শিরোনাম
◈ ৬৮ বছরে ১৮ বিশ্বকাপ কাভার করা সাংবাদিককে ‘বিশেষ সম্মান’ আ‌র্জেন্টাইন কোচ স্কালোনির ◈ ১০ হাজার টাকা থাকলেই বিনিয়োগ করা যাবে সরকারি সুকুকে, আবেদন রোববার ◈ তারেক রহমানের চীন সফর: দক্ষিণ এশিয়ার ভূরাজনীতিতে নতুন সমীকরণ দেখছে ভারতীয় গণমাধ্যম ◈ চুক্তির ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ড্রোন হামলা ◈ ‘জনবান্ধব নয়, গরিবের ওপর বাড়তি চাপ সৃষ্টিকারী বাজেট: সংসদে রফিকুল ইসলাম খান ◈ আসিয়ান সদস্যপদে মালয়েশিয়ার সমর্থন, তিস্তায় সর্বোচ্চ সহযোগিতা করবে চীন: পররাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তায় বাংলাদেশের পাশে বিশ্বব্যাংক, সহায়তা ১১০ কোটি ডলার ◈ দেশের স্বার্থ রক্ষাই আমাদের দায়িত্ব, চীন-মালয়েশিয়া সফরের সব অর্জন জনগণের: সংসদে প্রধানমন্ত্রী ◈ বিদেশি নাগরিকদের জরুরি সতর্কবার্তা দিলো মার্কিন দূতাবাস ◈ আমরা সবাই চাই, আমাদের রিলেশন হবে মিউচুয়াল রেসপেক্ট এবং ইকুইটির ভিত্তিতে: মির্জা ফখরুল

প্রকাশিত : ২৭ জুন, ২০২৬, ০৭:৪২ বিকাল
আপডেট : ২৭ জুন, ২০২৬, ০৯:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন অবস্থায় যুবলীগ কর্মীর মরদেহ উদ্ধার

ফেনীর ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে জোবায়ের হোসেন পারভেজ নামে এক যুবলীগ কর্মীর গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার (২৭ জুন) সকালে ওই ইউনিয়নের নুর আহাম্মদ মাস্টার বাড়ির সামনে থেকে তার মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত জোবায়ের হোসেন পারভেজ নিজকুঞ্জরা গ্রামের আবু তাহেরের ছেলে। তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক ছিল।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গণঅভ্যুত্থানের পর ডজনখানেক মামলায় পারভেজ ও একই এলাকার মামুন দীর্ঘদিন হাজতে ছিলেন। সে সময় আদালতের বিভিন্ন ফি এবং আনুষঙ্গিক ব্যয় পারভেজ একাই বহন করলেও পরবর্তীতে মামুন তাকে কোনও টাকা দেননি। এরপর তারা দুজন হাজত থেকে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর স্থানীয় একটি দোকান নিয়ে তাদের মধ্যে নতুন করে বিরোধের সৃষ্টি হয়।

এরই ধারাবাহিকতায়, গত শুক্রবার রাত ৯টার দিকে বাড়ির সামনে পারভেজ ও মামুনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে পারভেজ একটি লাইট দিয়ে মামুনের মাথায় আঘাত করেন। পরে রাতেই বিষয়টি স্থানীয় ও বাড়ির লোকজন একত্রিত হয়ে মীমাংসা করে দেন।

নিহতের বাবা আবু তাহের জানান, শুক্রবার দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে সবশেষ তিনি ছেলে জোবায়ের হোসেন পারভেজকে দেখেন। শনিবার সকালে নিজ বাড়ির সামনে তার গলা কাটা ও হাত বিচ্ছিন্ন মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়।

নিহতের পরিবারের সদস্যরা অভিযোগ করেন, একই গ্রামের সাদেক মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন ও মামুনুর রশিদ মামুনের সঙ্গে দোকান সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সম্প্রতি পারভেজের ঝগড়া ও হাতাহাতি হয়েছিল। ওই বিরোধের জেরেই তাকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে বলে দাবি তাদের।

ছাগলনাইয়া থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবু তাহের জানান, নিহত পারভেজ ও অভিযুক্ত মামুন এবং শাহাদাতের নামে থানায় বেশ কিছু মামলা রয়েছে। কিছুদিন আগেও তারা হাজতে ছিলেন। জামিনে বের হয়ে আসার পর উভয়ের মধ্যে বিরোধ বেড়েছে। ওই বিরোধের জেরেই হত্যাকাণ্ডটি ঘটতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহতের পরিবার ও প্রতিবেশীরা এমনটাই দাবি করছে। মরদেহ উদ্ধার করে ফেনী ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি পুলিশ গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা বের করে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

ফেনীর পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার বলেন, ছাগলনাইয়া উপজেলার গোপাল ইউনিয়নে হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন এবং জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনতে পুলিশের একাধিক টিম কাজ করছে। তদন্তের স্বার্থে এখনই বিস্তারিত বলা সম্ভব নয়।

 

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়