শিরোনাম
◈ হাসিনা কলকাঠি নাড়ছেন, গুপ্তরা বাতাস দিচ্ছে: রিজভী ◈ নারী ত্রিদেশীয় সিরিজের বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-১৯ দল ঘোষণা ◈ ইরান যুদ্ধ ও জ্বালানি সংকটের মধ্যেও ২০২৬ সালে বিশ্ব অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি ২.৯%: OECD ◈ পণ্য খালাসের সময় ও ব্যয় কমাতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনার তাগিদ বাণিজ্যমন্ত্রীর ◈ আগামী শুক্র ও শনিবার ব্যাংক খোলা ◈ রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ৫ দফা প্রস্তাব: জাতিসংঘের সাইডলাইন বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর জোরালো আহ্বান ◈ হুতিদের হামলা ঠেকাতে সৌদির অনুরোধে সাড়া নেই, ট্রাম্প-সালমান সম্পর্কে নতুন টানাপোড়েন ◈ গেটস ফাউন্ডেশনের সিইওর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক, স্বাস্থ্যখাতে এআই ব্যবহারের পরিকল্পনা ◈ ১০ বছরে জ্বালানি তেল থেকে সরকারকে ১ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে বিপিসি ◈ লিভারপুলের অ্যানফিল্ড গুগল রেটিংয়ে এগিয়ে

প্রকাশিত : ২০ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৮ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০৯:০০ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তিন শর্ত পূরণ হলে অনশন ভাঙবেন সোনম ওয়াংচুক

ভারতের শিক্ষা ব্যবস্থায় জবাবদিহি নিশ্চিতসহ তিনটি শর্ত পূরণ করা হলে অনশন ভাঙবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষাবিদ ও পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুক। ২০ দিনের বেশি সময় ধরে অনশনে থাকা ওয়াংচুক দিল্লির সাফদারজং হাসপাতালে থেকে হাতে লেখা এক চিঠিতে এ ঘোষণা দেন।

চিঠিতে তিনি দাবি করেন, তাকে ‘অবৈধভাবে আটক’ রাখা হয়েছে এবং তার চলাফেরা, মতপ্রকাশ ও যোগাযোগের স্বাধীনতা সীমিত করা হয়েছে।

advertisement

ওয়াংচুকের প্রথম শর্ত হলো, সাম্প্রতিক নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসসহ শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ব্যর্থতার দায় সরকারকে স্বীকার করতে হবে। দ্বিতীয় শর্ত হিসেবে তিনি বলেন, রাজনৈতিক নেতাদের সংসদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি উত্থাপনের নিশ্চয়তা দিতে হবে। তৃতীয় শর্তে তিনি বলেন, যদি শারীরিক অবস্থার কারণে তিনি আজকের সংসদ অভিমুখে পদযাত্রায় অংশ নিতে না পারেন, তাহলে শীর্ষ রাজনৈতিক নেতাদের হাসপাতালে এসে আগের দুটি শর্ত বাস্তবায়নের আশ্বাস দিতে হবে।

সোনম ওয়াংচুক দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ব্যবস্থা ও লাদাখ–সংক্রান্ত বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলন করে আসছেন। গত ২৮ জুন দিল্লির যন্তর মন্তরে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) বিক্ষোভে যোগ দিয়ে নিট প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেন এবং সেদিন থেকেই অনশন শুরু করেন।

advertisement

গত ১৮ জুলাই, অনশনের ২১তম দিনে দিল্লি পুলিশ তাকে বিক্ষোভস্থল থেকে সরিয়ে সাফদারজং হাসপাতালে নিয়ে যায়। এর একদিন আগে চিকিৎসকেরা তার শারীরিক অবস্থাকে জরুরি বলে উল্লেখ করেন এবং অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বিকল হয়ে যাওয়ার আশঙ্কার কথা জানান। একই সময়ে দিল্লি হাইকোর্ট সরকারকে তার জীবন রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেয়।

এদিকে, ওয়াংচুকের স্ত্রী গীতাঞ্জলি আংমো তাকে একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি চেয়ে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করেন। তবে আদালত অন্তর্বর্তীকালীন কোনো আদেশ দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে বলেন, ওয়াংচুক নিজে হাসপাতালে ভর্তি না হওয়ায় এবং তার শারীরিক অবস্থার অবনতির কারণে সরকার তাকে সাফদারজং হাসপাতালে স্থানান্তর করার অধিকার রাখে।

advertisement

বিচারপতি মিনি পুষ্কর্ণা বলেন, চিকিৎসকেরা তার অবস্থা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং তার সম্মতিতেই ওষুধ দেওয়া হয়েছে। তাই জোরপ্রয়োগ করা হয়েছে বা তার ব্যক্তিগত স্বাধীনতা লঙ্ঘন করা হয়েছে—এমনটি বলা যায় না।

ওয়াংচুকের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী বিবেক টাংখা জানিয়েছেন, হাইকোর্টের এ আদেশের বিরুদ্ধে দ্বৈত বেঞ্চে আপিল করে জরুরি শুনানির আবেদন করা হতে পারে।

  • সর্বশেষ