শিরোনাম
◈ বঙ্গোপসাগরে সাবমেরিন মোতায়েনের পরিকল্পনা পাকিস্তানের ◈ রেকর্ড মুনাফার পরও পুরো ব্যাংক খাতে লোকসান দেড় লাখ কোটি টাকা: বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদন ◈ বিত‌র্কিত ট‌্যাক‌লে আমার পা ভেঙে গেলেও মেসি কার্ড পেতো না’ : আলজেরিয়া ডিফেন্ডার ◈ বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ইস্যুতে কূটনৈতিক সমাধানের তাগিদ জাতিসংঘের ◈ ভারতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ভয়ঙ্কর ফাঁদে মুসলিম নারী, প্রচারণার জন্য যৌনতাপূর্ণ ছবি তৈরি এবং অপব্যবহার করে ◈ ঘণ্টায় ১০ লাখ ডলার খরচ করলেও ১১৪ বছরে শেষ হবে না মাস্কের সম্পদ ◈ দক্ষিণ এশিয়ার চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ, পেছনে ভারত-পাকিস্তান ◈ গণভবনের সামনে যুবলীগের ঝটিকা মিছিল, দায় নিতে চায় না দুই থানা ◈ নিরাপত্তার ঘেরাটোপে সরকারপ্রধানকে জনগণ থেকে দূরে ঠেলে না দেয়ার আহ্বান ◈ কাঁঠাল দিয়ে হচ্ছে সিঙ্গারা-সমুচা-কাবাব, পুষ্টিগুণও অনেক বেশি, রপ্তানির আশা মন্ত্রীর

প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৬, ০৬:২০ বিকাল
আপডেট : ১৮ জুন, ২০২৬, ১০:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বার্ড ফ্লুর থাবায় অ্যান্টার্কটিক দ্বীপে ১৩ হাজারের বেশি সিলশাবকের মৃত্যু

অস্ট্রেলিয়ার দূরবর্তী অ্যান্টার্কটিক অঞ্চলের হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জে এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুর প্রাদুর্ভাবে হাজার হাজার সাউদার্ন এলিফ্যান্ট সিলের শাবকের মৃত্যু হয়েছে বলে নতুন এক গবেষণায় উঠে এসেছে। খবর বিবিসির।

বিজ্ঞানীরা গত বছরের অক্টোবর ও চলতি বছরের জানুয়ারিতে ড্রোন জরিপ এবং সরেজমিন পরিদর্শনের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেন। গবেষণায় দেখা যায়, গত আগস্ট থেকে হার্ড দ্বীপে থাকা ১৭ হাজার ৩৬৪টি সিলশাবকের মধ্যে আনুমানিক ১৩ হাজার ৩৫৯টি মারা গেছে, যা মোট সিলের ৭৫ শতাংশেরও বেশি। কোনো কোনো এলাকায় মৃত্যুহার ৯৭ শতাংশ পর্যন্ত পৌঁছেছে।

গবেষণাটির এখনও পিয়ার রিভিউ সম্পন্ন না হলেও বিজ্ঞান সাময়িকী বায়োআরএক্সআইভি-এ প্রকাশিত হয়েছে।

গবেষকরা নয়টি প্রাণী প্রজাতি থেকে নমুনা সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে ছয়টি প্রজাতিতে এইচ৫এন১ ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এগুলো হলো দক্ষিণী এলিফ্যান্ট সিল, কিং পেঙ্গুইন, জেন্টু পেঙ্গুইন, অ্যান্টার্কটিক ফার সিল এবং সাউথ জর্জ ডাইভিং পেট্রেল।

গবেষণায় আরও দেখা গেছে, সিলের পাশাপাশি কয়েকশ প্রাপ্তবয়স্ক কিং পেঙ্গুইনেরও মৃত্যু হয়েছে। যদিও এটি মোট জনসংখ্যার তুলনায় কম, তবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি।

অস্ট্রেলিয়ার পরিবেশমন্ত্রী মারে ওয়াট বলেন, সিলশাবকের ব্যাপক মৃত্যু অত্যন্ত উদ্বেগজনক এবং এটি দেখিয়ে দেয় যে, ভাইরাসটি দেশের মূল ভূখণ্ডে প্রবেশের বেশ সম্ভাবনা রয়েছে। আর তাই এটি মোকাবিলায় অস্ট্রেলিয়াকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নিতে হবে।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়াই একমাত্র মহাদেশ, যেখানে এখনো এইচ৫এন১ বার্ড ফ্লুর কোনো সংক্রমণ শনাক্ত হয়নি। তবে বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে ভাইরাসটি পাখির পাশাপাশি বিভিন্ন স্তন্যপায়ী প্রাণীর মধ্যেও ছড়িয়ে পড়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়