শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ৩১ জুলাই, ২০২৬, ১১:৪৭ দুপুর
আপডেট : ২২ আগস্ট, ২০২৬, ০৭:০০ সকাল

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

জা‌তিসং‌ঘের মহাস‌চিব‌কে ইরা‌নের পররাস্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ের প্রশ্ন: আপনি কেন প্রধান দুই অপরাধীর নাম এড়িয়ে যান?

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক : আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি উদ্বেগজনক অবহেলা সম্পর্কে জাতিসংঘ মহাসচিবের বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেছেন, এখন সময় এসেছে আপনার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করার এবং জাতিসংঘ ও এর আন্তর্জাতিক বিধিভিত্তিক ব্যবস্থাকে লিগ অব নেশনসের পরিণতি থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করার।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাকায়ি বৃহস্পতিবার এক্স (সাবেক টুইটার)-এ এক বার্তায় ২৩ জুলাই জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের আনুষ্ঠানিক বৈঠকে জাতিসংঘ মহাসচিবের বক্তব্যের অংশ প্রকাশ করেন। ওই বক্তব্যে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আইন লঙ্ঘন, প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ, দায়মুক্তি এবং যুদ্ধের বিপজ্জনক প্রবণতা সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল। --- পার্সটু‌ডে

advertisement

বাকায়ি গুতেরেসের বক্তব্য উদ্ধৃত করে লেখেন- আমরা আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি উদ্বেগজনক অবহেলা প্রত্যক্ষ করছি। দায়মুক্তির সংস্কৃতি ক্রমেই বিস্তৃত হচ্ছে। আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘনের ঘটনাগুলো শাস্তি ছাড়াই থেকে যাচ্ছে।

প্রতিটি শাস্তিহীন লঙ্ঘন পরবর্তী লঙ্ঘনের পথ প্রশস্ত করছে। পারস্পরিক আস্থা হ্রাস পাচ্ছে। আলোচনার মাধ্যমে বিরোধ নিষ্পত্তি আরও কঠিন হয়ে উঠছে এবং সমঝোতা বজায় রাখাও কঠিন হচ্ছে।

advertisement

যখন পক্ষগুলো আলোচনার মাধ্যমে সমাধানের পরিবর্তে সামরিক পথকে বেছে নেয়, তখন বেসামরিক মানুষকে সবচেয়ে বড় মূল্য দিতে হয়।

মধ্যপ্রাচ্যে এই বাস্তবতা স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান এবং এর ধ্বংসাত্মক প্রভাব পুরো অঞ্চল ও বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ছে। অঞ্চলটি ক্রমবর্ধমান সংঘাতের এক দুষ্টুচক্রে জড়িয়ে পড়ছে।

advertisement

এরপর বাকায়ি মহাসচিবকে উদ্দেশ করে লেখেন, মহাসচিব মহোদয়, আপনি একেবারেই সঠিক কথা বলেছেন। কিন্তু আপনি স্পষ্টভাবে বলছেন না কেন? এই পরিস্থিতির প্রধান দুই দায়ী পক্ষ—যুক্তরাষ্ট্র ও ইহুদীবাদী ইসরায়েলের নাম উচ্চারণ করা থেকে কেন বিরত থাকছেন? যারা গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরোধী অপরাধ ও আগ্রাসনের অপরাধীদের জন্য সম্পূর্ণ দায়মুক্তি নিশ্চিত করেছে, তাদের নিন্দা করতে কেন দ্বিধা করছেন?

তিনি আরও বলেন, এখনই সময় আপনার গুরুদায়িত্ব পালন করার এবং জাতিসংঘ ও এর আন্তর্জাতিক বিধিভিত্তিক ব্যবস্থাকে লিগ অব নেশনসের মতো পরিণতির হাত থেকে রক্ষা করতে সহায়তা করার।

  • সর্বশেষ