শিরোনাম
◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী ◈ প্রকাশ্যে ঘুষ গ্রহণকে ‘যৌক্তিক’ দাবি করা সেই এএসআই প্রত্যাহার

প্রকাশিত : ০৬ মে, ২০২৬, ০৭:৫৫ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ঋণ পরিশোধ না করে হজ পালন করলে কি কবুল হবে?

ঋণ পরিশোধের নির্দিষ্ট সময়সীমা পার হয়ে যাওয়ার পরও ঋণ পরিশোধ করেনি, কিন্তু হজ করতে যাচ্ছে, এই ব্যক্তির হজ কি শুদ্ধ হবে?

হ্যাঁ, হজ আদায় হবে। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণ পরিশোধ না করে হজ করলে তার হজ শুদ্ধ হবে যদি হজের রোকন ও শর্তগুলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করা হয়। হজে যে সম্পদ ব্যয় হয়, ওই সম্পদের উৎসের সঙ্গে বা ঋণগ্রস্ত হওয়ার সঙ্গে হজের শুদ্ধতার কোনো সম্পর্ক নেই।

তবে যে ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত এবং ঋণ পরিশোধ করলে হজ করার সামর্থ্য থাকবে না, তার ওপর হজ ফরজ নয়। ইসলামি শরিয়তের দৃষ্টিতে তার কর্তব্য হলো আগে ঋণ পরিশোধ করা, তারপর সামর্থ্য থাকলে হজ করা।

ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকলে ঋণ পরিশোধের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার আগেই বা নির্ধারিত সময়ে ঋণ পরিশোধ করা জরুরি। ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকার পরও ঋণ পরিশোধ করতে গড়িমসি করা জুলুম। রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সক্ষম ব্যক্তির টালবাহানা করা অত্যাচারের শামিল।’ (মুসলিম ৩৮৫৬)

Advertisement

দুনিয়াতে বেঁচে থাকতে ঋণ পরিশোধের সামর্থ্য থাকার পরও ঋণ পরিশোধ না করলে পরকালে নিজের আমল দিয়ে এবং ঋণদাতার গুনাহের বোঝা নিজের কাঁধে নিয়ে ওই ঋণ পরিশোধ করতে হবে। বান্দার হক আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। আল্লাহর পথে শাহাদাত বরণ করলেও ঋণ মাফ হয় না। নবীজি (সা.) বলেছেন—

‘আল্লাহর পথে জীবন উৎসর্গকারী শহীদের সব পাপ ক্ষমা করা হলেও অপরিশোধিত ঋণ ক্ষমা করা হয় না।’ (মুসলিম ৪৯৯১)

আরেকটি হাদিসে রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন— ‘কারো উপর তার ভাইয়ের কোনো দাবি থাকলে সে যেন তা থেকে মুক্ত হয়। কারণ কেয়ামতের দিন পাওনা পরিশোধের জন্য টাকা-পয়সা থাকবে না। তখন অন্যায়ের সমপরিমাণ সওয়াব পাওনাদারের জন্য নিয়ে নেওয়া হবে। সওয়াব না থাকলে পাওনাদারের গুনাহগুলো তার উপরে চাপিয়ে দেওয়া হবে।’ (বুখারি ৬৫৩৪)

তাই ঋণ পরিশোধ করা নিয়ে হেলাফেলা করা কোনো মুসলমানের কাজ হতে পারে না। ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ঋণ পরিশোধকে হজের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে।

  • সর্বশেষ