শিরোনাম
◈ তিন বছর পর ভার‌তে ফিরছে আইপিএল নিলাম, ভেন্যু গোয়া ◈ ভারতকে নিয়ে ব্রা‌জিল কোচ আনচেলত্তি, প্রীতি ম্যাচ বলতে কিছু নেই ◈ বহরে যুক্ত হচ্ছে আরও ১১ উড়োজাহাজ, বোয়িংয়ের সঙ্গে বিমানের চুক্তি সই ◈ পাকিস্তান ছেড়ে ২ বছ‌রের চু‌ক্তি‌তে নেদারল্যান্ডসের কোচ অ‌্যাশ‌লি নফকে  ◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন

প্রকাশিত : ০১ আগস্ট, ২০২৬, ০৮:৪৭ রাত
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৫:০০ বিকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কাশ্মিরে সন্ত্রাসী হামলা: ‘ধর্ম জিজ্ঞেস করেই গুলি’, দাবি নিহত শ্রমিকের স্বজনদের

জম্মু ও কাশ্মিরের কুলগামে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছত্তিশগড়ের এক শ্রমিকের পরিবার দাবি করেছে, গুলি চালানোর আগে হামলাকারীরা তার ধর্ম সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল। তবে হামলার তদন্তে থাকা নিরাপত্তা সংস্থাগুলো এখন পর্যন্ত এ দাবি আনুষ্ঠানিকভাবে নিশ্চিত করেনি। ভারতের সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে এ খবর জানিয়েছে।

শুক্রবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কাশ্মিরের কুলগাম জেলার কেলাম এলাকার একটি ইটভাটায় সন্ত্রাসী হামলায় নিহত দুই অভিবাসী শ্রমিকের একজন ছিলেন ছত্তিশগড়ের শক্তি জেলার বাসিন্দা ২৪ বছর বয়সী দীপক রাত্রে। অপর নিহত ২৮ বছর বয়সী ভূপেন্দ্র ভাইনাও একই রাজ্যের বাসিন্দা। হামলায় আহত হওয়ার পর দুজনই মারা যান।

advertisement

দীপকের ভাই মনোজ দাবি করেন, হামলাকারীরা প্রথমে তার ভাইকে কোথা থেকে এসেছেন এবং তার ধর্ম কী এমন প্রশ্ন করে। এরপর তিনি নিজেকে হিন্দু পরিচয় দিলে তাকে গুলি করা হয়।

সাত থেকে আট মাস আগে বেশি আয়ের আশায় স্ত্রীকে নিয়ে জম্মু ও কাশ্মিরে গিয়ে একটি ইটভাটায় কাজ শুরু করেছিলেন দীপক। পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। তার পরিবারে রয়েছেন বৃদ্ধ মা, প্রতিবন্ধী ছোট ভাই, স্ত্রী ও এক শিশু ছেলে। এর আগে তার বাবা মারা গেছেন।

advertisement

‘শুধু রিলেই ক্ষমা?’ মোদিকে প্রশ্ন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধানের‘শুধু রিলেই ক্ষমা?’ মোদিকে প্রশ্ন ককরোচ জনতা পার্টির প্রধানের
পরিবারের সদস্যরা বলেন, স্বজনদের ভালো ভবিষ্যতের আশায় বাড়ি ছেড়েছিলেন দীপক। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি সন্ত্রাসী হামলার শিকার হন। তারা সরকারের কাছে আর্থিক সহায়তা ও উপযুক্ত ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের ভাষ্য, দীপকের মৃত্যুর পর পরিবারের আর কোনও আয়ের উৎস নেই।

ভূপেন্দ্রও প্রায় তিন মাস আগে স্ত্রীকে নিয়ে কাজের জন্য কাশ্মিরে গিয়েছিলেন। তাদের চার বছর বয়সী ছেলে দাদি ও ফুফুর কাছে রয়েছে। তার বাবা-মা ও ভাই হিমাচল প্রদেশে শ্রমিক হিসেবে কাজ করেন।

advertisement

ছত্তিশগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই হামলার নিন্দা জানিয়ে নিহত দুই শ্রমিকের পরিবারকে ২০ লাখ রুপি করে অনুদান দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি হামলাকে ‘কাপুরুষোচিত’ এবং ‘মানবতা ও জাতীয় ঐক্যের ওপর আঘাত’ বলে উল্লেখ করেন। পাশাপাশি ভুক্তভোগীদের ধর্মীয় রীতি অনুযায়ী মর্যাদার সঙ্গে শেষকৃত্য সম্পন্ন করতে রাজ্য সরকারের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে জম্মু ও কাশ্মিরে পাঠানো হবে বলেও জানান।

নিহতের পরিবারের এই দাবি গত ২২ এপ্রিল পাহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার স্মৃতিও উসকে দিয়েছে। ওই হামলায় বেঁচে ফেরা কয়েকজন পর্যটকও অভিযোগ করেছিলেন, গুলি চালানোর আগে হামলাকারীরা তাদের ধর্ম সম্পর্কে জানতে চেয়েছিল। তবে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো দুটি ঘটনার মধ্যে কোনও যোগসূত্রের কথা বলেনি। কুলগামের হামলার উদ্দেশ্য এখনও তদন্তাধীন।

  • সর্বশেষ