে।
দুদকের জনসংযোগ কর্মকর্তা ও উপপরিচালক আকতারুল ইসলাম বিবিসি বাংলাকে এই তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। মি. ইসলাম বলেন, “আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুদকের তদন্ত কর্মকর্তা, সম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের কর্মকর্তা, গুলশান থানা পুলিশের যৌথ টিম গুলশানের দুইটি ফ্ল্যাটের তালা ভেঙে সব সামগ্রী, মালামালের ইনভেন্টরি তৈরির কাজ করছে।----- বিবিসি বাংলা
রোববার সকালে সাড়ে দশটা নাগাদ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে দুদকের উপপরিচালক মশিউর রহমানের নেতৃত্বে এই কাজ শুরু করা হয়েছে। গুলশানের ৬৬ নম্বর সড়কের নর্থওয়েস্ট(বি) ব্লকের ১১ নম্বর প্লটে ফ্ল্যাট দুইটির অবস্থান।
এর মধ্যে এ-৭ নম্বর ফ্ল্যাটের আয়তন তিন হাজার ৭৪৭ বর্গফুট এবং বি-৭ নম্বর ফ্ল্যাটের আয়তন তিন হাজার ৮৩২ বর্গফুট। দুইটি ফ্ল্যাটের মোট আয়তন সাত হাজার ৫৭৯ বর্গফুট।
২০২৫ সালের ১৮ই নভেম্বর মি. চৌধুরীর এই ফ্ল্যাট দু্ইটি ক্রোকের আদেশ দেয় ঢাকা মহানগর জ্যেষ্ঠ বিশেষ জজ আদালত। আদালতের আদেশে দুদকের সম্পদ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের পরিচালককে ফ্ল্যাট দুটির নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তবে এগুলো তালা বন্ধ থাকার কারণে তিনি সেখানে ঢুকতে পারছিলেন না।
পরে দুদকের করা আরেকটি আবেদনের প্রেক্ষিতে ২৯শে এপ্রিল তালা খুলে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে তাকে ওই ফ্ল্যাট দুটিতে প্রবেশ ও মালামালের তালিকা তৈরির অনুমতি দেওয়া হয়।
একইসঙ্গে সাবেক ভূমিমন্ত্রী সাইফুজ্জামান চৌধুরী এবং ভবনটির ব্যবস্থাপক ইমরান হোসেনকেও নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত থাকতে বলা হয়।
চলতি বছরের ১৩ই জানুয়ারি দুদকের আবেদনে মি. চৌধুরীর যুক্তরাষ্ট্র, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ফিলিপিন্স, মালয়েশিয়া, কম্বোডিয়া, ভারত, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামে থাকা ৩৩০টি বাড়ি, ফ্ল্যাট ও অ্যাপার্টমেন্ট জব্দের আদেশ দেয় আদালত।