শিরোনাম
◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ মেট্রোরেল লাইনে কুকুর ঢুকে বন্ধ ট্রেন চলাচল, পরে স্বাভাবিক ◈ ২০২৭ সাল থেকে চতুর্থ ও ষষ্ঠ শ্রেণিতে যুক্ত হচ্ছে ৪ নতুন বিষয়: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হঠাৎ দিল্লি গেছেন দীনেশ ত্রিবেদী

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:২৭ দুপুর
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৪:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রমজানে শয়তান বন্দি, তবুও মানুষ পাপ কাজে জড়ায় কেন? যা বলছে ইসলাম

রমজান মাসে শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয়—এমন বক্তব্য একাধিক সহিহ হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। তবুও বাস্তবে দেখা যায়, এ মাসেও অনেক মানুষ গুনাহে জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি নিয়ে ইসলামি চিন্তাবিদ ও আলেমরা বিভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছেন।

হাদিসে বর্ণিত আছে, রমজান এলে জান্নাতের দরজা খুলে দেওয়া হয়, জাহান্নামের দরজা বন্ধ করা হয় এবং শয়তানদের শিকলবন্দি করা হয়। অন্য বর্ণনায় বলা হয়েছে, বিশেষ করে অবাধ্য ও শক্তিশালী শয়তানদের বন্দি করা হয়।

আলেমদের মতে, এখানে সব শয়তান নয়, বরং বিদ্রোহী ও প্রবল শয়তানদের বোঝানো হয়েছে। কেউ কেউ বলেন, রোজা, কোরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতে ব্যস্ত থাকার কারণে মুমিনদের ওপর শয়তানের প্রভাব স্বাভাবিকভাবেই কমে যায়।

তাফসিরবিদদের ব্যাখ্যায় বলা হয়েছে, যারা প্রকৃত নিয়ম ও আত্মসংযম বজায় রেখে রোজা রাখেন, তাদের ওপর শয়তানের প্রভাব সবচেয়ে কম পড়ে। কিন্তু যারা শুধু না খেয়ে দিন কাটান অথচ আত্মশুদ্ধির চেষ্টা করেন না, তাদের ক্ষেত্রে এই সুরক্ষা পূর্ণভাবে কার্যকর নাও হতে পারে।

Advertisement

আলেমরা আরও বলেন, গুনাহের উৎস শুধু শয়তান নয়। মানুষের নিজের প্রবৃত্তি, দীর্ঘদিনের খারাপ অভ্যাস এবং খারাপ সঙ্গও পাপে জড়ানোর কারণ হতে পারে।

শয়তানদের শিকলবন্দি করার বিষয়টি আক্ষরিক না রূপক—এ নিয়েও মতভেদ রয়েছে। একদল আলেম মনে করেন, এটি বাস্তব ঘটনা এবং আল্লাহ ফেরেশতাদের মাধ্যমে মানুষকে সুরক্ষা দেন। অন্যদের মতে, এটি রূপক অর্থে বলা হয়েছে—অর্থাৎ রমজানে আল্লাহ মুমিনদের জন্য নেক কাজ সহজ করে দেন এবং গুনাহের পথ কঠিন করে দেন।

ধর্মীয় বিশ্লেষকদের মতে, রমজান শুধু রোজার মাস নয়; এটি আত্মসংযম, আত্মশুদ্ধি ও নৈতিক সংশোধনের সময়। তাই এই মাসকে যথাযথভাবে কাজে লাগাতে পারলে মানুষ পাপ থেকে দূরে থাকার প্রকৃত সুফল পেতে পারে।