শিরোনাম
◈ ভারত থেকে শেখ হাসিনাকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালাতে দেওয়া হবে না: সংসদীয় কমিটিকে ভারত সরকার ◈ শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের পর স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে নিয়েও নতুন দাবি, ছাত্র আন্দোলনে বলপ্রয়োগের অভিযোগ ◈ টুথপেস্ট কেনার সময় যেসব বিষয় যাচাই করার পরামর্শ দিল বিএসটিআই ◈ নেপালে হিন্দু-মুসলিম সংঘর্ষ-উত্তেজনা, কারফিউ জারি: শান্তি বজায় রাখার আহ্বান প্রধানমন্ত্রী বালেন্দ্র শাহের ◈ ৫ মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী-এমপি নতুন দায়িত্বে ◈ রাষ্ট্রপতি ইস্যুতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত: শনিবার বিএনপির স্থায়ী কমিটির বৈঠক ◈ জা‌তিসং‌ঘের মহাস‌চিব‌কে ইরা‌নের পররাস্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের প্রশ্ন: আপনি কেন প্রধান দুই অপরাধীর নাম এড়িয়ে যান? ◈ আরব আ‌মিরা‌তের কারাগা‌রে ব‌ন্দি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে কতদিন লাগবে? ◈ চেন্নাই ছেড়ে ইংল্যান্ডে? ‘বাজবলে’র উত্তরসূরি হতে চলেছেন স্টি‌ফেন ফ্লেমিং ◈ এশিয়ার ক্লাব ফুটবলের টানা তিন আস‌রের মহারণ সৌদি আর‌বে

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২২, ০৩:২৯ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২২, ০৩:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘শিল্প ধ্বংসের দোহাই দিয়ে মানুষ ধ্বংস করা যাবে না’

নির্মলেন্দু গুণ

ডেস্ক রিপোর্ট: 'চা-শ্রমিকদের দৈনিক বেতন ৩০০ টাকা করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। আমাকে পথে নামতে বাধ্য করবেন না। ভালো হবে না।'

সোমবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে চা-শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবির পক্ষে এমনটিই লিখেছেন বাংলা ভাষার প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ।

কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, বলেন, 'চা-শ্রমিকদের এত কম টাকা মজুরি দেওয়া হয়, এটা তো খুবই অস্বাভাবিক, আপত্তিজনক। একজন মানুষ সারাদিন কাজ করে পাবেন মাত্র ১২০ টাকা। এটা কোনোভাবেই হতে পারে না, মেনে নেওয়া যায় না। তাদের দৈনিক মজুরি কমপক্ষে ৩০০ টাকা দিতে হবে।'

চা-শ্রমিকদের দাবির সঙ্গে তিনি আগেও সহমত প্রকাশ করেছেন এবং এখনো করছেন জানিয়ে নির্মলেন্দু গুণ আরো বলেন, 'দেশে কোনো খাতের শ্রমিকের মজুরিই দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকার নিচে না। গ্রামেগঞ্জেরও যদি দেখেন, সেখানেও দিন মজুররা সারাদিন কাজ করে ৪০০-৫০০ টাকার নিচে পান না।'

চা বাগানের মালিকরা দাবি করেন চা-শ্রমিকদের মজুরি যদি ৩০০ টাকা করা হয়, তাহলে চা শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। এ বিষয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, 'মানুষের রক্ত শোষণ করে তো শিল্প টিকিয়ে রাখার দরকার নেই। বহুবছর ধরে আমরা শুনছি পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো হলে পোশাক শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। কম হলেও এই খাতে বেতন কিছু বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু পোশাক শিল্প ধ্বংস হয়ে যায়নি। দিন দিন তাদের অবস্থা ভালো হয়েছে। সব বড়লোকদের বক্তব্য একই রকম, গরিব বিরোধী। মজুরি বাড়ালে সর্বোচ্চ যেটা হতে পারে সেটা হলো, মালিকদের লাভ একটু কমতে পারে। চা শিল্পের মালিকরা শ্রমিকদের মজুরি ৩০০ টাকা করলে তাদের লাভের পরিমাণ একটু কমলেও শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে, এটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য না। সবচেয়ে বড় কথা, শিল্প ধ্বংসের দোহাই দিয়ে মানুষ ধ্বংস করা যাবে না।'

'সুতরাং চা-শ্রমিকদের সঙ্গে কোনো টালবাহানা না করে অবিলম্বে তাদের মজুরি ৩০০ টাকা করা হোক,' যোগ করেন তিনি।

শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে গত ৯ আগস্ট থেকে ২ ঘণ্টা করে ধর্মঘট শুরু করেন চা-শ্রমিকরা। সূত্র: কবি নির্মলেন্দু গুণের ফেসবুক ও ডেইলি স্টার 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়