শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ০৩ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:৩০ বিকাল
আপডেট : ২১ আগস্ট, ২০২৬, ১০:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সীমান্তে রেল অবকাঠামোয় ৪৫ হাজার কোটি রুপি ঢালছে ভারত, লক্ষ্য কী?

চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সীমান্তবর্তী এলাকায় রেল অবকাঠামো উন্নয়নে আগামী ১৮ থেকে ২৪ মাসে প্রায় ৪৫ হাজার কোটি রুপি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করেছে ভারত। সংশ্লিষ্ট বিষয়ে অবগত ব্যক্তিদের বরাতে এই তথ্য জানিয়েছে ব্লুমবার্গ। আঞ্চলিক ভূরাজনৈতিক পরিস্থিতির পরিবর্তনের মধ্যে এটিকে ভারতের অন্যতম বড় কৌশলগত অবকাঠামো উন্নয়ন উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী—পাঞ্জাব, পশ্চিমবঙ্গ, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, আসামসহ ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি রাজ্যে নতুন রেললাইন, প্ল্যাটফর্ম নির্মাণ এবং বিদ্যমান রেল নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করার কাজে এই অর্থ ব্যয় করা হবে। বিষয়টি নিয়ে আলোচনা ব্যক্তিগত হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নাম প্রকাশ না করার শর্তে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

advertisement

তাঁরা দাবি করেছেন, সীমান্তবর্তী রাজ্যগুলোতে এই কর্মসূচির আওতায় যে অর্থ ব্যয় হবে, তা আগামী দুই বছরে ভারতের মোট পরিকল্পিত রেল অবকাঠামো বিনিয়োগের প্রায় ২২ শতাংশ। এর আগে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে সেতু ও টানেলসহ নতুন রেলপথ নির্মাণে ৩ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার ব্যয়ের পরিকল্পনার খবর প্রকাশিত হয়েছিল। নতুন পরিকল্পনা সেই উদ্যোগের তুলনায় আরও বিস্তৃত।

সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থা জোরদারের এই উদ্যোগ এমন এক সময়ে নেওয়া হচ্ছে, যখন চীন, পাকিস্তান ও বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক ভিন্ন ভিন্ন বাস্তবতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। ছয় বছর আগে প্রাণঘাতী সীমান্ত সংঘর্ষের পর চীনের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক এখন কিছুটা স্থিতিশীল হয়েছে। অন্যদিকে, গত বছর পাকিস্তানের সঙ্গে দেশটি স্বল্পমেয়াদি সংঘাতে জড়িয়েছিল। ২০২৪ সালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনও দুই দেশের দীর্ঘদিনের তুলনামূলক স্থিতিশীল সম্পর্কে নতুন বাস্তবতা তৈরি করেছে।

advertisement

তথ্যমতে, পরিকল্পিত রেল অবকাঠামোর একটি বড় অংশ হবে দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য। অর্থাৎ, বেসামরিক যোগাযোগের পাশাপাশি এসব রেলপথ সামরিক সরঞ্জাম, সেনা ও রসদ দ্রুত পরিবহনে ব্যবহার করা যাবে। একই সঙ্গে ঐতিহাসিকভাবে অনুন্নত সীমান্তবর্তী অঞ্চলে যোগাযোগব্যবস্থারও উন্নতি হবে।

হিমালয়, শিলিগুড়ি করিডর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের মতো কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় সর্ব-মৌসুমি ও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রেল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে সেনা মোতায়েনের সময় কমানো এবং বিকল্প সরবরাহব্যবস্থা নিশ্চিত করতে চাইছে নয়াদিল্লি।

advertisement

গত এক দশকে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে প্রায় ১ হাজার ৭০০ কিলোমিটার নতুন রেললাইন নির্মাণ করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা জানিয়েছেন। পাশাপাশি চীনও ডোকলাম উপত্যকাকে কেন্দ্র করে ২০১৭ সালের সামরিক উত্তেজনার পর সীমান্ত এলাকায় বিমানবন্দর ও হেলিপোর্টসহ দ্বৈত-ব্যবহারযোগ্য অবকাঠামো নির্মাণ দ্রুততর করেছে।

 

  • সর্বশেষ