শিরোনাম
◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী ◈ প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে ‘যৌক্তিক’ দাবি করা সেই এএসআই প্রত্যাহার ◈ এলপিজির নির্ধারিত দাম নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসকদের নজরদারির নির্দেশ

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০২৬, ০৭:০১ বিকাল
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সন্তান দত্তক নেওয়ার আগে যা জানা জরুরি

মহান আল্লাহ যাকে চান তাকে সন্তান দান করেন। অনেক মানুষ আছেন, যাদের সন্তান নেই। সন্তানের জন্য তাদের হাহাকার। নিরুপায় হয়ে অন্যের সন্তান দত্তক নিয়ে সন্তানের শূন্যস্থান পূরণ করতে চান। জানার বিষয় হচ্ছে -- ইসলামে সন্তান দত্তক নেয়া কি জায়েজ?

ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে, সন্তান দত্তক নেয়া জায়েজ আছে। ছেলে মেয়ে আল্লাহর বিশেষ এক নেয়ামত। তিনি যাকে ইচ্ছে দান করেন। যাকে ইচ্ছে বন্ধ্যা রাখেন। মহান আল্লাহ বলেন, আকাশমণ্ডলী ও পৃথিবীর রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। যাকে চান কন্যা দেন এবং যাকে চান পুত্র দেন। অথবা পুত্র ও কন্যা উভয় মিলিয়ে দেন। আবার যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করে দেন। নিশ্চয়ই তিনি সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (সুরা শুরা: ৪৯-৫০)

সুতরাং যাকে মহান আল্লাহ ছেলে-মেয়ে দান করেনি তার জন্য দত্তক নেয়া জায়েজ আছে। তবে এক্ষেত্রে কিছু নীতিমালা রয়েছে। দত্তক বাচ্চা আসল বাচ্চার মতো নয়। কারণ উভয়ের জন্য অনেক ক্ষেত্রে শরিয়তের বিধান ভিন্ন।
 
এজন্য শর্ত হলো, দত্তক সন্তানের আসল পিতা-মাতার দিকে তার বংশ সম্পর্ক বহাল রাখা। তার জন্ম সনদ, পরিচয় পত্র, ভোটার আইডি, শিক্ষা সনদ, বিবাহ নামা ইত্যাদিতে তার আসল মা-বাবার দিকে সম্পর্ক উল্লেখ করাও আবশ্যক।
 
যদি দত্তক লালনকারী মা-বাবার সাথে দত্তকের মাহরামের (যাদের সঙ্গে দেখা দেয়া জায়েজ) সম্পর্ক না থাকে, তথা বাচ্চা থাকাকালীন নির্দিষ্ট সময়ে দুধ পান না করিয়ে থাকে, তাহলে দত্তক প্রাপ্ত বয়স্ক হলে তার সাথে উক্ত মা-বাবার পর্দা করা ফরজ।
 
শুধু লালন-পালনের মাধ্যমে পর্দার বিধান বাতিল হবে না। অবশ্যই যদি দত্তক লালনকারী হোক সে নিজে অথবা তার বোন বা মেয়ে ইত্যাদি তাকে দুধপানের নির্দিষ্ট সময়ে দুধ পান করিয়ে থাকে, তাহলে তাদের সাথে পর্দার বিধান রহিত হয়ে যাবে।
 
মানুষের মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পদ শরয়ী নিয়ম-কানুনের ভিত্তিতে তার মূল উত্তরাধিকারদের মাঝে বণ্টন হয়। দত্তকের এতে কোন অংশ থাকবেনা। অবশ্যই লালনপালনকারী মাতা-পিতা চাইলে তার জন্য এক তৃতীয়াংশ সম্পদ অসিয়ত করতে পারে। অথবা জীবিত অবস্থায় কিছু দিতে চাইলেও পারবে। (সুরা আহযাব ৪-৫, ফতোয়ায়ে শামি ৩-২১৩)

  • সর্বশেষ