শিরোনাম
◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা ◈ ‘জনবান্ধব নয়, গরিবের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টিকারী বাজেট: সংসদে রফিকুল ইসলাম খান ◈ আসিয়ান সদস্যপদে মালয়েশিয়ার সমর্থন, তিস্তায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক, সহায়তা ১১০ কোটি ডলার ◈ দেশের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব, চীন-মালয়েশিয়া সফরের সব অর্জন জনগণের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০২৬, ০৮:১৯ রাত
আপডেট : ২৭ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : এল আর বাদল

ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসীদের মৃত্যু বেড়েছে, তদন্ত চাই: জাতিসংঘ

আন্তর্জা‌তিক ডেস্ক : জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার টুর্ক এক বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্রে ডোনাল্ড ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে অভিবাসী আটককেন্দ্রগুলোতে মৃত্যুর সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং এ বিষয়ে স্বাধীন তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন।

ভলকার টুর্ক যুক্তরাষ্ট্রের আটককেন্দ্রগুলোতে অভিবাসীদের মৃত্যুর ঘটনায় স্বচ্ছতার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী চলতি বছর এখন পর্যন্ত অন্তত ১৯ জন অভিবাসীর মৃত্যু হয়েছে। ---- পার্সটু‌ডে

জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার আরও বলেন, যারা আইন লঙ্ঘনের জন্য দায়ী, তাদের অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। নিহতদের পরিবারের সত্য জানার অধিকার, ন্যায়বিচার, ক্ষতিপূরণ এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধের নিশ্চয়তা বিধার করতে হবে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসী আটককেন্দ্রগুলোতে মৃত্যুর হার উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। মানবাধিকার সংগঠন এবং অভিবাসন আইনজীবীদের মতে, এর পেছনে রয়েছে পদ্ধতিগত অবহেলা, অমানবিক পরিবেশ এবং দুর্ব্যবহার।

ট্রাম্প প্রশাসন দ্রুত অভিবাসী বহিষ্কার কর্মসূচি বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে অভিবাসী আটককেন্দ্রগুলোর পরিধি বাড়িয়েছে। বেশ কিছু কেন্দ্র বেসরকারি ঠিকাদারদের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।

শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প দাবি করেন, তার প্রশাসনের সময় ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্ট এবং কাস্টমস অ্যান্ড বর্ডার প্রোটেকশনের মাধ্যমে দৈনিক গড় গ্রেপ্তারের হার যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ববর্তী সব প্রেসিডেন্টের তুলনায় সর্বোচ্চ। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের প্রকাশিত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, অভিবাসী আটককেন্দ্রে মৃত্যুর সংখ্যা ছিল:

২০২৪ সালে: ১১ জন
২০২৫ সালে: ৩৩ জন
২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে: ১৯ জন

সর্বশেষ মৃত্যুর ঘটনাটি ৪ জুন লুইজিয়ানার একটি আটককেন্দ্রে ঘটেছে। চলতি মাসের শুরুতে মানবাধিকার সংস্থা হিউম্যান রাইটস ওয়াচ এক প্রতিবেদনে জানায়, “ইমিগ্রেশন অ্যান্ড কাস্টমস এনফোর্সমেন্টের আটককেন্দ্রগুলোতে মৃত্যুর হার গত এক দশকেরও বেশি সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে এবং ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরু হওয়ার পর থেকে তা দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়, ট্রাম্পের দ্বিতীয় মেয়াদ শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্রের আটককেন্দ্রে মারা যাওয়া মোট ৫২ জনের বয়স ছিল ১৯ থেকে ৭৫ বছরের মধ্যে এবং তারা বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়