শিরোনাম
◈ তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে: সাবেক কূটনীতিক ◈ সড়ক আইন ভাঙলে যাত্রী-পথচারীকেও জরিমানা, আসছে নতুন আইন ◈ শুক্রবার থেকে এমপিও শিক্ষকদের বদলির আবেদন, চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত ◈ অবৈধ অভিবাসন ঠেকাতে নতুন উদ্যোগ, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে কর্মী পাঠানোর পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে করার উদ্যোগ ◈ চোরাচালান ও আটক পণ্য নিষ্পত্তিতে এনবিআরের নতুন আদেশ জারি ◈ রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, ভোট বৃহস্পতিবার: ইসি সচিব ◈ সমাজের সবাই এগিয়ে এলে অনেক বড় সমস্যার সমাধান করা সম্ভব: প্রধানমন্ত্রী ◈ সরকার কেন পাল্টালো অর্থবছরের সময়কাল, কি সুবিধা মিলবে? ◈ সরকারি চাকরি জনগণের সেবা করার গুরুত্বপূর্ণ সুযোগ: আইনমন্ত্রী ◈ কোন-কোন রুটে চলবে পিংক বাস, ভাড়া কত

প্রকাশিত : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:৪৯ রাত
আপডেট : ১৮ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

তারেক রহমানের সম্ভাব্য সফর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলতে পারে: সাবেক কূটনীতিক

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সম্ভাব্য ভারত সফর দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক জোরদার এবং দীর্ঘদিন ধরে ঝুলে থাকা অমীমাংসিত সমস্যাগুলো সমাধানের ক্ষেত্রে একটি বড় সুযোগ তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতের সাবেক জ্যেষ্ঠ কূটনীতিক বিদ্যা ভূষণ সোনি। এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সাবেক এই কূটনীতিক জানান, এই সফরের মাধ্যমে তিস্তা নদীর পানিবণ্টন চুক্তি এবং রোহিঙ্গা সংকটের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোতে অগ্রগতি হতে পারে। বিশেষ করে, মিয়ানমার সরকারের সঙ্গে ভারতের ভালো কূটনৈতিক সম্পর্ক থাকায় ঢাকা আশা করে যে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ভারত মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করবে।

তারেক রহমানের প্রশংসায় তিনি বলেন, তিনি বেশ উন্মুক্ত মানসিকতার একজন নেতা এবং তার পক্ষ থেকে ভারতবিরোধী কোনো বক্তব্য আসেনি। তাই এই সুযোগ হাতছাড়া করা উচিত নয়। দুই দেশের পক্ষ থেকেই এই সম্ভাবনাকে কাজে লাগানোর ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, এই সুযোগ হারিয়ে গেলে দুই দেশের যোগাযোগের মাধ্যম দীর্ঘদিনের জন্য বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে দায়িত্ব নেওয়ার পর এটি হতে পারে তারেক রহমানের প্রথম ভারত সফর। এই সফর নিয়ে ঢাকা ও নয়া দিল্লির মধ্যে কূটনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা চলছে। 

তবে সম্প্রতি নয়া দিল্লিতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার একটি প্রকাশ্য উপস্থিতি এবং তাকে দেশে ফিরিয়ে আনার বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক অনুরোধ জানানোর কারণে সফরের চূড়ান্ত তারিখ নির্ধারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে। অন্যদিকে ভারত সরকারের পক্ষ থেকে পরিষ্কার করা হয়েছে যে ওই অনুষ্ঠানের সঙ্গে তাদের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়