শিরোনাম
◈ সাজেকে ১৪ দিনের অবরোধে চরম খাদ্যসংকট, পর্যটন ও পরিবহন খাতে শতকোটি টাকার ক্ষতির শঙ্কা: সমাধান করবে কে? ◈ শ্রমিক আন্দোলন নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত বল প্রয়োগ নয়, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ জিগাতলায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য ১৮৪ ফ্ল্যাট নির্মাণের উদ্যোগ ◈ গাছতলায় ফেলে যাওয়ার ঘটনায় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ, ৯৫ বছরের বাবাকে বাড়িতে নিলেন বড় ছেলে ◈ কিশোরগঞ্জে জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ছেলেকে ছুরিকাঘাত ◈ ১২ দেশে কর্মী পাঠাতে মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন বাধ্যতামূলক, ছাড়পত্রে সরকারের কঠোর নির্দেশনা ◈ ৭ নভেম্বরের শোভাযাত্রায় নেতৃত্ব দেবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, পায়ে হেঁটে মানিকমিয়া এভিনিউ পর্যন্ত যাবেন ◈ জানুয়া‌রি‌তে বাংলাদেশ-ভারত সিরিজ? ◈ সংবাদ প্রকাশের কারণে সাংবাদিক ও সংবাদমাধ্যমের মালিক গ্রেপ্তারে লাগবে আদালতের অনুমতি ◈ ভারত থেকে সার্ভারে প্রবেশের অভিযোগ, ডিজিপের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যবস্থা

প্রকাশিত : ২০ জুলাই, ২০২২, ০৬:২৮ বিকাল
আপডেট : ২০ জুলাই, ২০২২, ০৮:৩৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিদ্যুতের চলমান লোডশেডিংয়ের মধ্যে এবার আবাসিকে গ্যাস সংকট

মনজুর এ আজিজ: সারাদেশে চলমান বিদ্যুতের লোডশেডিংয়ের মধ্যে এবার শুরু হয়েছে আবাসিকে গ্যাস সংকট। বুধবার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় সকাল থেকেই গ্যাসের চাপ কম ছিল। অন্যদিকে গ্যাসের অভাবে বন্ধ হয়ে গেছে চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) সার উৎপাদন।

বিভিন্ন এলাকার পাওয়া খবরে জানা যায়, বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা বাজলেই অনেক এলাকায় গ্যাস চলে যায়। দুপুরে এলেও জ্বলছে টিমটিম করে। রান্না করার উপায় নেই। বাধ্য হয়ে বাইরে থেকে খাবার কিনে খেতে হচ্ছে বলে জানালেন গ্রিনরোডের বাসিন্দা সোনিয়া সাঈদ। তিনি জানান, সকালে গ্যাসের সামান্ন চাপ ছিল টিমটিম করে চুলা জ্বলছিল। এরপর সাড়ে ১০টা বাজলেই একেবারে গ্যাস চলে যায়। এতে রান্না শেষ না হওয়ায় অগত্য বাইওে থেকে খাবার কিনে আনতে হলো। প্রায় একই অভিযোগ করেন, যাত্রাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা জামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, সকাল থেকেই গ্যাসের চাপ অনেক কম। রান্না করতে রীতিমতো যুদ্ধ করতে হচ্ছে। পানি গরম হতেই অনেক সময় চলে যাচ্ছে। একই ধরনের অভিযোগ পাওয়া গেছে রাজধানীর সেন্ট্রাল রোড, নর্থ রোড, নর্থ সার্কুলার রোড, ভুতের গলি, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, রামপুরার উলন, বনশ্রী এবং মগবাজারের মধুবাগ এলাকা থেকে।

রামপুরা বনশ্রী এলাকার বাসিন্দা কানিজ সালমা সাঈদা জানান, বুধবার সকাল ১০টার দিকে রান্না ঘরে যেয়ে চুলা জ্বালাতেই দেখি গ্যাসের কোনো চাপ নেই। এর কিছুক্ষণ পরে একেবারেই গ্যাস চলে যায়। এতে নিজেরা বাইরে থেকে খাবার কিনে এনে খেলেও বাচ্চাদের নিয়ে সমস্যায় পড়তে হয়। তিনি বলেন, একদিকে বিদ্যুৎ নেই আবার এখন গ্যাসও চলে গেল। এ অবস্থায় উম্মা প্রকাশ করেন তিনি। 

এ প্রসঙ্গে তিতাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক হারুনুর রশীদ মোল্লাহ গণমাধ্যমকে জানান, আমাদের মোট চাহিদা প্রায় ১৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের। বর্তমানে গড়ে পাচ্ছি ১৬২৬ মিলিয়নের মতো। এতে দৈনিক ঘাটতি থাকছে ১৭৪ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। বিদ্যুৎ কেন্দ্রে তো রেশনিং করাই হচ্ছে, সিএনজি আগেই রেশনিংয়ের আওতায় ছিল। এখন আবাসিকের কিছু এলাকায় গ্যাস কম পাচ্ছে। এটি সাময়িক। সকালে কমে গেলেও বিকালে বেড়ে যেতে পারে বলে জানান তিনি।

এদিকে গ্যাস সংকটে চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডে (সিইউএফএল) উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেছে। মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মঙ্গলবার রাত ১০টা থেকে এই কারখানার উৎপাদন বন্ধ করে দেওয়া হয়। আগে সিইউএফএলে ৪১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হতো।

  • সর্বশেষ