শিরোনাম
◈ সাকিবের দেশে ফেরার প্রশ্নে ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী—‘আর কোনো সুযোগ নেই’ ◈ ডাকা হচ্ছে সংসদের বিশেষ অধিবেশন ◈ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন বাড়ানোর বিষয়ে যা বললেন প্রতিমন্ত্রী ◈ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে প্রস্তুত: রয়টার্সকে সাকিব ◈ ‘শেখ হাসিনার বক্তব্যে ভারত সরকারের কোনো সম্পৃক্ততা নেই’ ◈ ‘কিসের হাসিনা, তার চেহারা কী দেখা গেছে?’—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রশ্ন ◈ বাংলাদেশি উদ্যোক্তাদের জন্য ফেসবুকের নতুন সুবিধা ◈ সিঙ্গাপুর-মালয়েশিয়ার উদাহরণ টেনে বেতন বাড়ানোর দাবি প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের (ভিডিও) ◈ আমিও চাই, শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আইনি পথে হাঁটুক: আইনমন্ত্রী (ভিডিও) ◈ মাদক কারবারির বাড়িতে পুলিশের দেহ তল্লাশি, যা জানা গেল

প্রকাশিত : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৬:৪৩ বিকাল
আপডেট : ০৭ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:৩৪ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গোপন আস্তানায় বন্দি ১৩ বাংলাদেশি উদ্ধার, অভিযুক্ত সিরীয় কারাগারে

লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে অপহরণের শিকার ১৩ বাংলাদেশি অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে দেশটির অ্যান্টি-ইলিগ্যাল মাইগ্রেশন এজেন্সি (পূর্ব ত্রিপোলি শাখা)। একই সঙ্গে অপহৃত ব্যক্তিদের একটি গোপন আস্তানায় জিম্মি করে স্বজনদের কাছ থেকে মুক্তিপণ আদায়ের অভিযোগে এক সিরীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

লিবিয়া অবজারভারের প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে, অভিযুক্ত ব্যক্তিকে পাবলিক প্রসিকিউশনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। আদালত বিচার বিভাগীয় তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

লিবিয়া অবজারভার অ্যান্টি-ইলিগ্যাল মাইগ্রেশন এজেন্সির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজের বিবৃতির বরাতে জানিয়েছে, সম্প্রতি ত্রিপোলিতে সদ্য আসা অভিবাসীদের অপহরণ করে তাঁদের পরিবারকে ব্ল্যাকমেল ও মুক্তিপণ দাবি করে আসছে একটি সুসংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধী চক্র—এমন গোপন তথ্য আসে সংস্থাটির ইনভেস্টিগেশন অ্যান্ড অ্যারেস্ট ইউনিটের কাছে।

তথ্য নিশ্চিত হওয়ার পর সংস্থাটি তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত শুরু করে, গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ করে এবং জিম্মিদের অবস্থান চিহ্নিত করতে নজরদারি জোরদার করে। একপর্যায়ে তদন্ত দল অপহৃত বাংলাদেশিদের অবস্থান ও এই অপরাধের পেছনে থাকা মূল সন্দেহভাজনকে শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

অ্যান্টি-ইলিগ্যাল মাইগ্রেশন এজেন্সি জানিয়েছে, পাবলিক প্রসিকিউশনের কাছ থেকে অনুমতি পাওয়ার পর তারা সরাসরি চিহ্নিত আস্তানায় অভিযান চালায়। পরে সেখান থেকে অবরুদ্ধ অবস্থায় থাকা ১৩ জন বাংলাদেশি নাগরিককে উদ্ধার করে এবং এর সঙ্গে জড়িত এক সিরীয় নাগরিককে গ্রেপ্তার করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার সিরীয় নাগরিক অপহরণ ও জিম্মি করে মুক্তিপণ আদায়ের কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর জবানবন্দি আনুষ্ঠানিকভাবে নথিবদ্ধ করে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছে এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের জন্য তাঁকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়