শিরোনাম
◈ গত বছরের তুলনায় কমেছে খুন, ধর্ষণ ও মব সহিংসতা: সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ সেপ্টেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের তপশিল, নভেম্বরে ভোট: সিইসি ◈ গঙ্গা চুক্তি নবায়ন ও তিস্তা প্রকল্পে অগ্রগতি: সংসদে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর কৌশলগত বার্তা ◈ কার্য উপদেষ্টা কমিটির বৈঠক: ১০ সেপ্টেম্বর শেষ হবে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন ◈ নিম্নমানের কাজ রুখতে ৩০ প্রকল্পে সমস্যা চিহ্নিত, ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ ◈ শিক্ষা খাতে বাংলাদেশ-চীন সহযোগিতা জোরদার হলে বাড়বে কর্মসংস্থান ও দক্ষ মানবসম্পদ: মাহ্দী আমিন ◈ ট্রেজারি বেঞ্চে আসনবিন্যাসে পরিবর্তন: ফখরুলের স্থানে সালাহউদ্দিন ◈ যুবলীগের পরশ ও তার স্ত্রীর বিদেশযাত্রায় নিষেধাজ্ঞা ◈ সংসদে চরম হট্টগোল, ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তিত স্পিকার (ভিডিও) ◈ নেপালে নতুন বিপর্যয়ের আশঙ্কা, ৭২ ঘণ্টার মধ্যে ভেঙে পড়তে পারে হ্রদের বাঁধ

প্রকাশিত : ১৩ এপ্রিল, ২০২৬, ০৬:২৯ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন সংশোধনে ‘লুটেরাদের’ পুনর্বাসন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত: টিআইবি

ব্যাংক রেজল্যুশন আইন, ২০২৬ সংশোধনের মাধ্যমে দুর্বল ব্যাংকের আগের শেয়ারধারীদের জবাবদিহি ছাড়াই পুনরায় মালিকানায় ফেরার সুযোগ দেওয়াকে ‘দুর্নীতি ও লুটপাটে সহায়ক’ এবং ‘আত্মঘাতী’ সিদ্ধান্ত মনে বলে করছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। সংস্থাটি বলছে, এতে ব্যাংকিং খাত আবারও লুটপাটের অভয়ারণ্যে পরিণত হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

আজ সোমবার (১৩ এপ্রিল) এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান।

ইফতেখারুজ্জামান বলেন, নতুন আইনের ১৮(ক) ধারার মাধ্যমে দায়ী ব্যক্তি বা গোষ্ঠীকে বিচারের আওতায় আনার বদলে দায়মুক্তির সুযোগ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে ব্যাংক খাতে দীর্ঘদিনের অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও সুশাসনের ঘাটতি দূর না হয়ে বরং বিচারহীনতার সংস্কৃতি টিকিয়ে রাখা হচ্ছে।

ইফতেখারুজ্জামান আরও বলেন, সরকার যে যুক্তিই দিক না কেন, এই সিদ্ধান্ত বাস্তবে ব্যাংক লুটেরাদের পুরস্কৃত করার শামিল। এর মাধ্যমে ‘উইনার টেইকস অল’ ফর্মুলায় নীতি দখলের ধারাবাহিকতা বজায় থাকছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


টিআইবি সংশয় প্রকাশ করে বিবৃতিতে জানায়, সংকটে নিমজ্জিত ব্যাংকগুলোর আগের মালিকেরা কীভাবে আবার একই প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নিতে সক্ষম হবেন, যখন তাঁরা নির্ধারিত অর্থের মাত্র সাড়ে সাত শতাংশ জমা দিয়ে বাকি অর্থ দুই বছরে পরিশোধের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে তাঁরা নতুন মূলধন জোগান, পুরোনো দায় পরিশোধ ও ক্ষতিপূরণের মতো শর্ত বাস্তবে কতটা পূরণ করবেন, তা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছে সংস্থাটি।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় দায়ীদের জবাবদিহি নিশ্চিত না করে ঢালাওভাবে মালিকানা ফিরিয়ে দিলে ব্যাংক খাতে কোনো গুণগত পরিবর্তন আসবে না, বরং এতে আর্থিক খাতে অস্থিতিশীলতা বাড়তে পারে এবং শেষ পর্যন্ত এর বোঝা জনগণকেই বহন করতে হবে। এই প্রেক্ষাপটে টিআইবি সরকারকে আইনটি পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছে। উৎস: আজকের পত্রিকা।

 

  • সর্বশেষ