শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৮:১৩ রাত
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ১১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপানি ইন্টারভ্যাল ওয়াকিংয়ে কি সত্যিই ওজন কমে?

নিয়মিত হাঁটা যে ওজন কমাতে সাহায্য করে, তা সবারই জানা। তবে জাপানের একটি বিশেষ হাঁটার পদ্ধতি—ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং—সাধারণ হাঁটার তুলনায় অনেক বেশি কার্যকর। এই পদ্ধতিতে দ্রুত ও ধীর গতিতে পালা করে হাঁটা হয়, যার ফলে কম সময়ে বেশি ক্যালোরি ঝরে এবং শরীর ফিট থাকে।

ইন্টারভ্যাল ওয়াকিং কী?

advertisement

জাপানের শিনশু বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের উদ্ভাবিত এই পদ্ধতিতে ৩ মিনিট দ্রুত হাঁটা এবং ৩ মিনিট ধীরে হাঁটার একটি চক্র অনুসরণ করা হয়। দ্রুত হাঁটার সময় এমন গতি রাখতে হয় যাতে কথা বলা কিছুটা কঠিন লাগে এবং হার্টবিট বেড়ে যায়। এরপর ধীরে হাঁটার মাধ্যমে শরীরকে বিশ্রাম দেওয়া হয়।

এই ৬ মিনিটের চক্র দিনে মোট ৫ বার করলে ৩০ মিনিটের একটি পূর্ণ সেশন সম্পন্ন হয়। সপ্তাহে অন্তত ৪ দিন এই অনুশীলন করলেই ভালো ফল পাওয়া যায়।

advertisement

কেন এটি কার্যকর?

একটানা হাঁটার তুলনায় এই পদ্ধতিতে হাঁটলে বেশি ক্যালোরি খরচ হয়। দ্রুত হাঁটার সময় শরীরে এমন হরমোন নিঃসৃত হয় যা চর্বি কমাতে এবং পেশি শক্তিশালী করতে সহায়তা করে। ধীরে হাঁটার সময় শরীর পুনরুদ্ধারের সুযোগ পায়।

advertisement

নিয়মিত অনুশীলনে খারাপ কোলেস্টেরল কমে, ভালো কোলেস্টেরল বাড়ে এবং রক্তে শর্করার নিয়ন্ত্রণও ভালো থাকে। এতে টাইপ ২ ডায়াবেটিসের ঝুঁকিও কমতে পারে।

নানবা ওয়াক কী?

জাপানে আরেকটি জনপ্রিয় হাঁটার কৌশল হলো নানবা ওয়াক। এতে একই পাশের হাত ও পা একসাথে এগিয়ে যায়—যা সাধারণ হাঁটার বিপরীত। এতে শরীরের ভারসাম্য বজায় থাকে, কোমরের ওপর চাপ কম পড়ে এবং হাঁটু বা গোড়ালির ব্যথাও কম হয়। পাশাপাশি মেরুদণ্ড সোজা থাকে, যা বয়স বাড়লেও শরীরের ভঙ্গিমা ঠিক রাখতে সাহায্য করে।

কীভাবে শুরু করবেন?

শুরুতে খালি পেটে হাঁটাচলা না করে হালকা কিছু খেয়ে নিন। প্রথম সপ্তাহে ১৫ মিনিট দিয়ে শুরু করে ধীরে ধীরে ৩০ মিনিটে উন্নীত করুন। দ্রুত হাঁটার সময় গভীর শ্বাস নেওয়ার অভ্যাস করুন। আরামদায়ক জুতা ও পোশাক পরুন এবং সময় মাপার জন্য ঘড়ি বা টাইমার ব্যবহার করুন। নিরাপদ ও কম ভিড়যুক্ত জায়গা বেছে নেওয়াই ভালো, যাতে হাঁটার গতি বজায় রাখা যায়।

  • সর্বশেষ