শিরোনাম
◈ গাজীপুরে পৌর আ.লীগের সাবেক সভাপতি গ্রেপ্তার ◈ রফতানিমুখী শিল্পে বড় প্রণোদনা: ১০ নতুন খাতে বন্ড ছাড়াই কাঁচামাল আমদানি, বাতিল হলো ৩০% মূল্য সংযোজনের শর্ত ◈ এআই দিয়ে প্রথমবার তৈরি হলো নতুন ভাইরাস, চিকিৎসায় সম্ভাবনার পাশাপাশি বাড়ছে নিরাপত্তা উদ্বেগ ◈ দ্য ডিপ্লোম্যাটের বিশ্লেষণ: শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাড়ছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন, নতুন মোড়ে ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক ◈ অধ্যাপক ইউনূসের চেয়ে হাজারগুণ ভালো দেশ চালাচ্ছেন তারেক রহমান: কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি কাদের সিদ্দিকী ◈ দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে হিসেবে আলোচনায় যারা ◈ ডোভালের বদলে আইবি প্রধান, হাসিনাকে ঘিরে বদলাচ্ছে দিল্লির কৌশল ◈ ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে দুই বাসের সংঘর্ষ, নিহত ৮ ◈ পাঁচ বছর ধরে সেঞ্চুরি নেই, এবার বাংলাদেশের বিপক্ষে আশাবাদী অ‌স্ট্রেলিয়ান লাবুশেন ◈ হাসিনার বক্তব্যে নতুন করে উত্তপ্ত ঢাকা-দিল্লি সম্পর্ক : দ্য গার্ডিয়ানের বিশ্লেষণ

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৫ দুপুর
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোন ডাল খেলে মিলবে সবচেয়ে বেশি প্রোটিন?

প্রতিদিনের সাধারণ ভাত-ডাল কিংবা বিশেষ কোনও আয়োজনের ডালের পদ, ভারতীয় উপমহাদেশের খাদ্যাভ্যাসে ডাল উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের অন্যতম প্রধান উৎস। তবে সব ডালে প্রোটিনের পরিমাণ সমান নয়। সম্পূর্ণ ডায়েট পরিবর্তন না করে কেবল প্রোটিনের মাত্রা বাড়াতে চাইলে কয়েকটি ডাল তালিকার শীর্ষে থাকবে।

২০২৩ সালে ফ্রন্টিয়ার্স ইন মাইক্রোবায়োলজি সাময়িকীতে প্রকাশিত গবেষণায় প্রতি ১০০ গ্রাম কাঁচা ডালের একটি পুষ্টি তালিকা তুলে ধরা হয়েছে। সেই তালিকা অনুসারে, কলাইয়ের ডালে ২৫.২১ গ্রাম প্রোটিন, মসুর ডালে ২৪.৬৩ গ্রাম প্রোটিন, মুগ ডালে ২৩.৮৬ গ্রাম প্রোটিন এবং ছোলার ডালে ২০.৪৭ গ্রাম প্রোটিন।

তালিকার শীর্ষে থাকা কলাই ও মসুর ডাল মূলত প্রথম স্থানে সমতায় রয়েছে, আর এর খুব কাছাকাছি রয়েছে মুগ ডাল।

অন্ত্র ও হরমোন বিশেষজ্ঞ ডক্টর আলকা বিজয়ন জানান, প্রোটিনের পরিমাণের বাইরেও এই ডালগুলোর কাজ আলাদা। মসুর ডাল যকৃতের কার্যকারিতা বাড়ায় এবং লিভার ও ত্বকের স্বাস্থ্যের জন্য ডালের উত্তম বিকল্প। এটি কিডনির পাথর ও অনিয়মিত মাসিকের সমস্যাতেও উপকারী। অন্যদিকে, কলাইয়ের ডাল হাড়ের সমস্যা এবং রক্তপ্রবাহ ঠিক রাখার জন্য উপকারী।

তবে বিশেষজ্ঞরা মনে করিয়ে দেন যে, শুধু ডাল কোনও ‘সম্পূর্ণ প্রোটিন’ নয়। প্রোটিন তৈরিতে প্রয়োজনীয় ৯টি অ্যামিনো অ্যাসিডের মধ্যে ডালে ‘লাইসিন’ বেশি থাকলেও ‘মিথিওনিন’ কম থাকে। আবার ভাত ও গমে মিথিওনিন বেশি ও লাইসিন কম থাকে। এজন্যই ঐতিহ্যগতভাবে ডাল-ভাত, ডাল-রুটি কিংবা খিচুড়ি একসঙ্গে খাওয়া হয়, যা প্রোটিনের ঘাটতি পূরণ করে পূর্ণাঙ্গ রূপ দেয়।

সূত্র: এনডিটিভি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়