শিরোনাম
◈ বাংলাদেশিসহ শতাধিক অভিবাসী আটক বসনিয়া-ক্রোয়েশিয়া সীমান্তে ◈ দুই হাজার আইফোনসহ কক্সবাজারে ৬ চীনা নাগরিক গ্রেফতার ◈ চীন থেকে যুদ্ধবিমান কিনলে বাংলাদেশের সুবিধা-অসুবিধা কী? ◈ ‘চিকেনস নেক’ ঘিরে ২ হাজার কোটি রুপির মহাসড়ক বানাচ্ছে ভারত ◈ বাংলা‌দেশ দল আ‌সিয়ান কাপ খেলতে ১৯ সে‌প্টেম্বর ইন্দো‌নে‌শিয়ায় রওনা হ‌বে ◈ ‘এমন উদ্ধার অভিযান বিশ্বে আগে ঘটেনি’ : বিশেষজ্ঞ ◈ সংখ্যালঘু নয়, নাগরিক পরিচয়েই সবাই সমান অধিকার ভোগ করবে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ ‌বি‌শেষ বিদায়ী প্রী‌তি ম‌্যা‌চে মেসি আর্জেন্টিনার জার্সিতে ফির‌ছেন!  ◈ পে-স্কেল বাস্তবায়নে বাজারে কী ধরনের প্রভাব পড়তে পারে? ◈ পরমাণু যুদ্ধের ভয় কি হারিয়ে ফেলছে বিশ্ব?

প্রকাশিত : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৬:৩৫ বিকাল
আপডেট : ০৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ০৮:১২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

থাইল্যান্ডে মার্কিন দুই সেনার মারামারি, বন্দরে থাকা রণতরীতে ফেরত পাঠানো হলো

নতুন এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, থাইল্যান্ডে মদ্যপ অবস্থায় মারামারিতে জড়িয়ে পড়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের দুই সেনাসদস্যকে ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন বিমানবাহী রণতরিতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। 

বর্তমানে বিমানবাহী রণতরীটি থাইল্যান্ডের একটি বন্দরে অবস্থান করছে। এর আগে এটি টানা ২৮৬ দিন সমুদ্রে অবস্থান করে একটি রেকর্ড গড়েছে।

ওই দুই সেনাসদস্যের পরিচয় প্রকাশ করা হয়নি। তাদের এখন থাইল্যান্ডের সমুদ্রতীরবর্তী পর্যটননগরী পাতায়ায় বিমানবাহী রণতরিটির পাঁচ দিনের অবস্থানের বাকি পুরো সময় জাহাজের মধ্যেই থাকতে হবে। পাতায়া এমন একটি শহর, যাকে দেশটির 'পাপের নগরী' বলে পরিচয় দেওয়া হয়।

বৃহস্পতিবার ভোরে একজন থাই নাগরিক জরুরি নম্বরে ফোন করে জানান, রাত ১টা ৩০ মিনিটের দিকে শহরের একটি বারের কাছে দুই মার্কিন সেনাসদস্যের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হয়েছে। স্থানীয় পুলিশের বরাত দিয়ে এমএস নাও এ তথ্য জানিয়েছে।

থাই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর পর ওই মার্কিন সেনাসদস্যদের শহরের হার্ড রক ক্যাফেতে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্র-থাইল্যান্ডের যৌথ পরিচালনা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে তাদের বিমানবাহী রণতরিতে ফেরত পাঠানো হয়।

সংবাদমাধ্যমটির সঙ্গে কথা বলার সময় এক থাই কর্মকর্তা ঘটনাটিকে 'ছোটখাটো ঘটনা' বলে বর্ণনা করেন। তিনি আরও জানান, ওই দুই সেনাসদস্য মদ্যপ ছিলেন এবং জরুরি নম্বরে ফোন করা ব্যক্তি আশঙ্কা করেছিলেন যে তাদের মধ্যে চলা মারামারি আরও গুরুতর আকার ধারণ করতে পারে।

সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট

  • সর্বশেষ