শিরোনাম
◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা ◈ ট্রাম্প-নেতানিয়াহুর ক্ষমতায় ধাক্কা, বিশ্বরাজনীতিতে কী প্রভাব পড়বে?

প্রকাশিত : ২১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৪১ রাত
আপডেট : ২১ জুলাই, ২০২২, ০৯:৪১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সাংবাদিকদের সঙ্গে অনলাইন আলাপচারিতায় ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

লোডশেডিং দিয়ে জ্বালানি সংকটের সমাধান হবে না

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য

মনজুর এ আজিজ: ২০টি মেগাপ্রকল্পের ঋণ পরিশোধ চিন্তার বড় কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। পাশাপাশি লোডশেডিং দিয়ে বতর্মান জ্বালানি সংকটের খুব বেশি সমাধান হবে না বলেও মন্তব্য করেন মনে করেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) বিশেষ ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার দেশের বড় প্রকল্প নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে অনলাইন আলাপচারিতায় অংশ নিয়ে এমন মন্তব্য করেন তিনি। 

এ অর্থনীতিবিদ বলেন, ২০২৪ সাল থেকে ২০টি মেগাপ্রকল্পের ঋণ পরিশোধে দুই বছর দেশকে সবচেয়ে বড় ধাক্কা সামলাতে হবে। এ ঋণ পরিশোধের সময় এগিয়ে আসছে, যা অর্থনীতির জন্য চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। এ চ্যালেঞ্জ সামাল দিতে এখনই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

তিনি বলেন, বর্তমানে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে বিদেশি দায়দেনা পরিশোধ করা হয় ১ দশমিক ১ শতাংশের মতো। ২০২৬ সাল নাগাদ তা দ্বিগুণ হতে পারে। এই হার ২ শতাংশে পৌঁছানোর আশঙ্কা রয়েছে। তখন বাংলাদেশ সমস্যায় পড়বে কি না এমন প্রশ্নের জবাবে দেবপ্রিয় বলেন, এটি আসলে নির্ভর করবে ওই সময়ে দেশের রিজার্ভ পরিস্থিতি কেমন থাকে, অর্থনীতি কতটা সুসংহত থাকে, তার ওপর।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, দেশের ২০টি বড় প্রকল্পে প্রায় ৫ লাখ ৫৬ হাজার ৯৫৫ কোটি টাকা খরচ হচ্ছে। এর মধ্যে প্রায় ৬২ শতাংশ বিদেশি ঋণ। প্রকল্পগুলো ২০২৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও চলতি দশকে সব কটি শেষ করা সম্ভব হবে না। এসব বড় প্রকল্পের ক্ষেত্রে রাশিয়া, চীন ও জাপানকেই বেশি অর্থ পরিশোধ করতে হবে। তার মধ্যে চীনের ঋণ পরিশোধের সময়সীমা বেশ কম বলেও জানান তিনি।

বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে আলোচনা শুরুকে ভালো দিক হিসেবে অভিহিত করেছেন দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ২ বিলিয়ন বা ২০০ কোটি ডলার হোক আর সাড়ে চার বিলিয়ন বা ৪৫০ কোটি ডলার হোক আইএমএফের কাছে অর্থ নেওয়ার প্রয়োজন আছে। 

তিনি আরো বলেন, সরকার জ্বালানি সাশ্রয়ে এলাকাভিত্তিক যে ১ ঘন্টা করে লোডশেডিং করছে এতে জ্বালানি সংকটের সমাধান হবে না। বরং এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এখনই আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান থেকে অর্থ সহায়তা নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি।

  • সর্বশেষ