শিরোনাম
◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন ◈ ইউপি নির্বাচনে ইসির নতুন বিধান, জামানত বাড়ল পাঁচ গুণ ◈ বিদ্যুতায়নে বছরে কোটি কোটি ডলারের জ্বালানি আমদানি ব্যয় কমানোর সুযোগ বাংলাদেশের : আইইএর প্রতিবেদন ◈ ১১টি বোয়িং বিমান কেনার চুক্তি চূড়ান্তের পথে, এয়ারবাস নিয়ে ফ্রান্সের চাপ ◈ ভারত থেকে ইলিশ আমদানি বন্ধ, বাতিল ১০৩ অনাপত্তি সনদ ◈ ঢাকার আশপাশের বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নে বাংলাদেশকে ২০০ মিলিয়ন ডলার ঋণ দিচ্ছে এডিবি ◈ জ্বালানি তেলের পর এবার বাড়ল লঞ্চ ভাড়া, কিলোমিটারে সর্বোচ্চ ২৩ পয়সা ◈ জ্যাকসের ঝড়ে লঙ্কা বিধ্বস্ত

প্রকাশিত : ০৯ আগস্ট, ২০২৬, ০১:২৭ দুপুর
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুগার ফ্রি পানীয় কি সত্যিই ওজন কমায়? জানুন পুষ্টিবিদের পরামর্শ

ওজন কমানোর চেষ্টায় যারা আছেন, তাদের খাদ্যতালিকা থেকে বাদ চিনি। কিন্তু সুস্বাদু পানীয়ে কার না চুমুক দিতে ইচ্ছা করে! সে জন্য বাজারে বিকোচ্ছে ‘সুগার ফ্রি’ বা ‘ডায়েট’ কার্বোনেটেড পানীয়। তাতে কখনও লেখা থাকছে— ‘জিরো ক্যালোরি’, আবার কখনো ‘সুগার ফ্রি’।

আর চিনিযুক্ত সোডা থেকে ডায়েট পানীয় কিংবা সুগার ফ্রি ড্রিংকসে অভ্যস্ত হলে সাময়িকভাবে ক্যালোরি কম নেওয়া সম্ভব। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, এটি সরাসরি ওজন কমানোর জাদুকরী সমাধান নয়। কৃত্রিম মিষ্টি কিংবা সুগার ফ্রি পানীয়ে মজে থাকলে হরমোনের ভারসাম্য, পেটের স্বাস্থ্য এবং মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা ব্যাহত হতে পারে।

advertisement

ওজন কমাতে গেলে সত্যিই কি এমন পানীয়ে নিশ্চিন্তে চুমুক দেওয়া চলে? এ বিষয়ে পুষ্টিবিদ লাভনীত বাত্রা সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্ট বলেছেন, ডায়েট কিংবা সুগার ফ্রি পানীয়ে চুমুক দিলেই যে ওজন বশে থাকবে তা নয়। জিরো ক্যালোরি মানেই তাতে ক্যালোরির পরিমাণ শূন্য তাও নয়। আর শুধু ক্যালোরি কমালেই হয় না, হরমোনের ওঠাপড়া, পেটের স্বাস্থ্যের সঙ্গেও জড়িয়ে থাকে ওজন নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি।

এ পুষ্টিবিদ বলেন, সুগার ফ্রির কথা ভুলে যান। চিনি যে পুরোপুরি বর্জন করতেই হবে এমনটা নয়। বরং মস্তিষ্কেরও শর্করা প্রয়োজন হয়। শর্করা বাদ দিলে, মিষ্টিজাতীয় খাবারের প্রতি বেশি লোভ হবে। বিভিন্ন বাজারচলতি পানীয়ে কৌশলে সুক্রোজসহ নানা রকম কৃত্রিম শর্করা ব্যবহার করা হয়, যা স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো নয়।

advertisement

সোডাজাতীয় পানীয়ের বদলে ঘরোয়া কোনো পানীয় বেছে নিতে বলেছেন পুষ্টিবিদ লাভনীত বাত্রা। যেমন ছাতুর শরবত। ছাতু, লবণ ও পাতিলেবুর রস দিয়ে তৈরি ঘরোয়া শরবত প্রোটিনে ভরপুর এবং স্বাস্থ্যকরও। রোদ থেকে ঘেমেনেয়ে এলে এই শরবতে হালকা চিনি মেশানো যেতে পারে। কারণ শর্করা শরীরে দ্রুত শক্তির জোগান দেয়। আপনি চাইলে চিনি বাদ দিতে পারেন।

আবার পানি দিয়ে দই পাতলা করে গুলে, সৈন্ধব লবণ, ভাজা জিরা গুঁড়ো, ধনেপাতা কুচি, লংকাকুচি দিয়ে নোনতা ঘোল কিংবা ছাস বানিয়ে নেওয়া যায়। টকদই প্রোবায়োটিকে পূর্ণ। অন্ত্রে ভালো ব্যাক্টেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

advertisement

এ ছাড়া মিক্সারে পুদিনাপাতা, সৈন্ধব লবণ, পাতিলেবুর রস, স্বাদমতো চিনি এবং পানি দিয়ে গুলিয়ে নিন। কাচের গ্লাসে বরফকুচি, থেঁতো করা পুদিনাপাতা, লেবুর টুকরো দিয়ে পানীয়টি ঢেলে দিন। পুদিনার শরবত পেট ঠান্ডা করে, হজমেও সহায়ক।

আবার ডাবের পানিও খেতে পারেন। ডাবের পানিতে সোডিয়াম ও পটশিয়াম থাকে। খনিজগুলো ইলেকট্রোলাইটের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

  • সর্বশেষ