শিরোনাম
◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে ◈ আফগান লিগে নাম লেখালেন তাসকিন

প্রকাশিত : ৩১ জুলাই, ২০২৬, ০৭:২১ বিকাল
আপডেট : ২০ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘গো বিগ’ কৌশলে ইরানে বড় অভিযানের ছক যুক্তরাষ্ট্রের, দাবি ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের

ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দুর্বল করে দিতে দেশটিতে প্রায় দুই সপ্তাহব্যাপী ব্যাপক বিমান হামলার পরিকল্পনা করছেন যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তারা। মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ডের (সেন্টকম) প্রধান অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার এ পরিকল্পনা তৈরি করেছেন বলে জানিয়েছে দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, পরিকল্পনায় ১০ থেকে ১৪ দিনের ধারাবাহিক বিমান হামলার মাধ্যমে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র অবকাঠামো ও সামরিক সক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে দুর্বল করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

advertisement

এমন সময় এই পরিকল্পনার খবর সামনে এলো, যখন মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত রয়েছে।

ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ফ্লোরিডার ট্যাম্পায় সেন্টকম সদর দপ্তর থেকে অ্যাডমিরাল ব্র্যাড কুপার পুরো যুদ্ধ পরিস্থিতি তদারকি করছেন এবং সম্ভাব্য বড় ধরনের সামরিক অভিযানের পরিকল্পনা প্রস্তুত করেছেন।

advertisement

অ্যাডমিরাল কুপারের প্রস্তাবিত পরিকল্পনার অন্যতম দিক হলো “গো বিগ” বা বড় আকারের হামলা। তার যুক্তি, ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা দ্রুত ধ্বংস করা গেলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামূলক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহারের প্রয়োজনও কমে যাবে, কারণ তখন ইরানের পাল্টা হামলার সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পাবে।

তবে এ পরিকল্পনা এমন সময়ে নেয়া হচ্ছে, যখন যুক্তরাষ্ট্রের আকাশ প্রতিরক্ষা ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ দ্রুত কমে আসছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মার্কিন জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল ড্যান কেইন।

advertisement

তার মতে, বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রয়োজনীয় প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা বজায় রাখতে গিয়ে মধ্যপ্রাচ্যে সব সক্ষমতা কেন্দ্রীভূত করা সম্ভব নয়।

সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজের (সিএসআইএস) এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুদ্ধ শুরুর সময় যুক্তরাষ্ট্রের কাছে ২ হাজার ৩৩০টি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টর ক্ষেপণাস্ত্র ছিল। বর্তমানে সেই সংখ্যা নেমে ৭৫৯টিতে পৌঁছেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নতুন করে বড় ধরনের যুদ্ধ শুরু হলে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি আরও দুর্বল হতে পারে এবং পশ্চিম প্রশান্ত মহাসাগরে সম্ভাব্য চীন-সংক্রান্ত সংকট মোকাবিলার সক্ষমতাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

 

  • সর্বশেষ