শিরোনাম
◈ বিশ্বকাপে সাফল্যের স্বীকৃতি! কেপ ভা‌র্দের তারকা ফুটবলার  ভোজিনহার নামে নতুন প্রাণীর নামকরণ ◈ জাপান-তাইওয়ান পেরিয়ে এবার টাইফুন ‘বাভি’ ধেয়ে আসছে চীনের দিকে, নিরাপদ আশ্রয়ে ৬ লাখেরও বেশি মানুষ ◈ ডা. জুবাইদা রহমানের স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ◈ বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ◈ চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যার তাণ্ডব: ৩৯ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ ◈ সরকারি নিয়োগে দীর্ঘ অপেক্ষা, শূন্য পদের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়াল ◈ ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা ◈ সাবধান! চায়ে মেশানো হচ্ছিল কৃত্রিম রং কাঠের গুঁড়া, এমনকি চামড়ার বর্জ্য ও বিষাক্ত রাসায়নিক, জানুন চেনার ৪ উপায় ◈ ঢাকার বাইরের হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বাড়াতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ ডি‌সেম্ব‌রে শেখ হাসিনার দেশে ফেরার বক্তব্য নিয়ে যা বলছে বিএনপি, জামায়াত ও এনসিপি

প্রকাশিত : ১১ জুলাই, ২০২৬, ০৩:২১ দুপুর
আপডেট : ১১ জুলাই, ২০২৬, ০৪:২৩ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

জাপান-তাইওয়ান পেরিয়ে এবার টাইফুন ‘বাভি’ ধেয়ে আসছে চীনের দিকে, নিরাপদ আশ্রয়ে ৬ লাখেরও বেশি মানুষ

টাইফুন ‘বাভি’র আঘাত হানার আশঙ্কায় চীনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান শহর ওয়েনঝো ও এর আশেপাশের এলাকা থেকে শনিবার ছয় লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এর আগে ঝড়টি জাপানের দক্ষিণাঞ্চলীয় সাকিশিমা দ্বীপপুঞ্জে ভারি বৃষ্টি ঝরায়, সৃষ্টি করে প্রচণ্ড বাতাস। ‘বাভি’ তাইওয়ানের উত্তরাঞ্চল অতিক্রম করে ইতোমধ্যে চীনের মূল ভূখণ্ডের দিকে অগ্রসর হয়েছে।

রয়টার্স লিখেছে, শীতল সমুদ্রের উপর দিয়ে উত্তর-পশ্চিম দিকে যাওয়ার সময় ‘বাভি’ কিছুটা ধীর ও দুর্বল হয়ে পড়লেও ঝুঁকি কমেনি। এ ঝড়ের মেঘমালায় বিপুল পরিমাণ জলীয় বাষ্প রয়েছে, যার পরিধি প্রায় পুরো ফ্রান্সের সমান।

পূর্বাভাস অনুযায়ী, প্রায় এক কোটি মানুষের শহর ওয়েনঝো ও এর আশেপাশে রোববার ভোরে টাইফুনটি আছড়ে পড়তে পারে।

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, ওয়েনঝো যে প্রদেশে অবস্থিত, সেই ঝেজিয়াং থেকে পাঁচ লাখের বেশি এবং পার্শ্ববর্তী ফুজিয়ান প্রদেশ থেকে আরও এক লাখের বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

ঝড় আসার আগে স্থানীয় বাজারগুলো বন্ধ হতে থাকায় প্রয়োজনীয় কেনাকাটা করতে বের হওয়া ওয়েনঝো শহরের বাসিন্দা হুয়াং জিংহুয়ান (৫০) বলেন, “আমি কিছুটা চিন্তিত, তবে আশা করছি পরিস্থিতি ঠিক হয়ে যাবে। আমরা আগেও টাইফুন দেখেছি। এবারও এটি কাটিয়ে উঠতে পারব।”

হুয়াং জিংহুয়ান বলেন, তার পরিবার দুই থেকে তিন দিনের পানি মজুত করেছে। তবে বাজারগুলোতে নিত্যপণ্যের সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় আতঙ্কিত হয়ে অতিরিক্ত খাবার বা অন্য সামগ্রী মজুত করার প্রয়োজন দেখছেন না তিনি।

একই শহরের ৬০ বছর বয়সি বাসিন্দা চেন কিউকিন বৃষ্টির মধ্যেই তার প্রবীণ বাবা-মার বাড়ির দিকে রওনা হয়েছেন।

তিনি বলেন, “মায়ের বারান্দার ফুলের টবগুলো নিয়ে চিন্তিত ছিলাম, তাই সেগুলো ঘরের ভেতরে সরিয়ে নিতে যাচ্ছি। বাবা-মা দুজনেই বৃদ্ধ এবং বাড়িতে একা থাকেন, তাই মনটা কেমন যেন করছিল।”

এ টাইফুনে জাপান ও তাইওয়ানে কোনো মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তবে ফিলিপিন্সে ‘বাভি’ ও দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমী বায়ুর প্রভাবে সৃষ্ট ভারি বৃষ্টি ও বন্যায় ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।

টাইফুন ‘বাভি’ সরাসরি তাইওয়ানের উপর দিয়ে না গেলেও জানমালের ক্ষতি এড়াতে পাহাড়ি এলাকা থেকে ১৪ হাজারেরও বেশি মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিয়েছিল স্থানীয় প্রশাসন। কিছু এলাকায় এক মিটারের মতো বৃষ্টির পূর্বাভাস থাকায় এই সতর্তামূলক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছিল। সূত্র: বিডিনিউজ২৪

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়