শিরোনাম
◈ ঢাকার গণপরিবহনে শৃঙ্খলা ফেরাতে ৩২ রুটে বাস ফ্র্যাঞ্চাইজি চালুর নির্দেশ সরকারের ◈ যে ৪ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালে গ্রাউন্ড হ্যান্ডলিংয়ের দায়িত্ব পেতে যাচ্ছে ◈ ২০২৬ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন মানবাধিকারকর্মী নাভি পিল্লাই ◈ চালের বাজারে অস্থিরতা: পরিবহন ব্যয় ও ধানের দাম বৃদ্ধিতে কেজিতে বেড়েছে ২-৪ টাকা! ◈ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে: চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি ◈ কুমিল্লায় স্কুলছাত্রী হত্যার ঘটনায় অটোরিকশার চালক সুমন গ্রেপ্তার ◈ বাংলাদেশ পুলিশে বড় নিয়োগ, আবেদন যেভাবে ◈ ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ পোস্টাল ভোটিং প্রযুক্তি নিতে চায় নেপাল-শ্রীলঙ্কা ◈ ধর্ষণ ও নারী নির্যাতনের তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ডিএনএ অধিদপ্তরে জনবলসংকট, ৬৪ পদের ৫৯টিই শূন্য ◈ মাইক্রোসফট-অ্যাডোবিসহ মার্কিন ও ভারতীয় ৮ প্রতিষ্ঠানের গ্রিন কার্ড আবেদন স্থগিত করল ট্রাম্প প্রশাসন

প্রকাশিত : ২২ আগস্ট, ২০২২, ০৩:২৯ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২২, ০৩:২৯ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘শিল্প ধ্বংসের দোহাই দিয়ে মানুষ ধ্বংস করা যাবে না’

নির্মলেন্দু গুণ

ডেস্ক রিপোর্ট: 'চা-শ্রমিকদের দৈনিক বেতন ৩০০ টাকা করার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি। আমাকে পথে নামতে বাধ্য করবেন না। ভালো হবে না।'

সোমবার সকালে নিজের ফেসবুক পেজে চা-শ্রমিকদের মজুরি বাড়ানোর দাবির পক্ষে এমনটিই লিখেছেন বাংলা ভাষার প্রখ্যাত কবি নির্মলেন্দু গুণ।

কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, বলেন, 'চা-শ্রমিকদের এত কম টাকা মজুরি দেওয়া হয়, এটা তো খুবই অস্বাভাবিক, আপত্তিজনক। একজন মানুষ সারাদিন কাজ করে পাবেন মাত্র ১২০ টাকা। এটা কোনোভাবেই হতে পারে না, মেনে নেওয়া যায় না। তাদের দৈনিক মজুরি কমপক্ষে ৩০০ টাকা দিতে হবে।'

চা-শ্রমিকদের দাবির সঙ্গে তিনি আগেও সহমত প্রকাশ করেছেন এবং এখনো করছেন জানিয়ে নির্মলেন্দু গুণ আরো বলেন, 'দেশে কোনো খাতের শ্রমিকের মজুরিই দৈনিক ৪০০-৫০০ টাকার নিচে না। গ্রামেগঞ্জেরও যদি দেখেন, সেখানেও দিন মজুররা সারাদিন কাজ করে ৪০০-৫০০ টাকার নিচে পান না।'

চা বাগানের মালিকরা দাবি করেন চা-শ্রমিকদের মজুরি যদি ৩০০ টাকা করা হয়, তাহলে চা শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। এ বিষয়ে কবি নির্মলেন্দু গুণ বলেন, 'মানুষের রক্ত শোষণ করে তো শিল্প টিকিয়ে রাখার দরকার নেই। বহুবছর ধরে আমরা শুনছি পোশাক শ্রমিকদের বেতন বাড়ানো হলে পোশাক শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে। কম হলেও এই খাতে বেতন কিছু বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু পোশাক শিল্প ধ্বংস হয়ে যায়নি। দিন দিন তাদের অবস্থা ভালো হয়েছে। সব বড়লোকদের বক্তব্য একই রকম, গরিব বিরোধী। মজুরি বাড়ালে সর্বোচ্চ যেটা হতে পারে সেটা হলো, মালিকদের লাভ একটু কমতে পারে। চা শিল্পের মালিকরা শ্রমিকদের মজুরি ৩০০ টাকা করলে তাদের লাভের পরিমাণ একটু কমলেও শিল্প ধ্বংস হয়ে যাবে, এটা কোনোভাবেই বিশ্বাসযোগ্য না। সবচেয়ে বড় কথা, শিল্প ধ্বংসের দোহাই দিয়ে মানুষ ধ্বংস করা যাবে না।'

'সুতরাং চা-শ্রমিকদের সঙ্গে কোনো টালবাহানা না করে অবিলম্বে তাদের মজুরি ৩০০ টাকা করা হোক,' যোগ করেন তিনি।

শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি ১২০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৩০০ টাকা করার দাবিতে বাংলাদেশ চা-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতৃত্বে গত ৯ আগস্ট থেকে ২ ঘণ্টা করে ধর্মঘট শুরু করেন চা-শ্রমিকরা। সূত্র: কবি নির্মলেন্দু গুণের ফেসবুক ও ডেইলি স্টার 

  • সর্বশেষ