শিরোনাম
◈ ‌ফিফা ৪০ হাজার কোটি টাকায় বিশ্বকাপ বিক্রি কর‌তে চায়! বিতর্কে জড়িয়ে আ‌ছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের নাম  ◈ ইসরায়েলি রাজ‌নৈ‌তিক বিশ্লেষক: নেতানিয়াহু ও ডোনাল্ড ট্রাম্প উভয়েই পতনের পথে ◈ শ‌নিবার বিএন‌পির স্থায়ী ক‌মি‌টির সভায় চুড়ান্ত হ‌তে পা‌রে নতুন রাষ্ট্রপতির নাম  ◈ মো‌দি সরকা‌রের বিরু‌দ্ধে আবার আন্দোলনের হুমকি ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির ◈ প্রতিবন্ধী তিন ব্যক্তির হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গ্যাস সংকট মোকাবিলায় আমদানিনির্ভর এলএনজি: বৈদেশিক মুদ্রা ও ভর্তুকিতে রেকর্ড চাপের আশঙ্কা ◈ চাকরির স্বপ্নে মানবপাচার, স্ক্যাম সেন্টার থেকে যুদ্ধক্ষেত্রে বাংলাদেশিরা ◈ ক্রিকেট বিশ্বকাপের দলেও বেশি ক্রিকেটার চাই! ফুটবল বিশ্বকাপ দেখে দাবি অস্ট্রেলিয়ার ◈ ডেসকাটের পর এবার আরেক কোচ ভারতীয় দ‌লের দায়িত্ব ছাড়‌লেন ◈ মেট্রোরেল লাইন-৫: অর্থসংকটে চীনা প্রতিষ্ঠানকে কাজ দেওয়ার প্রস্তাব প্রত্যাহার

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১০:৫৩ দুপুর
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০২৬, ১২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুধু বকুনি নয়, প্রশংসাই বদলে দিতে পারে সন্তানের আচরণ

সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ হিসেবে গড়ে তোলাই বাবা-মায়ের প্রধান টার্গেট। কিন্তু এমন অনেক সন্তান আছে, যারা বাবা মায়ের অবাধ্য; তাদেরকে সামান্য ইতিবাচক কথা বললেই বদলে যেতে পারে তাদের ভাবনাচিন্তা।

একটা বয়সে বেশিরভাগ শিশুই বদমেজাজি বা দুরন্ত হয়ে ওঠে, তখন তাদের সামলানো বাবা-মায়ের জন্য কঠিন হয়ে যায়। এমন বয়সে বকনি দিলে শুধরানোর বদলে বাবা-মাকেই মারতে আসে।

ছোটরা আশপাশের পরিবেশ থেকেই শিক্ষা নেয়। ভালো জিনিস শেখার পাশাপাশি খারাপ অভ্যাসও তৈরি হয়। শাসন না করে স্রেফ ভালোবাসায় সন্তানকে সুশিক্ষা দেওয়া সম্ভব হয় না। তার ভালো ভবিষ্যতের কথা ভেবেই অভিভাবকদের বকাবকি করতেই হয়। কিন্তু বাবা-মায়েরা যখনই বকেন, তা যতই ভালোর জন্য হোক না কেন, সন্তানের কাছে সাধারণত গ্রহণযোগ্য বলে মনে হয় না।

বাবা-মায়ের পক্ষ থেকে শিশুকে বলা ইতিবাচক ও নেতিবাচক কথার অনুপাত হতে হবে ৫:১। যদি শিশুটিকে একটি তিরস্কারমূলক কথা বলা হয়, তবে খেয়াল রাখতে হবে তাকে যেন ৫টি পজিটিভ কথাও বলা হয়। এতে তার মনে রাগের বদলে, বাবা-মায়ের কথা বুঝতে চাওয়ার ইচ্ছে তৈরি হবে।

সে অনুভব করবে যে, বাবা-মায়ের কাছে সে মূল্যবান। তার ভালো কাজের যথেষ্ট গুরুত্ব রয়েছে বড়দের কাছে। আপনা থেকেই তার মধ্যে প্রশংসা লাভের ইচ্ছে বাড়বে। ফলে বাবা-মায়ের বারণও সে মনে রাখবে। চেষ্টা করবে ভালো কাজের সংখ্যা বাড়ানোর, যাতে আগামীতে আরও প্রশংসা জোটে।

সত্যিই এমনটা জীবনে সব সময় হয়ে ওঠে না। সারাদিন শাসন করার মতো যত ঘটনা ঘটে, প্রশংসা করার মতো কি আর তত ঘটে? না, কিন্তু মনোবিদরা বলছেন, এমন ক্ষেত্রে প্রশংসার বস্তু খুঁজে নিতে হবে অভিভাবককেই। শিশুটি যদি নিজের জিনিস গুছিয়ে রাখে, অপছন্দের সবজিও সোনামুখ করে খেয়ে নেয়, ফোন স্ক্রোল না করে পড়াশুনায় মন দেয়, তবে তাকে তারিফ করুন। মাথায় হাত বুলিয়ে দিন, অথবা পছন্দের খাবার রান্না করে খাওয়ান। আরও বড় কোনও ভালো কাজ করলে, সপ্তাহান্তে ঘুরতে নিয়ে যান।

সন্তানকে মানুষের মতো মানুষ করে গড়ে তুলতে গিয়ে কখন যেন প্রশংসাসূচক কথা বলতে ভুলেই যান বেশিরভাগ অভিভাবক। অথচ এই সামান্য ইতিবাচক কথাতেই বদলে যেতে পারে সন্তানের ভাবনাচিন্তার ধরন, জীবনের মান।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়