শিরোনাম
◈ হাসিনার ইস্যু ও প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত, তবু বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক চায় ভারত : এনডিটিভির প্রতিবেদন ◈ গ্রিসে ৭৭ জন অভিবাসী নিয়ে নৌকা ডুবি ◈ গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় বড় পরিকল্পনা: ১৫০ কূপ খনন, বাড়ছে এলএনজি সক্ষমতা ◈ মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশিদের প্রয়োজনীয় নথিপত্র সঙ্গে রাখার পরামর্শ দূতাবাসের ◈ দ্বিতীয় গ্র্যান্ড স্ল্যাম জিতে ইতিহাস গড়লেন জার্মা‌নির আ‌লেকজান্ডার জভেরেভ ◈ ইংল‌্যা‌ন্ডে ভরাডুবির পর জোড়া শাস্তিও পেলো পাকিস্তান ক্রিকেট দল ◈ ঢাকার দুই সিটিতে মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করল জামায়াত ◈ আর্থিক খাতের স্থিতিশীলতায় ১,২৭৬ কোটি টাকার প্রকল্প ◈ নতুন পে-স্কেলের গেজেট নিয়ে উদ্বেগ, খসড়া এখনো আইন মন্ত্রণালয়ে যায়নি ◈ ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও ৮ মৃত্যু, চলতি বছরে প্রাণ গেল ১৫৭ জনের

প্রকাশিত : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:০৯ রাত
আপডেট : ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৯:৪০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হাসিনার ইস্যু ও প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত, তবু বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক চায় ভারত : এনডিটিভির প্রতিবেদন

বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান নিয়ে মতপার্থক্য এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর স্থগিত থাকার মতো কিছু জটিলতা সত্ত্বেও ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক রাখতে আগ্রহী ভারত। 

এ ক্ষেত্রে রাজনৈতিক টানাপোড়েনকে পাশ কাটিয়ে দুই দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যকার সুসম্পর্ক বজায় রাখাকেই সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে নয়াদিল্লি।

তারেক রহমান ভারতে তার পূর্বনির্ধারিত সফর স্থগিত রাখলেও উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা এখনো চলমান রয়েছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাকে দ্বিপক্ষীয় সফর এবং ব্রিকস সম্মেলনে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানালেও তিনি তা স্থগিত রাখেন। 

তবে ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী জানিয়েছেন, রাজনীতি নিজ গতিতে চললেও দুই দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষাকেই অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে। সম্প্রতি হাইকমিশনার ঢাকায় উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান ও পানি সম্পদমন্ত্রী শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানির সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বর্তমান বাংলাদেশ প্রশাসনও ব্যবসা-বাণিজ্য ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধের ভিত্তিতে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক আরও এগিয়ে নিতে ইতিবাচক মনোভাব প্রকাশ করেছে।

এদিকে দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আগামী ডিসেম্বরেই ১৯৯৬ সালের ঐতিহাসিক গঙ্গা পানি বণ্টন চুক্তিটির মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। বাংলাদেশ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে এই চুক্তি নবায়ন দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ভবিষ্যতের জন্য একটি অন্যতম মূল চালিকাশক্তি হবে।

  • সর্বশেষ