শিরোনাম
◈ গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ে বিদেশি কোম্পানির প্রবেশ সহজ করতে ৫১% মালিকানার শর্ত বাদ দিচ্ছে বেবিচক ◈ ইমাম-মুয়াজ্জিন-পুরোহিতদের সম্মানী ও ভাতা দিচ্ছে সরকার, কে কত পাবেন? ◈ আগস্টে ৫১৩ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪৮১ ◈ সংঘাত-প্রতিশোধ নয়, সহনশীলতার রাজনীতির দিকে দেশকে নিয়ে যেতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ বড় পরিবর্তন আসছে সরকারি চাকরিজীবীদের পেনশনে ◈ উপজেলা নির্বাচনে আচরণবিধি জারি, প্রার্থিতা বাতিলের সুযোগ ◈ আমিরাতে ভিসা বাতিল ৪ হাজার বাংলাদেশির, কূটনৈতিকভাবে সমাধানের চেষ্টা ◈ আমার অনুপস্থিতিতে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ সেলিম, সরাসরি রাজনীতিতে যুক্ত নয় রেহানা: দ্য ওয়ালকে শেখ হাসিনা ◈ ওয়ান ইলেভেন কুশীলব ও তাদের সহযোগীদের দি‌কে পু‌লি‌শের চোখ ◈ এই ৯ ধরনের খরচের তথ্য আয়কর রিটার্নে না দিলেই বিপদ   

প্রকাশিত : ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫, ০২:০২ রাত
আপডেট : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন বলেছেন, স্বাধীনতার প্রকৃত সুফল জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে হলে গণতন্ত্রকে আরও শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হবে। ব্যক্তি, সমাজ ও রাষ্ট্রীয় জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে পরমতসহিষ্ণুতা, পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং ঐক্যের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।

‘মহান বিজয় দিবস’ উপলক্ষ্যে সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি বলেন, ১৬ ডিসেম্বর, মহান বিজয় দিবস। এ দিনটি আমাদের জাতীয় গৌরবের প্রতীক, স্বাধীনতার চূড়ান্ত সাফল্যের স্মারক।

বিজয়ের আনন্দঘন এ দিনে তিনি দেশে ও প্রবাসে বসবাসরত সকল বাংলাদেশিকে বিজয়ের শুভেচ্ছা ও উষ্ণ অভিনন্দন জানান।

স্বাধীনতা আমাদের শ্রেষ্ঠ অর্জন, যার পেছনে রয়েছে দীর্ঘ শোষণ, বঞ্চনা ও সংগ্রামের ইতিহাস উল্লেখ করে তিনি বলেন, দীর্ঘ ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে ১৯৭১ সালের এই দিনে আমরা অর্জন করি কাঙ্ক্ষিত স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব। বিজয়ের এই দিনে আমি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি মুক্তিযুদ্ধে আত্মোৎসর্গকারী সকল বীর শহিদ, যুদ্ধাহতসহ সকল বীর মুক্তিযোদ্ধা, সম্ভ্রমহারা মা-বোন, শহিদ পরিবারের সদস্য ও আমাদের স্বাধীনতা আন্দোলনে অবদান রাখা সকল সংগ্রামী যোদ্ধাদের, যাদের ত্যাগ ও আত্মদানের মধ্য দিয়ে আমরা পেয়েছি স্বাধীন বাংলাদেশ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, মুক্তিযুদ্ধের লক্ষ্য কেবল রাজনৈতিক স্বাধীনতায় সীমাবদ্ধ ছিল না, অর্থনৈতিক মুক্তি ও সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করাই ছিল এর অন্যতম উদ্দেশ্য। বিগত পাঁচ দশকের পথচলায় জনগণের পূর্ণ রাজনৈতিক ও আর্থসামাজিক মুক্তি এখনো অর্জিত হয়নি। এই প্রেক্ষাপটে ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান একটি বৈষম্যহীন, দুর্নীতিমুক্ত ও ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ গড়তে নতুন আশা জাগিয়েছে।

তিনি বলেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে শোষণমুক্ত, বৈষম্যহীন ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণে সকলে একযোগে কাজ করব- এটাই হোক মহান বিজয় দিবসে আমাদের অঙ্গীকার।

 

 

  • সর্বশেষ