শিরোনাম
◈ ৯ বছরেও প্রত্যাবাসন হয়নি, রোহিঙ্গা সংকটে নতুন কৌশলের আহ্বান ◈ কোচিং সেন্টারে জড়াতে পারবেন না জুডিসিয়াল সার্ভিসের সদস্যরা: সুপ্রিম কোর্টের পরিপত্র জারি ◈ প্রত্যাবাসনই রোহিঙ্গা সংকটের একমাত্র টেকসই সমাধান: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ◈ সম্পাদকদের সঙ্গে জামায়াত আমিরের বৈঠক, যা নিয়ে আলোচনা হলো ◈ ইরানের সব ‘অর্থনৈতিক লাইফলাইন’ ছিন্ন করতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন নিষেধাজ্ঞা ◈ আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি, দেশে প্রভাব পড়ার শঙ্কা কতটা? ◈ যুক্তরাষ্ট্রের এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ডলার করার প্রস্তাব ◈ এশিয়ার যে দেশ সন্তান জন্ম দিলেই ৬৭ লাখ টাকা দেবে! ◈ প্রধানমন্ত্রীর অনুপস্থিতিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মন্ত্রীরা অনুপস্থিত থাকলে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে যারা থাকবেন ◈ এপিবিএনকে ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের ক্ষমতা দিয়ে আইনের খসড়া অনুমোদন

প্রকাশিত : ০৭ মে, ২০২৬, ১২:৩৪ রাত
আপডেট : ১২ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অর্থনীতি-অবকাঠামোয় সহযোগিতা বাড়াতে চীনের প্রতিশ্রুতি

বাংলাদেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে চীন। পাশাপাশি বাস্তবিক সহযোগিতা বৃদ্ধিরও প্রতিশ্রুতি দিয়েছে দেশটি। বেইজিংয়ে আজ বুধবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠকে এই প্রতিশ্রুতি দেন চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই।

বৈঠকে উভয় পক্ষ আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বিভিন্ন ইস্যু নিয়ে আলোচনা করেছে। বৈঠক শেষে উভয় পক্ষ একটি যৌথ বিবৃতি দিয়েছে।

বৈঠকে ওয়াং ই বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের যে ঐতিহ্যগত বন্ধুত্ব, তা আরও গভীর করতে চায় বেইজিং। পাশাপাশি পারস্পরিক রাজনৈতিক আস্থা ও বাস্তবিক সহযোগিতা জোরদারে আগ্রহী চীন। বেইজিং বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য অংশীদার হতে চায়।

বাংলাদেশে একতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে, এ দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন পুনরুজ্জীবিত করতে এবং জনগণের জীবনমানের উন্নয়নে বাংলাদেশের নতুন সরকারের উদ্যোগে চীন সরকারের সমর্থন রয়েছে বলে জানান ওয়াং ই। তিনি আরও বলেন, চীন তার সক্ষমতার সর্বোচ্চ দিয়ে বাংলাদেশকে সহযোগিতা দেওয়া অব্যাহত রাখবে।

চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, অর্থনীতি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ, অবকাঠামো, পানি সংরক্ষণ ও দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি, সবুজ উন্নয়ন ও ডিজিটাল অর্থনীতির মতো ক্ষেত্রগুলোয় সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগে সহায়তা করতে বাংলাদেশের জাতীয় উন্নয়ন কৌশলের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চ মানের বেল্ট অ্যান্ড রোড সহযোগিতা সমন্বয়ে চীন প্রস্তুত। তিনি বলেন, বাংলাদেশ এবং দক্ষিণ এশিয়ার অন্য দেশগুলোর সঙ্গে চীনের যে উন্নয়নের সম্পর্ক, তা কোনো তৃতীয় পক্ষকে লক্ষ্য করে নয় এবং কোনো তৃতীয় পক্ষ এসব সম্পর্কে হস্তক্ষেপ করতে পারবে না।

বৈঠকে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও চীন দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং চীন সব সময় বাংলাদেশের আস্থাভাজন ও অপরিহার্য বন্ধু ও অংশীদার। তিনি বলেন, বাংলাদেশের নতুন সরকার চীনের সঙ্গে সম্পর্কোন্নয়নে জোর দিয়েছে। তাইওয়ান প্রশ্নে বাংলাদেশ দৃঢ়ভাবে চীনের পাশে আছে এবং বাংলাদেশ এক চীন নীতি অনুসরণ করে। পাশাপাশি বাংলাদেশ চীনের জাতীয় পুনর্মিলনের আকাঙ্ক্ষা সমর্থন করে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, চীনের দীর্ঘমেয়াদি সহযোগিতাকে বাংলাদেশ সাধুবাদ জানায় এবং বন্ধুত্ব ও সহযোগিতার সম্পর্ককে সার্বিকভাবে আরও গভীর করে দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে বিশেষভাবে আগ্রহী। তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীনের বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে এবং চীনা বিনিয়োগকারীদের জন্য স্থিতিশীল ও উপযুক্ত ব্যবসায়িক পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য বদ্ধপরিকর।

 

  • সর্বশেষ